ভ্রমণের পথে ঐতিহ্যবাহী যমুনা সেতু পার হওয়ার অনুভূতি ও ফটোগ্রাফি
উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রাণকেন্দ্র যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত যমুনা সেতু। এই সেতুর নাম এখন বঙ্গবন্ধু সেতু করা হয়েছে। আর এই বঙ্গবন্ধু সেতু আছে বলেই উত্তরবঙ্গের মানুষ যেন যাতায়াতের ব্যবস্থাকে অতি সহজ হয়েছে।আর এই যমুনা সেতু উত্তরবঙ্গে মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আসলে যমুনা নদী বাংলাদেশের বড় নদীর মধ্যে অন্যতম একটি নদী। আর এই নদী পার হতে অনেক সময় লাগে আর এই বঙ্গবন্ধু সেতুর তৈরি হওয়ার পর থেকেই উত্তরবঙ্গের ব্যবসা-বাণিজ্য এমনকি সকল ক্ষেত্রে উন্নত লাভ করেছে,এই বঙ্গবন্ধু সেতুর কারণে। তো বন্ধুরা আজকে আমি এই বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর দিয়ে পার হবার অনুভূতি ও ফটোগ্রাফি নিয়ে আপনাদের মাঝে আসলাম। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।
location
location
location
location
location
উত্তরবঙ্গের প্রাণকেন্দ্র যমুনা সেতুর উপর দিয়ে পার হওয়ার এই মুহূর্ত আমি আনন্দের সাথে উপভোগ করেছি। আর পার হওয়ার সময় এর দৃশ্যগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্যই ফটোগ্রাফি করেছিলাম। সেই ফটোগ্রাফি গুলো আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে পেরে অনেক বেশি ভালো লাগছে। আশা করছি যমুনা সেতু ও নদীর উপর দিয়ে পার হবার সেই মুহূর্তের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আপনাদের ভালো লাগবে।
আমার পরিচয়
আমি ট্রেনে করে ভ্রমণ করতে ছিলাম, ট্রেনে করে আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি। আর ট্রেনে করে যখনই আমি বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে আসলাম, বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশেই যেন সবুজ প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যময় দৃশ্য রয়েছে। এখানে অনেক সুন্দর একটি পার্ক রয়েছে। এই পার্কের পাশ দিয়ে যখন যাচ্ছিলাম আর যমুনা সেতুর দেখেই যেন আমার খুবই ভালো লাগলো। তাই আমি ট্রেনের জানালার পাশে আসলাম। এই সুন্দরময় দৃশ্যগুলোর ফটোগ্রাফি করার জন্য।
বঙ্গবন্ধু সেতুর যখনই আমি পার হচ্ছিলাম, তখন এই সৌন্দর্যময় পার্কের দৃশ্য বেরিয়ে নদীর পাশে আসলাম। নদীর পাশে এই সুন্দর দৃশ্য গুলো দেখে আমি মুগ্ধ হলাম। আসলে ভ্রমণের পথে নদীর এই সৌন্দর্যময় দৃশ্য সত্যিই অসাধারণ। আর এই বঙ্গবন্ধু সেতু পার হতে গেলে অনেক স্পিডে গাড়ি চলতে হয়। কিন্তু ট্রেন খুবই ধীরে ধীরে যেতে হয়, কারণ এই ট্রেনের রাস্তা তৈরি করা হয়েছে সেতুর একদম পাশ দিয়ে। যার কারণে ট্রেন অনেক আস্তে আস্তে যাচ্ছিল।
ট্রেন অনেক আস্তে আস্তে যাচ্ছিল আর এই নদী পার হতে ট্রেনের প্রায় বিশ মিনিটের মতো সময় লাগে। তাই যেন একদম আস্তে আস্তে যাচ্ছিল। আর আস্তে আস্তে ট্রেন যাওয়ার কারণে আমি যমুনা সেতুর উপর থেকে নদীর এই সৌন্দর্যময় দৃশ্য উপভোগ করতে লাগলাম। সত্যিই সেই মুহূর্তটা আমার খুবই ভালো লাগতেছিল। আমি ট্রেনের জানালার পাশে বসে সুন্দর এই নদীর দৃশ্য দেখতে ছিলাম, কি অপরূপ সৌন্দর্যময় মুহূর্ত উপভোগ করেছি, যা আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছে।
যমুনা সেতুর উপর দিয়ে যখন পার হয়েছিলাম কিছুক্ষণ পার হওয়ার পরেই দেখতে পেলাম যমুনা নদীতে একের পর এক জাহাজ ট্রলার চলাচল করছে। এই দৃশ্য দেখে সত্যি আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। অনেক জাহাজ একসাথে চলাচল করার দৃশ্য নদীর উপর থেকে দেখতে পেয়ে অনেক বেশি ভালো লাগলো। তাই সেই মুহূর্তটা আনন্দের সাথে উপভোগ করলাম। আর ফটোগ্রাফি করলাম।
যমুনা সেতু পার হওয়ার সেই মুহূর্তটা আমি অনেক আনন্দের সাথে উপভোগ করেছি। আসলে যমুনা সেতুর উপর দিয়ে পার হবার মুহূর্ত অনেক সুন্দর ভাবে উপভোগ করা যায়। যদি ট্রেনে করে পার হওয়া যায় তাহলে ভালো ভাবে উপভোগ করা যায়।তো এই মুহূর্তটা আমি অনেক আনন্দের সাথে উপভোগ করেছি। আর ফটোগ্রাফি করেছি, যমুনা সেতুর উপর দিয়ে অনেক গাড়ি পারাপার হচ্ছিল। সেই মুহূর্ত এবং আস্তে আস্তে যমুনা সেতুর সৌন্দর্যময় সকল দৃশ্যগুলো উপভোগ করেছি।
আজ এখানেই শেষ করছি। অন্য কোন একদিন ভিন্ন ধরনের কনটেন্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। ততক্ষন পর্যন্ত আপনারা সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, আল্লাহ হাফেজ।
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | রেডমি নোট ৬ প্রো |
|---|---|
| ধরণ | ফটোগ্রাফি |
| ক্যমেরা মডেল | নোট ৬ প্রো |
| ক্যাপচার | @mohamad786 |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ- বাংলাদেশ |
আমার নাম মোঃ ফয়সাল আহমেদ ।আমি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে সিরাজগঞ্জ জেলায় বসবাস করি। আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমিকে খুবই ভালোবসি ।আমি সর্বদাই গরীব-দুঃখীদের সেবায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং নতুন সৃজনশীলতার মাধ্যমে কিছু তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।এই ছিল আমার সংক্ষিপ্ত পরিচয়, আপনারা সবাই আমার পাশে থেকে আমাকে সাপোর্ট দিয়ে উৎসাহিত করবেন, ধন্যবাদ সবাইকে।
👉বিশেষভাবে ধন্যবাদ সকল বন্ধুদের যারা এই পোস্টকে সমর্থন করছেন🌺🌹🌺
বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশেই সবুজ প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যময় দৃশ্য দেখতে সত্যি ভীষণ ভালো লাগে। আমি যখন দেশে যাই তখন পুরো সেতুর পাশ দিয়ে দেখে দেখে তাই। ভাইয়া আপনার অনুভূতি গুলো পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য যমুনা সেতু সত্যি অনেক প্রয়োজনীয়। যমুনা সেতু আছে বলেই আমরা খুব সহজেই দেশের প্রাণকেন্দ্র ঢাকাতে পৌঁছে যেতে পারি। ভাইয়া আপনি ভ্রমণ করার পাশাপাশি অনেক সুন্দর করে ফটোগ্রাফি করেছেন দেখে ভালো লাগলো। দারুন সব ফটোগ্রাফি তুলে ধরার জন্য এবং আপনার অনুভূতি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ঢাকা ভ্রমণের পথে অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন।আমিও ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি। সেতুর পাশে নদী এবং সেতু মিলে একাকার হয়ে আছে এমন ফটোগ্রাফি দেখলে আসলেই অনেক ভালো লাগে।
ঢাকা আসার পথে ট্রেনের জানালার পাশ দিয়ে বসে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য বেশ দুর্দান্ত ভাবে উপভোগ করেছেন। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুব ভালো লাগলো। যমুনা সেতু সৌন্দর্য বেশ দুর্দান্ত ভাবে উপভোগ করেছেন ভাই। উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য যমুনা সেতু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এত চমৎকার পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
যমুনা সেতু আমার কখনো যাওয়া হয়নি।আপনার পোস্টের মাধ্যমে দেখে নিলাম।আপনি ট্রেনে বসে যমুনা সেতুর সৌন্দর্য উপভোগ করছিলেন আর আমাদের মাঝে ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। সত্যি ই অসাধারণ ভালো লাগলো ফটোগ্রাফি গুলো। সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন যখন যায় তখন আস্তে আস্তে যায় প্রায় ২০ মিনিটের মতো সময় লাগে।আর তাইতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে সুবিধা হলো আপনার। ফটোগ্রাফির পাশাপাশি আপনার অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।