আজ- ২৯ জ্যৈষ্ঠ | ১৪২৮, বঙ্গাব্দ | রবিবার | গ্রীষ্মকাল |

আসসালামু-আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। শুরুতেই আমার বাংলা ব্লগের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। গতকাল প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ব্যাপী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপিত হল আমাদের প্রথম বর্ষপূর্তি। গান, কবিতা, অনুভূতি প্রকাশ আর বিভিন্ন রকমের কুইজের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ব্যপি অনুষ্ঠানটি ছিল দারুন প্রাণবন্ত। প্রতিবছর এভাবে ফিরে ফিরে আমাদের মাঝে এই দিনটি ফিরে আসুক এটাই প্রত্যাশা। আজ আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব ভালোলাগা কিছু ফটোগ্রাফি। আসুন তাহলে শুরু করা যাক।
আলোকচিত্রঃ ১


Location
বছরের প্রথম দিনটি শুরু করলাম ফুল দিয়ে। সম্ভবত এ ফুলটি আমি আগেও একবার পোস্ট করেছিলাম। তবে আজকের তোলা ফুলটি দেখতে আরো বেশী সুন্দর এবং অন্য জায়গা থেকে তোলা। আসলে ফুলটি আমার খুবই প্রিয় তাই বারেবারে শেয়ার করতে ইচ্ছে করে ।
আলোকচিত্রঃ ২


Location
লাল রঙের একটা ফড়িং। একসময় গ্রাম অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া গেলেও প্রকৃতির এই অপরূপ সৃষ্টি এখন অনেকটাই হারিয়ে গেছে। আর ফড়িঙের ছবি তোলা যে কতটা কষ্টের তা ইতিপূর্বে যারা তোলার চেষ্টা করেছেন তারা সবাই জানেন। নদীর পাড়ে ঘুরতে গিয়ে দেখেছিলাম এই ফড়িং। অনেক চেষ্টার পর কয়েকটি ছবি তুলতে পেরেছিলাম।
আলোকচিত্রঃ ৩


Location
টাট্টু ঘোড়া। ঘোড়ায় টানা গাড়ি একসময় ছিল এ দেশের অন্যতম যানবাহন। সাধারণত মাল পরিবহনের জন্য এ ধরনের গাড়ি ব্যবহৃত হয়ে থাকে গ্রামাঞ্চলে। এখন ঘোড়াও নেই তাই ঘোড়ার গাড়ি ও আর দেখা যায় না। হঠাৎ রাস্তায় চলতে দেখলাম ক্লান্ত ঘোড়াটি দাঁড়িয়ে আছে একপাশে।
আলোকচিত্রঃ ৪


Location
নাম রিসোর্ট হলেও এটা কিন্তু আসলে একটা রেস্টুরেন্ট। আমি আর আমার এক বন্ধু গিয়েছিলাম কয়েকদিন আগে এই রেস্টুরেন্টে হানা দিতে। ছোট্ট একটি নদীর উপর গড়ে তোলা এই রেস্টুরেন্টের পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার। আর খাবারের মান মোটামুটি খারাপ না। বিশেষ করে সন্ধ্যার পরে আলোকোজ্জ্বল এই রেস্টুরেন্ট দেখতে খুবই ভালো লেগেছিল।
আলোকচিত্রঃ ৫

Location
এটা কিসের ছবি বলতে পারবেন কেউ? প্রথম দেখাতে বোঝা আসলেই মুশকিল। এমন একটি ছবি আমিও কয়দিন আগে কমিউনিটিতে দেখেছিলাম। বুঝতেই পারিনি কি ছিল এটা। পরবর্তীতে যখন উপরের এই রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছিলাম তখন দেখতে পেলাম এই লাইটটি। আসলে শোভা বর্ধনের জন্য সাজিয়ে রাখা লাল গোল আকৃতির একটি বাল্ব।
আলোকচিত্রঃ ৬

Location
ফরিদপুর শহরের ধলার মোড় এলাকা বিখ্যাত নদীপারের সৌন্দর্যের জন্য। পদ্মা নদীর পাশে এই স্থানটি প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থীদের ভিড়ে ভরে ওঠে। আর তাদের মনোরঞ্জনের জন্য গড়ে উঠেছে এই রেস্টুরেন্ট। ভাসমান রেস্টুরেন্ট এর ভিত্তি প্লাস্টিকের খালি ড্রামের উপর। খাবার-দাবার এর মান তেমন একটা ভালো না হলেও পরিবেশটা খুবই চমৎকার। প্রিয়জনের সঙ্গে গল্প করার জন্য আদর্শ একটি জায়গা।
আলোকচিত্রঃ ৭

Location
নৌকার একেবারে সামনের দিকে পা ঝুলিয়ে এভাবে বসেছেন কখনো। অনেকটা টাইটানিক মুভির ফিলিংস এনে দেয় এই বসার আসন হাহাহাহা। নদীতে ঘুরতে গিয়ে পানিতে পা ভেজাতে ইচ্ছা করেছিল। তাই এভাবে বসে ছিলাম কিছুক্ষণ। যদিও এটা খুবই বিপদজনক। বিশেষ করে যারা সাঁতার না জানে তাদের জন্য।
আজকের মতো এতোটুকুই। আবার কথা হবে অন্য কোন বিষয় নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনায় আজকের মত এখানেই শেষ করছি।
আমি আমার জীবনে কোনদিন নৌকাতেই চড়িনি তবে সামনে পা ঝুলিয়ে বসবো কখন। তবে আপনার ফটোগ্রাফি দেখে ফিলিংসটা কিছু বেড়ে গেল। আর কি করার তাই মনে মনে ভাবলাম আপনার জায়গায় আমি নিজেই বসেছিলাম।
কীসব আজব কথা শুনছি আপনাদের কাছে!! এক জীবনে নৌকায় চড়তে পারেননি আমার কাছে সত্যিই আজব লাগলো এমন কথা। যদি কখনো সুযোগ হয় বসে দেখবেন। এ অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।
দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম দিনেই আপনি ফুলের সহ বেশ কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। বিশেষ করে ধলার মোড় এর নদীর পাড়ে প্লাস্টিকের ফাঁকা ড্রামের উপর তৈরি রেস্টুরেন্টটি দেখে আমার অসাধারণ লেগেছে। আসলেই শেষ বিকালে এরকম জায়গায় বসে সময় কাটাতে বেশ ভালোই লাগবে। ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার দাওয়াত রইলো ধলার মোড় এ ঘুরতে আসার। যদি কখনো ফরিদপুর আসেন আপনাকে নিয়ে যাব এ জায়গায়। ভালো থাকবেন।
অসম্ভব সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন ভাইয়া আপনার সাপ্তাহিক ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি ছিল অসাধারণ। আমার খুবই ভালো লেগেছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনার জন্য শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
আপনার সুন্দর সুন্দর মন্তব্য বরাবরই আমাকে ভীষণ উৎসাহিত করে। অসংখ্য ধন্যবাদ এইভাবে পাশে থাকার জন্য।
এ সপ্তাহের অনেক চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপনি। আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে ট্টাটু ঘোড়াটি।ঘোড়ার গাড়ি খুব পছন্দ আমার।তাছাড়া লাইট টি আমি চিনতে পারিনি।পরে পড়ে বুঝতে পারছি। আসলেই চমৎকার ছিল ফটোগ্রাফি গুলো।
রাতের বেলার লাইটটি দেখতে আসলেই চমৎকার লাগছিলো। আর ছবি দেখে মনেই হচ্ছিল না এটা একটা বালব। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য
ভাইয়া আপনি খুব সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। আমার কাছে খুবই ভাল লেগেছে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো। কখনো ঘোড়া নিজের চোখে দেখা হয়নি, কিন্তু আপনার আজকের ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দেখে নিয়েছি তাই খুব ভালো লাগলো। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইল।
কি বলেন!!! সত্যিই আপনি এখনো ঘোরা দেখেননি একথা বিশ্বাস করতে রীতিমতো কষ্ট হচ্ছে। যদিও ঘোড়ার সংখ্যা এখন অনেক কমে গেছে তবে দু-একটা যে নেই তা কিন্তু না। যাক আমার পোষ্টের মাধ্যমে অন্তত ঘোড়ার ছবি দেখতে পারলেন। ধন্যবাদ আপু
চমৎকার চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি আপনি আজ আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন ভাইয়া। আপনার করা ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে সব সময় অনেক ভালো লাগে। লাল রং এর বাল্ব টি দেখে আমিও প্রথমে বুঝতে পারিনি। প্রথমে ভেবেছিলাম কোন একটি লাল বৃত্ত। শেষে আপনার পোস্ট বুঝতে পারলাম সুন্দর একটি বাল্ব। অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া দেখে।
আপনাদের অনুভূতি জানার জন্যই এই লাইটের ছবিটা দিয়েছিলাম। আমার কাছেও ছবিটা তোলার পর দেখে চিনতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। ছবি দেখে বোঝাই যাচ্ছিল না এটা একটা লাইট। ধন্যবাদ
ছবির সাথে চমৎকার কিছু কথা বলেছেন। অনেকদিন পর ঘোড়ার গাড়ি দেখলাম। কালের বিবর্তনে যেন হারিয়ে গেছে। ছোট বেলায় দেখতাম ঘোড়ার গাড়ি। রেস্টুরেন্ট এর নামটি ভালো ছিল। এরকম পরিবেশে রেস্টুরেন্ট এর ওয়েদার জোস। আর প্রথমে আমি বেলুন ভেবেছিলাম পরে দেখি বাল্ব 🤭। ভালো ছিল ভাইয়া ফটোগ্রাফিগুলো।
এমন রেস্টুরেন্টে সন্ধ্যার পর বা বিকেলে বসে আড্ডা দেওয়ার মজাই আলাদা। বিশেষ করে বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে। সত্যিই দারুণ একটা পরিবেশ। না আসলে বুঝতেই পারবেন না। ধন্যবাদ
দারুন কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন খুবই ভালো লাগলো বিশেষ করে ঘোড়ার গাড়ি এবং ফড়িঙের ফটোগ্রাফি সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে আমার কাছে সুন্দর উপস্থাপনা করেছেন ফটোগ্রাফি গুলো সম্পর্কে শুভকামনা থাকলো আপনার জন্য
অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য। ঘোড়ার গাড়ি এখন আর দেখা যায় না বললেই চলে। তাই এই ছবিটা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করেছিলাম।
গতকালের রাত টা সত্যিই মনে রাখার মত ছিল ভাই। চমৎকার ছিল আপনার আজকের ছবি গুলো। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে লাল ফড়িং টা। খুব দারুণ ভাবে ফ্রেমে বন্দী করেছেন মুহূর্তটা। আর ভাসমান এমন রেস্টুরেন্ট এই প্রথম দেখলাম। ফরিদপুর শহরে গেলে অবশ্যই দেখে আসব জায়গাটা।
ফরিদপুর আসার দাওয়াত রইল আপনার। যদি কখনো আসেন অবশ্যই নক করবেন। এই রেষ্টুরেন্টে নিজ খরচায় নিয়ে যাবো আপনাকে। আর ফড়িংয়ের ছবি তুলতে সত্যিই অনেক কষ্ট হয়েছিল। ধন্যবাদ ভাই
ওয়াও ভাই আপনার ফটোগ্রাফি দেখে আার অনেক ভালো লাগলো।আপনার ফটোগ্রাফি দেখে মনে হলো ,আপনি একজন প্রফেশেনাল ফটোগ্রাফার।আপনার প্রতিটি ফটোগ্রাফির সাথে সাথে উপস্থাপনা অনেক ভালো ।আপনার ফটোগ্রাফির মধ্যে ঘোড়ার গাড়ি ভালো লেগেছে,কারন আমাদের এদিকে তেমন দেখতে পাওয়া যায় না।অনেক শুভ কামনা রইল।
প্রফেশনাল এর ধারে কাছেও না। বলতে পারেন অ্যামেচার ফটোগ্রাফার। তবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রফেশনাল না হতে পারলেও ফটোগ্রাফি আমার খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য