গ্রামে নতুন অতিথির সাথে কিছু ফটোগ্রাফি (১০% প্রিয় লাজুক খ্যাকের জন্য)
আসসালামু আলাইকুম আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগণ আমি@jahidulislam01 বাংলাদেশ থেকে আজ রবিবার মে, (২৮-৫-২০২৩) আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।মহান আল্লাহতালার অশেষ রহমতে আমিও অনেক ভালো আছি এবং সুস্থ আছি।আজ আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি।সেটি হচ্ছে গ্রামে নতুন অতিথি সাথে কিছু ফটোগ্রাফি।
🌹 ফটোগ্রাফি-১🌹
- প্রথমে হনুমান টা বট গাছের নিচে একটা মোটরসাইকেল ছিল সেই মোটরসাইকেলের অনেক সুন্দর ভাবে বসে ছিল। যে কেউ দেখে মনে করবে মোটরবাইকটি হনুমানের নিজস্ব যেভাবে বসে ছিল। আসলে প্রতি বছর বছর ওরা গ্রাম অঞ্চলে আসে।
🌹 ফটোগ্রাফি-২🌹
Location
প্রথমে আমি ভ্যানের উপরে বসে ছিলাম হনুমানটাকে দেখেছিলাম না। আমার সাথে আমার দাদা বসে ছিল কিছুক্ষণ পরে দাদা বলছিল তোর পেছনে দেখ হনুমান বসে আছে। ছোট থেকে হনুমান দেখে আমার অনেক বেশি ভয় করে। আমি ভ্যানের সামনে বসে ছিলাম ও এসে আমার পেছনে বসে ছিল আমি তখন দেখেছিলাম না।
🌹 ফটোগ্রাফি-৩🌹
হনুমান টা অনেক ক্ষুধার্ত ছিল।আমারই এক বড় ভাই এই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল মোটরসাইকেলে উনার শ্বশুরবাড়ি থেকে কাঁঠালের এসর নিয়ে যাচ্ছিল। আমি কিছু নিয়েছিলাম হনুমানকে খাওয়ানোর জন্য।আমার দাদার হাতে এচোর গুলো দিয়েছিলাম দাদা একটি একটি করে অনুমানকে খাওয়াচ্ছিল। তখন আমি দাদার পেছনে দাঁড়িয়ে ফটো উঠেছিলাম। দুঃখের বিষয় দাদা এক্সিডেন্ট করে দুটো বা হারিয়ে ফেলেছে। তিনি আমার সামনে হুইল চেয়ারে বসেছিল।
🌹 ফটোগ্রাফি-৪🌹
- হনুমানটা খেতে খেতে এদিক সেদিক তাকাচ্ছিল হয়তো সে ভাবছিল গাছে কোন ফল আছে কিনা। ওকে এদিক সেদিক তাকানো দেখে আমার অনেক ভয় করছিল। না জানি গায়ে আচর মারে কিনা।
🌹 ফটোগ্রাফি-৫🌹
খেতে খেতে ও গা হাত পা চুলকাচ্ছিল এবং আমি ফটো তুলছিলাম সেই সময় আমার দিকে তাকাচ্ছিল। তখন আমি দাদাকে বললাম দাদা চড় মারবে না তো বলল না।
🌹 ফটোগ্রাফি-৬🌹
এবার সে মাঠের দিকে তাকাচ্ছিল খাওয়ার মত কোন ফসল মাঠে আছে কিনা হয়তোবা সে কারণে। আমি মাঠে গিয়েছিলাম পকেটে টাকা ছিল না থাকলে হয়তোবা ওকে দোকান থেকে কিছু কিনে খাওয়াতে পারতাম। দুঃখের বিষয় মানিব্যাগ আমার কাছে ছিল না। হনুমান টা অনেক ক্ষুধার্ত ছিল এদিক সেদিক ঘন ঘন তাকাচ্ছিল খাবারের খোঁজে। এই ছিল আজ আমার নতুন অতিথির সাথে ফটোগ্রাফি সহ কাটানো কিছু সময়।
প্রায় সময় দেখা যায় যে এরকম হনুমান গুলো শহরে বা গ্রামে ঢুকে পড়ে ক্ষুধার জন্য। এই হনুমানটিও মনে হয় খাবার খুঁজতে খুঁজতেই এখানে চলে এসেছিল। সেজন্যই আসে পাশে তাকাচ্ছিলো। আসলেই মোটরসাইকেলের উপর দেখে মনে হচ্ছে যে হনুমানটি মোটরসাইকেল চালাচ্ছে। এই হনুমান দেখলে আমার কাছেও খুবই ভয় লাগে। বেশ সুন্দর পোজ দিয়ে হনুমান ছবি তুলছে দেখছি।
ঠিকই বলেছেন আপু হনুমানটা অনেক বেশি ক্ষুধার্ত ছিল তাই এদিক সেদিক খাবারের খোঁজে তাকাচ্ছিল। ধন্যবাদ আপু শুভকামনা রইল এত সুন্দর কমেন্ট করার জন্য।
এই সময় এলে প্রায়ই আমাদের অঞ্চলেও দেখা মেলে বড় বড় এবং ছোট সাইজের হনুমান।
আপনি তো দেখছি অনেক কাজ থেকে ফটোগ্রাফি গুলা করেছেন খুবই ভালো লাগলো।। এগুলা দেখলে তো আমার খুব ভয় লাগে ।আশেপাশে তো যেতেই পারে না আপনাকে দেখছি খুব সাহসী।।
ঠিক একই রকম ভাইয়া আমারও অনেক ভয় লাগে। পাশে আমার দাদা ছিল তাই আমি ফটোগ্রাফি করেছিলাম তাও অনেক ভয় করছিল যদি ফোনটা নিয়ে নেয় হাত থেকে।
যেদিন এটা আমাদের গ্রামে এসেছিল আমিও দেখেছিলাম। হনুমান টা অনেক ক্ষুধার্ত ছিল সেই সময়ে। আমরাও চেষ্টা করেছিলাম তাকে খাবার দেবার কিন্তু সে চলে গিয়েছিল।
জি ভাই আপনি ঠিকই বলেছেন কিন্তু দুঃখের বিষয় যে আমার কাছে টাকা ছিল না আর আমি মাঠে এসেছিলাম আমাদের ধান ঝারছিল তাই।
একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া গ্রামের নতুন অতিথির দেখে মনে হচ্ছে যেভাবে বাইকে বসে আছে বাইক টাই তার। আপনি ছোট থেকে হনুমানকে ভয় পান সেজন্য কাছে যাননি। খুবই খারাপ লাগলো এটা জেনে যে আপনার দাদা এক্সিডেন্ট এর মাধ্যমে দুটো পা হারিয়েছেন এখন হুইল চেয়ার মাধ্যমে চলাচল করে। পকেটে মানিব্যাগ না নিয়ে যাওয়ার কারণে হনুমান কিছু খাওয়াতে পারেনি আর হনুমান খুবই ক্ষুধার্ত ছিল দেখে খুবই খারাপ লাগলো। গ্রামে নতুন অতিথিকে নিয়ে ফটোগ্রাফি এবং সে সম্পর্কে কিছু কথা পড়ে খুবই ভালো লাগলো।
জি আপু ঠিকই বলেছেন আমারও অনেক খারাপ লেগেছে। কারণ মানুষের শরীর মানুষের বড় সম্পদ এটার কোন ক্ষয়ক্ষতি হলে সেই ভালো বোঝেন ধন্যবাদ এত সুন্দর কমেন্ট করার জন্য।