লাইফস্টাইল: এ যেন তাল শাঁস খাবার উৎসব
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে শুক্রবার, মে ১৯/২০২৩
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি। আজকে আপনাদের মাঝে পুনরায় আরো একটা নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। আশা করি আমার শেয়ার করা এই পোস্টটি আপনাদের কাছে খুবই ভালো লাগবে। তো চলুন শুরু করা যাক....
সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখতে পেলাম বাড়ির পাশে তালপড়ার জন্য তোর জোর শুরু হয়ে গিয়েছে। আসলে তাল পাড়াকে কেন্দ্র করে আমাদের বাড়ির পাশে যেন একটা উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল আজকে সকালে। দেখতে পেলাম একজন ব্যক্তি তাল গাছে উঠে পড়েছে। তাল গাছে ওঠা কিন্তু খুবই কঠিন একটা কাজ। অন্যান্য গাছের মতো যে কেউ চাইলেই এই ধরনের তাল গাছে উঠতে পারে না। তাল গাছে ওঠার জন্য ভিন্ন ধরনের একটা কৌশল ব্যবহার করা যায় যার মাধ্যমে খুবই সহজে গাছে ওঠা যায়। এক্ষেত্রে আমাদের এলাকাতে বাঁশ বেঁধে সহজে তাল গাছে উঠতে দেখতে পাই।
গাছটিতে প্রচুর পরিমাণে তাল ছিল যার ফলে যখন সব তাল পাড়া হয়ে গেল তখন গাছের নিচে সবগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিল।
এরপরে শুরু হয়ে গেল তাল শাঁস খাবার পালা। যে যার মত খেতে শুরু করে দিল। যদিও সব তাল একজন ব্যক্তি কিনে নিয়েছিল তারপরও সকলেই তাদের নিজেদের মতো করেই খাচ্ছিল। আমিও একটা খেয়ে দেখলাম খেতে ভালই লাগলো।
তারপরে সেগুলো খাওয়া হয়ে যাবার পরে আমি আপনাদের ভাবির কাছে ফোন দিলাম সে তাল শাঁস খেতে চাই কিনা। সে খেতে চাইলেও তাই মনে করলাম যে কিছু তাল কিনে বাড়িতে নিয়ে যাই।
আমাদের এলাকাতে প্রত্যেকটি তালশাঁস বিক্রি হয় ৫ টাকা করে। আমি গাছের নিচ থেকেই তাল কিনেছি তার কারণে একটুও কম দামেই পেয়েছি। আমি মাত্র ৫০ টাকা দিয়ে এক কাঁধি তাল কিনে নিয়ে চলে আসলাম।
এই বছরে কি আপনারা এখন পর্যন্ত তাল শাঁস খেয়েছেন। যদি খেয়ে থাকেন তা অবশ্যই আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন। আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব নতুন কোন একটা পোষ্টের মধ্য দিয়ে।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
ভাইয়া আপনাদের ওখানে একটি তাল মাত্র ৫ টাকা আর আমাদের এখানে একটি তাল চড়া দামে বিক্রি হয় । যেহেতু আপনি গাছের নিচ থেকে কিনেছেন তাই এত কম দামে পেয়েছেন ।আর ভাবির জন্য তো অনেকগুলো তাল কিনে নিয়েছেন বেশ ভালো লাগলো ।তবে এ বছর এখনো আমার তাল খাওয়া হয়নি আপনার তাল খাওয়া দেখে তো এখন খেতে ইচ্ছে করছে । খুব শীঘ্রই আনিয়ে খেয়ে নেব ।ধন্যবাদ আপনাকে ।
আমাদের গ্রামে এই ধরনের জিনিসের দাম একটু কম
ভাইয়া এটা আপনি কি দেখালেন। তাল শাঁস আমার খুবই পছন্দের একটি খাবার। এখন পর্যন্ত এ বছরে তাল শাঁস খাওয়া হয়নি। আমাদের এদিকে ও ৫ টাকা পিস করে বিক্রি করে। এ বছর যেহেতু এখনো খাওয়া হয়নি তাই সঠিক দামটা বলতে পারলাম না। আপনি যেহেতু তাল গাছের নিচ থেকে এক কাঁধি তাল নিয়েছেন এর জন্য দাম কম নিয়েছে।
যদিও প্রতিটার পিএস পাঁচ টাকা বিক্রি হয় তারপরও আমি একটু কম দামে কিনতে পেরেছিলাম
এই সিজন অনেক বেশি তালের শাঁস খাওয়া হয় যেহেতু সিজনটা তালের সিজন। কিছুদিন পরে পাকা তাল বের হবে। আপনি যে দামে তালের শাঁস কিনতে পারলেন কিন্তু সেই দামের টাউনের মধ্যে পাওয়া যায় না। একটি তালের শাঁস খেতে চাইলে ২০-৩০ টাকা নিয়ে নেবে। দেখে তো মনে হচ্ছে খেতে অনেক মজার হবে তবে কখনো তালের শাঁস খাওয়া হয়নি। একদিন খেয়ে দেখতে কেমন লাগে।
তাহলে তো দেখছি আপনাদের ওইদিকে এটার দাম অনেক বেশি
ভাই আপনি ঠিকই বলেছেন, যে কেউ চাইলেই তাল গাছে উঠতে পারে না, কেননা তালগাছ অন্যান্য গাছের মত নয়। আপনি মাত্র ৫০ টাকায় এক কাঁধি তাল কিনেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো। একদম সস্তা দামে তাল কিনতে পেরেছেন। তালের শাঁস খেতে আমার কাছেও খুবই ভালো লাগে। তবে এ বছর এখন পর্যন্ত তালের শাঁস খাওয়া হয়নি। তাই আপনার তালের শাঁস খাবার উৎসবের পোস্ট দেখে তালের শাঁস খাবার খুব ইচ্ছে হচ্ছে। আপনার সুন্দর উপস্থাপনার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
যে কেউ গাছে উঠতে পারে না বলেই তো এটার দাম একটু বেশি