লাইফস্টাইল: খাওয়া-দাওয়ার বিশাল আয়োজন
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে বুধবার, মে ৩/২০২৩
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে পুনরায় আরও একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। কিছুদিন আগে আমি আপনাদের মাঝে একটা পোস্ট শেয়ার করেছিলাম যেখানে দেখেছিলাম আমাদের বাড়িতে একটা অনুষ্ঠান হয়েছিল আর সেই অনুষ্ঠানে বিশাল খাওয়া-দাওয়া আয়োজন করা হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে প্রায় দুই হাজার অতি থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আর এই অনুষ্ঠানটাকে কেন্দ্র করে আমাদের পরিবারে একটা জমজমাট উৎসবের পরিবেশ বিরাজ করছিল। এই ধরনের অনুষ্ঠান হলে পরে অনেক ভালই লাগে। অনেক পুরাতন আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা যায় এই ধরনের অনুষ্ঠানের সুবাদে।
এই দিনে আমি খুবই ব্যস্ত সময় পার করছিলাম কেননা খাওয়া-দাওয়া দেবার কাজে আমার নাম ছিল। এই দিনে আমাকে মাংস দেবার দায়িত্ব পালন করতে হয়েছিল। বুঝতেই পারছেন এত বড় একটা অনুষ্ঠানের মাংস দেবার দায়িত্ব হাতে পড়েছে তাহলে কত বড় সাপের একটা কাজ করতে হয়েছে আমাকে। পুরো অনুষ্ঠানটা সুষ্ঠুভাবে করতে পেরেছি এজন্য নিজের কাছে অনেক ভালো লাগছিল। এই অনুষ্ঠানে প্রত্যেকে খাবার টেবিলে কি ধরনের জিনিস পরিবেশন করবে তা তাদের বুকে ব্যাচ লাগিয়ে নির্ধারণ করে দেয়া হয়ে গিয়েছিল। আমরা চাচ্ছিলাম না যে কোনভাবেই আমাদের অনুষ্ঠানের পরিবেশ নষ্ট হোক।
আমরা সকলেই খুবই ভালোভাবে খাবার পরিবেশন করছিলাম। যে সকল অতিথিরা এই অনুষ্ঠানে এসেছিল তারাও অনেক স্বাচ্ছন্দের সাথে অনুষ্ঠানটা উপভোগ করতে পেরেছে। সকলেই খুবই খুশি হয়েছে আমাদের এত বড় একটা অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পেরেছি বলে। এই অনুষ্ঠানে আমার সাথে দায়িত্ব পালন করছিল কিবরিয়া এবং সুমন স্যার। এছাড়াও আমাদের সাথে আরো অনেক মানুষের প্রয়োজন হয়েছিল। খাবার পরিবেশন করার জন্য প্রায় ৫০ জনের সদস্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।
যখন জানতে পারলাম আমাদের এই অনুষ্ঠানটা আমরা এত সুন্দর ভাবে সম্পূর্ণ করতে পেরেছি এবং এই অনুষ্ঠানে মানুষেরা অনেক খুশি হয়েছে তখন আমাদের কাছে অনেক ভালো লাগছিল।
আমাদের এই অনুষ্ঠানটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে তা অবশ্যই আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন। আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হবে নতুন কোন একটা পোষ্টের মধ্য দিয়ে।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR