আজকে আমি আপনাদের মাঝে আমার কলেজ ক্যাম্পাসে কাটানো কিছু মুহূর্ত শেয়ার করব। এই কলেজ ক্যাম্পাসে অনেকদিন পরে আসলাম ঢাকাতে যখন ছিলাম তখন এই কলেজ ক্যাম্পাসের কথা অনেক মনে পড়েছে মকারণ দুটি বছর এই কলেজে আমি পড়াশোনা করেছি। আর কলেজের অলিগলি যেন আমার চেনা, কত মায়া জড়িয়ে রয়েছে আমার এই কলেজ ক্যাম্পাসে। বিশেষ করে খেলার মাঠে বেশি যেন স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। আমি খেলা খুবই পছন্দ করি। যার কারণে আমি খেলতে খুবই ভালোবাসি। আর এই খেলার মাঠে হাজারো স্মৃতি রয়েছে আমার। তাই আজকে আমিও কলেজ ক্যাম্পাসে এসে এই খেলার মাঠের কিছু সুন্দর মুহূর্তগুলো উপভোগ করেছি। আর আপনাদের মাঝে কলেজ ক্যাম্পাসের কিছু ফটোগ্রাফি নিয়ে এসেছি। আশা করছি ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভালো লাগবে।
আসলে প্রকৃতি তার নিয়মে চলে। কারো জন্য কোন কিছুই থেমে থাকে না। এই শূন্যতা যেন অন্যজন খুব তাড়াতাড়ি পূরণ করে দেয়। এই কলেজ ক্যাম্পাসে যখন আমি পড়াশোনা করেছি। তখন এই কলেজ ক্যাম্পাসের খেলার মাঠ যেন আমাদের দখলে ছিল। আমরা যেন প্রধান ছিলাম। সব সময় খেলাধুলা করতাম এবং এই কলেজ ক্যাম্পাসে আমাদের রেখে কেউ খেলাধুলা করার সাহস পেত না। আজ যখন আসলাম তখন দেখতে পেলাম অন্যরা ঠিক এই জায়গা দখল করে নিয়েছে। তারা যেন আপন মনে শক্তি নিয়ে খেলাধুলা করছে। তাই আমি তাকিয়ে এই খেলাধুলার দৃশ্য দেখতে লাগলাম। আর স্মৃতির কথা মনে করতে লাগলাম।


মাঠের অন্য পাশে তাকিয়ে দেখলাম অন্যরা ফুটবল খেলা শুরু করে দিয়েছে। তারা যেন আপন মনে খেলাধুলা করছে। আসলে কলেজের এই মাঠে এসে খুবই ভালো লাগলো। ছোটদের খেলাধুলার দৃশ্য দেখতে পেলাম। আর কলেজ ক্যাম্পাসে কাটানোর মুহূর্ত এবং আমরা যে খেলাধুলা করেছি সেই স্মৃতির কথা মনে করতে লাগলাম।


তারপরে আমি হেঁটে হেঁটে একাডেমি ভবনের দিকে যাচ্ছিলাম। একাডেমি ভবনের সামনে খুবই সুন্দর একটি বসার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই সেখানে আমি এগিয়ে যাচ্ছি। আর একাডেমী ভবন যেতে রাস্তাটি দেখে খুবই ভালো লাগলো। কারণ আমাদের সময় এই রাস্তাটি অনেক নিচে ছিল এ।খন নতুন করে তৈরি করা হয়েছে তাই রাস্তাটি যেন আগের চাইতে অনেক ভালো হয়েছে।


চারপাশে গাছ মাঝখানে বসে থাকার এই দৃশ্যটি দেখে যেন খুবই ভালো লাগলো। আসলে এখানে আড্ডা দিতাম বন্ধুরা মিলে। সকলে একসাথে বসে কত স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই জায়গাটিতে। এখন এসে যেন একদম ফাঁকা দেখতে পেলাম। আসলে স্মৃতির পাতার কথাগুলো খুবই মনে করতে ছিলাম। কারণ এই বসার জায়গাতে বন্ধুদের সাথে অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে আমার।সেই সব বন্ধুরা আজ তাদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। হয়তো তারা ভুলেই গেছে।


| ক্যাম্পাসটি আজকে একদম নিরব দেখতে পেলাম। অনেকেই এসেছে ক্যাম্পাসে তারা যেন ঘোরাফেরা করছে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে। তাদের এই দৃশ্য দেখে আমারও সেই আগের কথা মনে করে গেল। কারণ আমরাও বন্ধুবান্ধব নিয়ে এই স্মৃতিময় কলেজ ক্যাম্পাসে অনেক আনন্দের সাথে সময় পার করেছি। তো বন্ধুরা আসলেই সময় কারো জন্যই থেমে থাকে না। সময় পার হয়ে যায় এবং সময়ের জন্য কেউ বসে থাকে না। তার জায়গাটা ঠিকই পূরণ হয়ে যায়। আজকে কলেজ ক্যাম্পাসে এসে সেই অনুভূতিটাই যেন আমার উপলব্ধি হলো। |
প্রত্যেকটা ছবি তোলার লোকেশন এবং ডিভাইসের নামঃ
Location
Device:Poco X2
আজ এখানেই শেষ করছি। অন্য কোন একদিন ভিন্ন ধরনের কনটেন্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। ততক্ষন পর্যন্ত আপনারা সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, আল্লাহ হাফেজ।

ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | রেডমি পোকো x2 |
| ধরণ | ❝ ফটোগ্রাফি❞ |
| ক্যমেরা মডেল | Poco X2 |
| ক্যাপচার | @mohamad786 |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ- বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়

কলেজ মাঠে আপনি দেখছি অনেক সুন্দর কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছেন ও ফটোগ্রাফি করেছেন। ফটোগ্রাফি গুলো ভীষণ ভালো লাগলো। আমার অত্যন্ত সুন্দর লাগলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখে।
প্রিয় ক্যাম্পাসে গেলে সময় কিভাবে দ্রুত পার হয়ে যায় সেটা অনুভব করা যায় না। আমিও কিছুদিন আগে আমার ক্যাম্পাসে গিয়েছিলাম অনেক স্মৃতি বিজড়িত স্থানে গিয়ে অনেক ভালো লাগা কাজ করছিল। আপনি আপনার প্রিয় ক্যাম্পাসের সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন এবং আপনার ক্যাম্পাসে সময় কাটানোর মুহূর্তটা বর্ণনা করেছেন যা পড়ে বেশ ভালো লাগলো।
কলেজ প্রাঙ্গনে সুন্দর দৃশ্য আজকে আপনি ক্যামেরাবন্দি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাইজান। খুবই ভালো লাগলো আপনাদের কলেজের এই অসাধারণ সমস্ত দৃশ্য গুলো দেখতে পেরে। যেখানে আপনি সুন্দর ভাবে প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি ধারণ করেছেন আর আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। খুব সুন্দর হয়েছে আপনার এই সমস্ত ফটোগুলো। কলেজের চারপাশে যে অনেক গাছ রয়েছে সেটা বুঝতে পারলাম।