লাইফস্টাইল: অসহ্য গরমের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার সামান্য চেষ্টা
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে রবিবার, জুন ৪/২০২৩
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে পুনরায় আরও একটা নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। বাংলাদেশের মানুষের কাছে এখন সবথেকে পরিচিত জিনিস হয়ে উঠেছে প্রচুর পরিমাণে গরম আর লোডশেডিং। বিষয়টা যেন এখন আমাদের সকলেরই সঙ্গী হয়ে উঠেছে। আমরা যারা বাংলাদেশে অবস্থান করি তারা সকলেই ইতিমধ্যেই অবগত হয়ে গিয়েছি যে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাবার বিষয়টি। আর এই বিষয়টির সাথে সাথেই আমাদের দেশের সৃষ্টি হয়েছে প্রচুর পরিমাণে বৈদ্যুতিক ঘাটতি। সেই ঘাটতি মোকাবেলা করার জন্য বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংযোগ প্রধানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিদ্যুৎ সংযোগ অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। অতীতের যেখানে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২০ ঘন্টার বিদ্যুৎ সংযোগ থাকতো সেখানে এখন সর্বোচ্চ পাঁচ ঘন্টা ও খুজে পাওয়া যায় না। হয়তোবা শহরের দিকে এই পরিমাণটা অন্য রকমের হতে পারে কিন্তু আমাদের বাড়ি যেহেতু গ্রাম অঞ্চলে তাই এই ধরনের অবস্থায় রয়েছে এখানে। আমরা আগে বলতাম যে এখন কারেন্ট চলে গিয়েছে কিন্তু এখন বর্তমানে যে পরিস্থিতি শুরু হয়েছে তাতে আমরা বলতে বাধ্য হচ্ছি যে কারেন্ট চলে এসেছে। আসলে এই বিদ্যুৎ সংযোগ যেন সকলেরই এখন বহুল প্রত্যাশার একটা বিষয় হয়ে গিয়েছে।
যাদের বাড়িতে সৌর প্যানেল রয়েছে তারা হয়তোবা এখন খুব সচেতের সাথে সময় অতিবাহিত করতে পারছেন। আজকে যখন আমি আমাদের থানা শহরে গেলাম সৌর প্যানেল দেখার জন্য তখন সেখানে এত পরিমাণে ভিড় দেখতে পেলাম যা দেখে আমি রীতিমতো অবাক। পরে আমি যখন অনেক ভিড় অতিক্রম করে সৌর বিদ্যুৎ ক্রয় করার জন্য পৌছালাম তখন জানতে পারলাম যে সৌর প্যানেল সব শেষ হয়ে গিয়েছে। আমাকে যদি সৌর প্যানেল নিতে হয় তাহলে আরো ২-৩ দিনের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে।
যেহেতু এই অসহ্য গরমের হাত থেকে রক্ষা পেতে হবে তাই হাতের কাছে এই কয়দিনের মুক্তি লাভের জন্য একটা ছোট্ট চার্জার ফ্যান কিনে নিয়ে আসলাম। হয়তোবা অতীতে এই চার্জার ফ্যানটির দাম ছিল সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা কিন্তু আজকে আমি যখন এই ফ্যানটি কিনলাম তখন আমার কাছ থেকে দোকানদার ১৫৫০ টাকা নিয়েছে। প্রথমে দোকানদার এটা আমার কাছ থেকে দুই হাজার টাকা নিতে চেয়েছিল পরে আমি তার ইচ্ছামত দাম নিতে বলাতে ১৫৫০ টাকা নিয়েছে। বর্তমানে এই দোকানদার গুলো মানুষদেরকে তাদের নিজেদের ইচ্ছামত দামের ফাঁদে ফেলতে শুরু করে দিয়েছে। তারা বুঝে ফেলেছে যে সাধারণ মানুষ গুলো এখন অসহ্য গরমে প্রচুর পরিমাণে বিপদে রয়েছে তাদের কাছ থেকে যে দাম পাওয়া যাবে তেমনটাই তারা দিতে বাধ্য হবে। বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের যে অবস্থা তাতে মনে হয় না কোন ভাল কিছু আশা করা সম্ভব।
গরমের এই খুবই খারাপ পরিস্থিতিতে আপনাদের কি ধরনের অবস্থা তা অবশ্যই আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন। আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হবো নতুন কোন একটা পোষ্টের মধ্য দিয়ে।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
বর্তমান সময়ে এই লোডশেডিং এর হাত থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হচ্ছে আইপিএস অথবা সৌর বিদ্যুৎ স্থাপন অথবা চার্জার ফ্যান রাখা এছাড়া আর কোন উপায় নেই। বর্তমান সময়ে তো জিনিসের দাম অনেক বেশি আগের ১০০০ টাকার জিনিস এখন ১৫০০ টাকা দিয়ে পেয়েছেন অনেক ভালো হয়েছে। তবে গরমের হাত থেকে বাঁচার জন্য একটা সুন্দর ব্যবস্থা নিয়েছেন। আমার মনে হয় অনেক ভালো হয়েছে।
কি আর করা যাবে এখন আপু আমরা পড়ে গেছি প্রচুর পরিমাণে সমস্যার মধ্যে।