ফটোগ্রাফি // কাশফুল বাগানের ফটোগ্রাফির প্রথম পর্ব
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (২৪-০৯-২০২৩)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি কাশফুল বাগানের ফটোগ্রাফির প্রথম পর্ব। আজকে সকাল থেকে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছি। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে প্রথমে আমি খাওয়া-দাওয়া শেষ করে দাদাকে নিয়ে ডক্টর দেখানোর জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলাম। দাদাকে ডাক্তার দেখিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসার সময় পথের মধ্যে দাদা স্টক করে। তারপরে দাদাকে নিয়ে আবারো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই সেখান থেকে তারা কুষ্টিয়াতে ট্রান্সফার করে দেয়। কুষ্টিয়াতে আসার পরে দাদাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। তারপরে আমি বন্ধুর মেসে এসে গোসল শেষ করে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আপনাদের মাঝে যুক্ত হয়েছি। সব মিলিয়ে এই সপ্তাটা বেশ ব্যস্ততার মধ্যে পার করছি। তাও চেষ্টা করি প্রতিনিয়ত আপনাদের মাঝে যুক্ত হওয়ার জন্য। তবে চলুন পোস্টি আপনাদের মাঝে শেয়ার করা যাক.....
প্রথমে আপনার ওপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি অনেক সুন্দর ভাবে আপনাদের মাঝে কাশফুল বাগানের ছবি তুলে শেয়ার করেছি। আসলে আমাদের গ্রাম থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে এই কাশফুল বাগান। আমি এবং আমার ছোট চাচা দুজন মিলে এখানে গিয়েছিলাম। আমরা মূলত গিয়েছিলাম ফুটবল খেলা দেখার উদ্দেশ্যে কিন্তু রাস্তার পাশে কাশফুল দেখতে পেয়ে সেখানে নেবে কিছু ছবি তুলে নিয়ে এসেছিলাম আসলে দেখতে বেশ ভালো লেগেছিল। নদীর ধারে সত্যিই কাশফুল অসাধারণ লাগে। আকাশ এবং কাশফুলের ছবি দেখতে আমার কাছে সেই সময় বেশ দারুন লেগেছিল।
এবার আপনারা উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি কাশফুলের কাছ থেকে অনেক সুন্দর ভাবে ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে সেই সময় হালকা বৃষ্টি পড়ছিল তাই কাশফুলগুলো ভেজা ভেজা ছিল সেই সময়। যদি সেদিন রোদ থাকত তাহলে হয়তো কাশফুলগুলো রোদে চিকচিক করে উঠতো আরো বেশি ভালো লাগতো। আসলে এই কাশফুল আমাদের মাথার ছাড়া প্রায় দুই থেকে তিন হাত বড়। বৃষ্টি মুহূর্তে বেশ কষ্টের মাধ্যমে ছবিগুলো তুলেছিলাম।
তার কিছুক্ষণ পর আমরা ভাবলাম অল্প কিছু কাশফুল সেখান থেকে ছেড়ে আমরা বাড়িতে নিয়ে আসবো কারণ বাড়িতে আমার ছোট্ট খালামণি ছিল। কিন্তু কাশফুল কাটার জন্য আমাদের কাছে কোন ব্লেট ছিলনা। পরবর্তীতে আমরা মোটরসাইকেল এর চাবি দিয়ে কাশফুল কাটা শুরু করেছিলাম। আসলে কাশফুলগুলো কাটার পরে দেখতে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল। তারপরে নদীর ধারে ফিল্ডের মাঝে কাশফুল গুলো রেখে অনেক সুন্দর একটি ছবি তুলেছিলাম সেটিও আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি।
আমরা যেই কাশফুলগুলো কেটেছিলাম সেই কাশফুলগুলো হাতে ধরে আমার চাচা অনেক সুন্দর ভাবে দাঁড়িয়ে ছিল। এবং আমি পরবর্তীতে কাশফুল বাগানের সাথে একটি সেলফি তুলেছিলাম সেটিও আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে সেই দিন বিকেল বেলায় কাশফুল বাগানে আমরা দুজন বেশ সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছিলাম। সেখানে বড়া বিক্রয় করছিল আমরা সেখান থেকে কিনে খেয়েছিলাম আসলে নদীর ধারে এমন কিছু থাকলে সত্যি দেখতে বেশ ভালো লাগে। আশা করি পোস্টি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
| শ্রেণী | বিভিন্ন ফুলের ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ক্যামেরা | oppo f21s pro , 64mp |
| পোস্ট তৈরি | @kibreay001 |
| লোকেশন | গাংনী,মেহেরপুর |
| W3W | location |
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
তাহলে তো আপনার দাদার অবস্থা খুবই খারাপ। যেহেতু বয়স বেড়েছে তাহলে একটু রিক্সে থাকবে দেখেশুনে রাখতে হবে। তবে একটা জিনিস খুবই ভালো লাগে শত ব্যস্ততার মাঝেও আপনি সময় দিচ্ছেন কমিউনিটিতে। দারুন ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন কাশ ফুলের খুবই সুন্দর লেগেছে প্রতিটি ফটোগ্রাফি।
চেষ্টা করি আপু অতি ব্যস্ততার মাঝেও আপনাদের মাঝে নিজের কাঙ্খিত সময় দেওয়ার জন্য।
Twitter link
কাশফুল খুব ভালো লাগে আমার কাছে। কাশফুলের বাগানে যেয়ে ফটোগ্রাফি করলে মনটা ভালো হয়ে যায়।খুব সুন্দর কিছু কাশফুলের ফটোগ্রাফি করেছেন। কাশফুলের ফটোগ্রাফিগুলো সত্যিই অসাধারণ হয়েছে।
আসলে আপু প্রত্যেকটা মানুষের কাছেই কাশফুলের ফটোগ্রাফি বেশ ভালো লাগে।
আপনার পোষ্ট এর মাধ্যমে কাশফুল এর ফটোগ্রাফি দেখে যেন শরতের আগামনী বার্তা পেলাম। পুজো পুজো আমেজে মনটা ভরে গেলো। যদিও বৃষ্টির মধ্যে আপনার এই ফটোগ্রাফি করতে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে। তবে পোস্ট টি দেখে ভীষণ ভালো লাগলো কিবরিয়া ভাই। আর চাবী দিয়ে কাশফুল কাটার আইডিয়াটাও বেশ ছিলো! আপনাকে ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন আপু আপনি চাবি দিয়ে কাশফুল কাটার আইডিয়াটা সত্যি বেশ দারুন ছিল।
কাশফুলের ফটোগ্রাফি গুলো অসম্ভব সুন্দর লাগছে। দুঃখের বিষয় হল এখন পর্যন্ত আমি কাশফুলের দেখা পাইনি ঢাকাতে থাকার কারণে তেমন কোথাও যাওয়া হচ্ছে না। এ সাদা ফুলের মাঝে হারিয়ে যেতে অনেক বেশি ইচ্ছা করছে
আমাদের এলাকায় চলে আসুন আপনাকে কাশফুলের বাগান ঘুরিয়ে দেখাবো।
কাশফুল তো আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আগে আমাদের বাড়ির পাশে একটি মাঠের এক পাশে এরকম কয়েকটি কাশফুল গাছ ছিল। আমরা তো ছোটবেলায় কাশফুল ধরলে ওখান থেকে নিয়ে এসে অনেক খেলা করতাম। অনেকদিন হয়ে গেছে কাশফুল ঠিকভাবে দেখিনি। এখন ব্যস্ত হয়ে যাওয়ার কারণে ছোটবেলা স্মৃতিগুলো মনে পড়লেও ভীষণ ভালো লাগে। আপনি কাশফুলের ফটোগ্রাফি করেছেন আমার প্রথমে কাশফুলের ফটোগ্রাফি দেখেই খুবই ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর ভাবে আপনার গঠনমূলক মতামত শেয়ার করার জন্য।
মামা অনেক সুন্দর ভাবে তুমি কাশফুলের ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছ দেখে আমার অনেক অনেক ভালো লেগেছে, আমিও কিছুদিন আগে কাশফুলের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছিলাম পাশাপাশি ভিডিওগ্রাফি। তবে কাশফুল থেকে তোমার সেলফিটা বেশ সুন্দর হয়েছে মামা।
ধন্যবাদ মামা এত সুন্দর ভাবে আপনার গঠনমূলক মতামত শেয়ার করে আমাকে উৎসাহ দেয়ার জন্য।
ভাইয়া আপনার দাদার জন্য দোয়া রইল যাতে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠে। আপনার তোলা কাশফুলের এত সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। কাশফুলের বাগানে কখনো সেভাবে যাওয়া হয়নি তবে টিভিতে এই দৃশ্য অনেক দেখেছি। কাশফুলের এত সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। ধন্যবাদ এত সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আমরা শেয়ার করা কাশফুলের ফটোগ্রাফি আপনার কাছে ভালো লেগেছে জানতে পেরে বেশ খুশি হলাম । ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি মতামত শেয়ার করার জন্য।
আপনার দাদার কথা শুনে অনেক খারাপ লেগেছে। দোয়া করি যেন তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। এরকম ব্যাস্তময় সময় পার করছেন তবুও আপনি আমাদের মাঝে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। এত সুন্দর কাশফুলের ফটোগ্রাফি দেখে আমি তো অনেক বেশি মুগ্ধ হলাম। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি অনেক বেশি সুন্দর ছিল। এরকম কাশফুলের বাগান আমার অনেক বেশি পছন্দের। আমার তো ইচ্ছে করছে এখনই কাশফুলের বাগানে ছুটে চলে যাই।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন আপু প্রতিটা মানুষের কাছে কাশফুলের ফটোগ্রাফি দেখতে বেশ দারুন লাগে।