কুয়াশা দিনের এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি
আসসালামু আলাইকুম
আজ সোমবার ০২রা জানুয়ারী ২০২৩ ইং
বাংলা ১৭ই পৌষ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
কয়েকদিন যাবৎ দেশের উত্তর বঙ্গসহ সমগ্র বাংলাদেশে প্রচুর শীত আর কুয়াশা পড়েছে। আর সেই কুয়াশায় যেন ঢেকে গেছে সমগ্র দেশ। খুব ভোরে যারা ঘুম থেকে বাহির হয়, তারা মনে হয় চোখে মুখে অন্ধকার দেখে। কিন্তু কি আর করার প্রয়োজনে তো বের হতেই হবে। আমিও কিন্তু এর বাহিরে নয়। চাকুরীজীবি গৃহিনী বলে কথা। ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠেই আমাকে ছুটতে হয় রিযিকের সন্ধানে। কিন্তু শীত কি আর পারে আমায় বাধা দিতে?
আবার শীতের দিনে শীত না পড়লেও তো চলে না। একটু একটু শীত না পড়লে কি আর হয়। তাহলে মজার মজার পিঠা খাওয়ার স্বাদটাই যে নষ্ট হয়ে যায়। সেদিন খুব জরুরী একটা কাজে বের হতে হলো । আর আমরা গিয়েছিলাম একটি গ্রামে। তাই খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠেই রওনা হলাম সেই জরুরী কাজটি সারতে।
আর এরই মধ্যে কনকনে শীতের কুয়াশা মাখা ভোরে আমাদের জন্য কিছু ফটোগ্রাফিও আমি করে ফেললাম। আশা করি আমার আজকের ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের কাছে অনেক ভাল লাগবে।
ছবি সোর্স
Made By-@maksudakawsar
সেদিন বাসা থেকে বের হয়ে দেখি খুব ভোর তাতে কি, মানুষ তো আর বাসায় বসে নেই। জীবিকার তাগিদে সবাই যেন বের হয়ে পড়েছে । রাস্তায় গাড়ী আর মানুষ সবাই যেন জীবিকার তাগিদে বাসায় থাকা লেপ কম্বলের সুখ নিতে ভুলে গেছে।
অনেকেই বলে মানুষ নাকি বেঈমান হয়। কিন্তু পশুপাখি কখনও বেঈমানি করে না। আসলে সেদিন সেই শীতের কুয়াশা মাখা ভোরে বাসা থেকে বের হয়েই একটি কুকুর কে দেখলাম শীতে কুচকে পড়েছে। আমার কেন জানি বেশ মায়া হচ্ছিল। তাই আপনাদের কে তার একটি ছবি দেখনোর জন্য ছবি তোলে রেখে ছিলাম।
আমরা যখন হাতিরঝিল পৌছালাম তখন মনে হলো যেন হাতির ঝিল কুয়াশার চাদরটি খুব ভাল করে পড়ে আছে। অন্ধকারে কিছুই যেন দেখা যাচ্ছে না। আমার কিন্তু শীতের ঠান্ডায় বেশ ভালই লাগছিল। আর হাতিরঝিলেও সেদিন মানুষও কম ছিল না।
তারপর আমরা চলে গেলাম আমাদের গন্তব্য স্থল রুপসী রুপগঞ্জে। সেখানে যেয়ে শীতের সকালের কিছু দৃশ্য নজর কেড়েছে। যার মধ্যে আমি কয়েকটি ছবি আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সকাল সকাল গ্রামের মাছের ঘের, গোয়াল ভরা গরু। জানি না শীতের সকালের এ দৃশ্য আপনাদের কেমন লাগবে।
সেদিন ছিল সারাদিন কুয়াশা মাখা। আমরা আমাদের কাজ শেষ করে বাড়ির দিকে ফিরি দুপুরের পড়ে। উদ্দেশ্য একটু প্রিয় জায়গা পূর্বাঞ্চল ঘুরে যাওয়া। তাই শীতের কুয়াশা মাখা সেই বিকেলেও কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। রাস্তার পাশে লাগানো গাছে কলার মোচা, ছনের ঘর, লাভমার্ক সবই যেন সুন্দর লাগছে।
| বিষয় | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | Oppo-A16 |
| ফটোগ্রাফার | @maksudakawsar |
| ভৌগলিক অবস্থান | খিঁলগাও, ঢাকা |
কেমন লাগলো বন্ধুরা আপনাদের কাছ আমার আজকের ফটোগ্রাফির ব্লগটি ? জানার অপেক্ষায় রইলাম। |
|---|
আসলেই পশুপাখি বেইমানি করেনা,সবসময় সাথে থাকে।যতটা দেবেন তার থেকে বেশিই ফেরত পাবেন।
সুন্দর ছিল ছবিগুলো এবং বিষয়গুলোও ইউনিক ছিল।শুভ কামনা রইলো।
ধন্যবাদ ভাইয়া অনেক সুন্দর একটি মন্তব্য করেছেন।
ঠিকই বলেছেন আপু শীতের দিনের শীত না পড়ে আসলেই কেমন হয়ে যায়। আর যত বেশি শীত পড়বে তত বেশি পিঠাপুলির ধূম পড়বে। যত বেশি শীত পড়বে তত বেশি পিঠা খেয়ে মজা হবে।।
কুয়াশা ঘেরা ফটোগ্রাফি গুলা অসাধারণভাবে ক্যামেরাবন্দি করেছেন আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন শুভকামনা রইল আপনার জন্য।।
ফটোগ্রাফি গুলো আপনার কাছে বেশ ভালো লেগেছে, এটা আমার জন্য অনেক সৌভাগ্যের বিষয়।
শীতকালে চারিদিকে পিঠার আমেজ টাই বেশি ভালো লাগে। আর শীতের সময় শীত না পড়লে ভালই লাগেনা।
বেশ ভালো ফটোগ্রাফি করেছেন আপনি আপু। পূর্বাঞ্চলের জায়গা গুলো বেশ সুন্দর ছিল।
ধন্যবাদ আপু আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
আসলে বর্তমান সময়ে যারা চাকুরীজীবী গৃহিণী তাদের জন্য অনেক বেশি কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বর্তমান সময়ে শীত অনেক বেশি দেখা দিয়েছে আর এ সময় শীতের প্রকোপ টা বেশি দেখা দেয় প্রতিবারের ন্যায় এবারও ঠিক তেমনি। যাইহোক সকাল-সকাল ঘুম থেকে উঠে কুয়াশাচ্ছন্ন কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন দেখে বোঝা যাচ্ছে আপনাদের ওদিকে প্রচন্ড শীত। শীতের সকালের এই সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
জি ভাইয়া এদিকে অত্যন্ত কুয়াশা পড়েছে।
সকালবেলা ওঠার বেহাল দশাটি আসলে সবারই মধ্যে বিরাজমান। বিশেষ করে শীতের সকাল টা একটু ব্যতিক্রম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সকালে একটি গ্রামের খুব চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
শীতের সকালটা অনেকটা ব্যতিক্রমই হয়।
সকাল সকাল উঠাটা কঠিন ঘুম থেকে! তবে উঠতে পারলে শীতের ফিলিংসটা নেয়া যায়! শহরে এবার ভালো শীতেই পড়েছে! হাতিরঝিলের পরিবেশ তাই তো বলে। শেষের দিকে ফটোগ্রাফিগুলো ভালো ছিল আপু!
জি ভাইয়া শহরে এখন অনেক ঠান্ডা পড়েছে।
শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ঠান্ডার মধ্যে অফিস করতে ভাল লাগে কিন্তু ঘন কুয়াশায় বের হওয়া রিস্কি। আপনি রূপগঞ্জে গিয়ে খুব সুন্দর কিছু ছবি তুলেছেন। মাছের ঘের, গরুর খামার এর ছবিগুলো সুন্দর হয়েছে। পূর্বাচলের ছবিগুলো খুব দারুন তুলেছেন। কলার মোচা দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। ধন্যবাদ আপু।
রিক্স হলেও তবু তো ভাইয়া সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে অফিস করতে হচ্ছে।
যখন চাকুরী জীবিত তখন চাকরির জন্য তো কাজ করতেই হবে। যাইহোক সকাল-সকাল আপনি চাকরির জন্য বেরিয়ে পড়েছিলেন। যদিও পথের মধ্যে অনেক কুয়াশা ছিল এবং এর মধ্যে আপনিও কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন এবং সেগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। যদিও কুয়াশার মধ্যে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো তুলেছেন কিন্তু আমার কাছে প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি বেশ ভালোই লাগছে। আপনাকে ধন্যবাদ।
জি ভাইয়া এত কুয়াশা যে অফিসে যাওয়াটাই কষ্টের হয়ে যাচ্ছে।
যদিও আমরা এত ভোরে বাইরে বের হই না।কিন্তু আপনাদের কয়েকজনের ফটোগ্রাফি গুলো দেখার মাধ্যমেই বুঝেছি যে মানুষজন এত ভোরেও নিজের জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হচ্ছে। আসলে সকলকেই নিজেদের কাজ করে যেতে হবে। শীত বর্ষা বা গ্রীষ্মকাল মানলে তো আর হবে না। যাই হোক ফটোগ্রাফি গুলো বেশ সুন্দর ছিল। লাভ মার্ক দেখে ইচ্ছে করছে জায়গাটায় ঘুরে আসতে।
আপনারা তো সুভাগ্যবতী রমণী। জামাইয়ের আদরের বউ। এজন্য বাইরে বের হতে হয় না। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।