লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী কিছু স্থান পরিদর্শন, সাথে কিছু ফটোগ্রাফি, পর্বঃ ১৯
আসসালামুআলাইকুম ,
সবাই কেমন আছেন ? আশা করি ভালই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। পুরাপুরি ঠান্ডা পড়ে গিয়েছে আমাদের এখানে। শুনেছি বাংলাদেশও নাকি ঠান্ডা পরা শুরু হয়েছে।আমাদের এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ ১০ ডিগ্রি। সকালে কুয়াশায় ঘেরা থাকে চারিদিক। মাঝে মাঝে আবার সূর্যের দেখা মেলে কিন্তু তাতে শীত মোটেও কমেনা।তবে ঘরের মধ্যে একটু আরামে থাকা যায়। কারণ ঘরের মধ্যে সেন্ট্রাল হিটিং এর ব্যবস্থা রয়েছে, মাঝে মাঝে অন করতে হয়।যাইহোক লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী কিছু স্থানের ১৯ তম পর্ব নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। যখন আমরা এই ভ্রমণ গুলো করেছিলাম তখন আবার প্রচন্ড গরম ছিল, প্রায় ৩৫ ডিগ্রী তাপমাত্রা ছিল। গত পর্বে আমরা লন্ডন বিগ বাসে ভ্রমণ করে লন্ডন শহরের অনেকটা অংশ ঘুরে যে সকল ফটোগ্রাফি তুলেছিলাম তার ২য় পর্ব আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম।আজকে তার ৩য় পর্ব নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম।আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছি লন্ডন বিগ বাস এ ভ্রমনের এই ব্যবস্থা মূলত টুরিস্টদের জন্যই করা হয়েছে। কারণ উদ্দেশ্য হচ্ছে অল্প সময়ে টুরিস্টদের জন্য লন্ডনের বিশেষ কিছু স্থান ঘুরিয়ে দেখানোর ব্যবস্থা করা । আমরা আমাদের যাত্রা শুরু করেছিলাম লন্ডন গ্রীন পার্ক থেকে ।সেখান থেকে বিভিন্ন স্থান ঘুরে ঘুরে Waterloo পর্যন্ত কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূলপর্বে।
উপরের ফটোগ্রাফি গুলো সিটি অফ ওয়েস্ট মিনিস্টার থেকে নেওয়া।
উপরের ফটোগ্রাফি গুলো south bank থেকে নেওয়া।
castle Bernard থেকে নেওয়া।
উপরের ফটোগ্রাফিগুলো Waterloo থেকে নেওয়া।
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন, আশাকরি আপনাদের ভাল লেগেছে।পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী জায়গা গুলোর ফটোগ্রাফি দেখে অনেক ভালো লাগলো।আপু হয়তো কোন দিন লন্ডনে যাওয়ার সৌভাগ্য হবে না কিন্তু আপনার ফটোগ্রাফি দেখে তার কিছুটা পূর্ণ করলাম।আপনার ফটোগ্রাফির মধ্যে অনেক ঐতিহ্যবাহী জায়গা গুলো দেখার সুযোগ পাচ্ছি। আপনি ঠিকই শুনেছেন আপু আমাদের বাংলাদেশে এখন অনেকটা শীত পড়েছে।এত সুন্দর সুন্দর ঐতিহ্যবাহী জায়গাগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
আপু লন্ডনের বিগ বাসে আপনার ভ্রমণ টি বেশ আনন্দের ছিল আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে পারছি । বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন আপনারা ।জায়গা গুলো চমৎকার আর আকাশটা নীল দেখতে চমৎকার লাগছিল । ভীষণ সুন্দর লাগলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ।ধন্যবাদ।
অনেক ধন্যবাদ তোমাকে মন্তব্যের জন্য।
কোথায় ৩৫ ডিগ্রি আর কোথায় ৪ ডিগ্রী এখন তো অনেক বেশি ঠান্ডা।আমাদের এখনো তেমন ঠান্ডা পড়েনি। সাবধানে থাকবেন আপু বাচ্চাদেরকে নিয়ে বাইরে বের না হওয়ায় ভালো। আর লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোর ছবি এখনো চলছে বাবাহ অনেক ছবি তুলেছেন তো দেখছি। সাথে আমরাও দেখছি মন ভরে। ভালো লাগলো আপনার আজকের ছবিগুলো দেখে।
আর মাত্র একটি পর্ব আছে একটি পর্ব হলেই শেষ হয়ে যাবে লন্ডনে ঐতিহ্যবাহী স্থানের ফটোগ্রাফি গুলো। অনেক ধন্যবাদ তোমাকে মন্তব্যের জন্য।
আমাদের বাংলাদেশে এখন অনেক শীত পড়েছে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে। আমি গ্রামে গিয়েছিলাম গ্রামে অনেক শীত, মনে হচ্ছিলো পুরো শীত পড়ে গেছে। তবে শহরের অনেকটাই গ্রামে চাইতে বেশি।যাইহোক আপনি লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী অপরূপ সৌন্দর্যময় জায়গা ফটোগ্রাফি করেছেন। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি দেখে খুবই ভালো লাগলো।
শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে সব সময় বেশি শীত পড়ে। আর ঢাকায় তো শীত পড়েই না। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
আপু তাহলে তো মনে হচ্ছে অনেক ঠান্ডা পড়েছে সাবধানে থাকবেন। অতিরিক্ত ঠান্ডায় অসুস্থ হওয়ার সম্ভবনা থাকে বেশি। যাই হোক খুব সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। লন্ডনের প্রতিটা দৃশ্য দেখতে অসাধারণ লাগে। ফটোগ্রাফির পাশাপাশি খুব সুন্দর বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি নিয়ে সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
ঢাকায় এখনও তেমন শীত পরেনি তবে গ্রামে পরেছে।আপনারা খুব সাবধানে থাকবেন আপু।এসময় নানা ধরনের জটিলতা দেখা যায় আসলে।আপনার ফটোগ্রাফিগুলো কিন্তু দারুন হয়েছে। আকাশটা খুব সুন্দর লাগছে। 😍😍 আপনি সুন্দর বর্ননা করে আমাদের মাঝে লন্ডনের জায়গাগুলো তুলে ধরলেন আপু।আপনার মাধ্যমে ঘরে বসেও লন্ডনের বিভিন্ন জায়গার ধারনা আমরা পেলাম।শেয়ার করে জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু। অনেক ভাল থাকবেন পরিবারের সবাই কে নিয়ে।অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য। 🥰🥰🥰
আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমারও অনেক ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
এখন বাংলাদেশেও অনেক ঠান্ডা পরেছে আপু। রাতের বেলায় বেশ ঠান্ডা পরে। তবে দিনের বেশির ভাগ সময় গরম থাকে। লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী জায়গা গুলোর ফটোগ্রাফি দেখে ভালো লাগলো আপু। হয়তো কোনদিন লন্ডনে যাওয়ার সুযোগ হবে না। তাইতো আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলোর মাধ্যমে লন্ডনের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী জায়গা গুলো দেখার সুযোগ পাচ্ছি। ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন জায়গাগুলো আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য আমাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
ভাগ্যে যদি লেখা থাকে তাহলে অবশ্যই আসতে পারবে একদিন লন্ডনে, অনেক ধন্যবাদ তোমাকে মন্তব্যের জন্য।
লন্ডনে ঐতিহ্যবাহী ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। আর আমাদের দেশে অনেক শীত পড়েছে, বিশেষ গ্রামে আরো বেশি।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া গ্রামে একটু শীত বেশিই পরে, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
লন্ডনের সুদর্শনিয় স্থানগুলো দেখে ইচ্ছে করে আপনার সাথে ঘুরে বেড়াই। জানিনা সেই সৌভাগ্য কখনো হবে কিনা। তবে দারুন উপস্থাপনা করেন। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে হৃদয় ছুঁয়ে যায়। আমাদের মাঝে এত সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি রইল ভালোবাসা অবিরাম।
আমারও জেনে অনেক ভালো লাগলো ফটোগ্রাফি গুলো আপনার ভালো লেগেছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
গত দুই পর্বে দেখেছিলাম আপনার বিগ বাসে বাসে ঘোরার ফটোগ্রাফি। আমার কাছে গত দুই পর্বের থেকে আজকের ফটোগ্রাফি গুলো বেশি ভালো লেগেছে। আজকে অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গার ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। গরমের মধ্যে এরকম বাসে ঘুরতে একটু কষ্ট হয়েছে মনে হয়। তারপরও ফ্যামিলির সঙ্গে অনেক ভালো সময় কাটিয়েছেন বোঝা যাচ্ছে।
আজকের পর্ব ভালো লাগার কারণ হচ্ছে পাশে ছিল নদী। নদীর পাশ আশপাশের ফটোগ্রাফি গুলো সব সময় অনেক সুন্দর হয়। অনেক ধন্যবাদ তোমাকে মন্তব্যের জন্য।