কয়েকটি পশুপাখি ও পোকামাকড় এর ফটোগ্রাফি পোস্ট
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমরা আজকের পোস্ট।
কয়েকটি পশুপাখি ও পোকামাকড় এর ফটোগ্রাফি
বরাবরের মতো আজ ও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আমি সব সময় চেষ্টা করি আমার পোস্টের ভিন্নতা আনার জন্য। আসলে আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা সবাই ফটোগ্রাফিতে অনেক পারদর্শী। আমার কাছে ফটোগ্রাফি করতে অনেক ভালো লাগে।তাই তো সামনে ভালো কিছু দেখলে ফটোগ্রাফি করতে মিস করি না। তবে পশুপাখি ও পোকামাকড় এর ফটোগ্রাফি করা অনেক কষ্টের। আমি অনেক দিন ধরে চেষ্টা করেছি, যাইহোক অবশেষে কয়েকটি পোকামাকড় এর ফটোগ্রাফি করতে পেরেছি। সত্যি আমার কাছে ফটোগ্রাফি করতে ও দেখতে অনেক ভালো লাগে। তাই তো সব সময় চেষ্টা করি ভালো কিছু দেখলে ফটোগ্রাফি করার জন্য। তাহলে শুরু করি আমার আজকের পোস্ট।
ফটোগ্রাফি -১
এটি হচ্ছে কবুতর। এই কবুতরকে আমার সবাই চিনি। আসলে কবুতর হচ্ছে শান্তির প্রতিক। আমাদের পাশের বাড়ি অনেক কবুতর আছে। প্রতিদিন আমাদের বাড়িতে এসে খাবার খায়। আমি ও আমার মুরগির সাথে খাবার দেয়। শুধু ফটোগ্রাফি করার জন্য। কিন্তু ফটোগ্রাফি করতে গেলেই উড়ে চলে যায়।যাইহোক কবুতরের মাংস রোগীর জন্য অনেক উপকারী।আমার কাছে কবুতর পোষা অনেক ভালো লাগে।
ফটোগ্রাফি -২
এটি হচ্ছে শালিক পাখি। এই পাখি গুলো সব সময় আমাদের উঠানে এসে বসে আর ভাত খায়।তবে বেশির ভাগ সময় আমার মুরগির সাথে খাবার খায়।তবে দেখতে অনেক ভালো লাগে। আপনাদের কাছে ও ভালো লাগবে।
ফটোগ্রাফি -৩
এই পাখি গুলো হয়তো আমরা অনেক চিনি না। আসলে আমিও চিন্তাম না। এটি হচ্ছে ডাহু পাখি। কয়েক দিন আগে আমাদের মাঠ থেকে একজন অনেক ডাহু পেরেছে। সেখান থেকে আমাদের তিনটি ডাহু কিনে এনেছি। আনার পর খাঁচার ভিতরে রেখে দিয়েছি। তারপর জবাই করেছে।ডাহুর মাংস অনেক মজা। তবে বেশি হাড্ডি, বাচ্চারা খাওয়ার থেকে পাখির সাথে খেলছিল মজা করে।
ফটোগ্রাফি -৪
এটিকে হয়তো আমরা সবাই চিনি। এটি হচ্ছে ছুঁচো। এই ছুঁচো একেবারে জ্বালায়। ঘরের দরজা খোলা পেলেই ভিতরে ঢুকে পরে। তবে আর যাইহোক ছুঁচোর গন্ধ অনেক খারাপ লাগে। তাই এই মেশিন দিয়ে মাঝে মাঝে ছুৃঁচো আসলে মারা হয়। কয়েক দিন আগে একটা ছুঁচো পড়েছিল তাই মেরে ফেলার আগে আমি ছবি তুলে নিয়েছি।
ফটোগ্রাফি -৫
এটি হচ্ছে মাকড়সা পোকা। এই পোকা আমরা সবাই হয়তো চিনি। আসলে এই পোকা বেশি দেখা যায় ঘরের আশে পাশে। আমরা ছোট বেলা বলতাম মাকড়সা পোকা জাল বুনে রাখত আর সেই জাল দিয়ে মাছ মারত মানুষেরা।যাইহোক মাকড়সা দেখতে অনেক ভালো লাগে। তবে এর জাল মুখে লাগলে আর ভালো লাগে না।
ফটোগ্রাফি -৬
এই পোকাটার নাম আমার জানা নেই। তবে কয়েক দিন আগে আমার এক জার হাতের ওপর এসে পড়েছিল। আর পোকা দেখে সে অনেক ভয় পেয়েছে। তবে হাতের ওপর থেকে দেখতে বেশ ভালো লাগছিল। আশাকরি আপনাদের কাছে ও ভালো লাগবে।
ফটোগ্রাফি -৭
এই বাচ্চা গুলো হয়তো আমরা সবাই চিনি। এটি হচ্ছে কক মুরগির বাচ্চা। আসলে আমি কিছু দিন আগে এই বাচ্চা গুলো কিনতে গিয়েছিলাম। বাচ্চার থেকে দাম অনেক। আসলে এই বাচ্চা গুলো হয়তো কিনে আনতে আনতে মরে যায় তাই আর কিনা হয়নি।তবে দেখতে অনেক ভালো লেগেছে।
| প্রয়োজনীয় | তথ্য |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | LGK30 |
| লোকেসন | ফরিদ পুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা লেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
ফটোগ্রাফি গুলো সুন্দর হয়েছে তার থেকে বড় কথা হচ্ছে অনেকদিন পর কিছু নতুন নতুন জিনিস দেখলাম। প্রথমত ডাহু পাখি, যেটা আমি আগে কখনো দেখিনি। তবে একটা পাখির মাথায় দেখলাম একটু লাল হয়েছে। ওটা কি কেটে গেছিল, নাকি ওরকমই দেখতে আপু....? তাছাড়া আর যে ফটোগুলো শেয়ার করেছেন ওগুলো তো মোটামুটি আমার চেনা।
না ভাইয়া ওটা মারামারি করে কেটে ফেলেছে ধন্যবাদ ভাইয়া
ডাহু পাখি তো আমিও চিনতাম না আপু আপনার মতো।আজকে আপনার পোস্টের মাধ্যমে চিনতে পারলাম।বেশ কিছু পোকামাকড় ও পশুপাখির ফটোগ্রাফি আপনি শেয়ার করেছেন।দেখতে চমৎকার লাগছে ফটোগ্রাফি গুলো।ধন্যবাদ আপু সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন কয়েকটি পাখি ও পোকামাকড়ের ফটোগ্রাফি। আপনার শেয়ার করা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি দেখতে আমার কাছে বেশ চমৎকার লেগেছিল। আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে মুরগির বাচ্চার ফটোগ্রাফি। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দরভাবে পোস্টটি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ভাই আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো ধন্যবাদ ভাইয়া
পশুপাখি আমার কাছে খুবই প্রিয়। ছোট্টবেলা থেকে পশুপাখিকে খুবই ভালোবাসি। ছোট্ট বাচ্চা যেগুলো খুবই আদর করতাম। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়ে গেল। অনেক সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন।
সত্যি ভাইয়া এগুলো ছোট বেলার জিনিস দেখলে অনেক ভালো লাগে, ধন্যবাদ আপনাকে।
পশু-পাখির ফটোগ্রাফি করা সত্যিই অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার আপু। অনেকদিন ধরে জোগাড় করে দেখছি খুব সুন্দর কয়েকটি পশু পাখির ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন আজকে। মুরগির বাচ্চা কিনতে গিয়ে কিছুদিন আগে দেখছি সেগুলোর খুব সুন্দর একটি ফটোগ্রাফি করেছেন। মাকড়সার ফটোগ্রাফিটিও বেশ সুন্দর দেখাচ্ছে আপু।
ধন্যবাদ আপু মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
আসলেই পশুপাখি ও পোকামাকড় এর ফটোগ্রাফি করা বেশ ঝামেলার।কারন এরা এক জায়গায় স্থায়ী থাকে না।কিন্তু তারপরও আপনি সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। বিশেষ করে মুরগির বাচ্চা ও ডাহু পাখি
আমার কাছে ভালো লেগেছে।এই ডাহু পাখি আমাদের এখান থেকে হেঁটে বেড়ায় তবে কেউ পোষে না।ছুঁচো মেরে ভালো কাজ করেছেন, ধন্যবাদ আপু।
জি আপু মুরগির বাচ্চা ডাহু গুলো অরজিনালি ভালো ছিল, ধন্যবাদ আপু।
ফটোগ্রাফ গুলো বেশ ভাল হয়েছে আপু। তবে আপনার থেকে আরো ভালো আশা করি। ছুচোর ছবিটা দেখে বোঝাই যাচ্ছে না।যাই হোক বাদ বাকি ফটোগ্রাফ গুলো সুন্দর হয়েছে।ধন্যবাদ আপু ফটোগ্রাফ গুলো শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
আজকে আপনি আমাদের মাঝে বেশ কয়েকটি পশু পাখি ও পোকামাকড়ের ফটোগ্রাফি করে দেখিয়েছেন। যেখানে লক্ষ্য করে দেখলাম শালিক কবুতর সহ আরো অনেক কিছু। অনেক সুন্দর ছিল প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি। আশা করি এভাবে আপনি আমাদের মাঝে অনেক কিছু তুলে ধরার চেষ্টা করবেন।
চেষ্টা করব ভাই আরো কিছু এমন ফটোগ্রাফি তুলে ধরার জন্য