জাল দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য দেখার সময় তোলা কিছু ফটোগ্রাফি
নমস্কার,
| তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি, সবাই অনেক অনেক ভাল আছো । আমিও অনেক ভালো আছি। আজকের নতুন একটি ব্লগে তোমাদের সবাইকে প্রথমে স্বাগতম জানাই। |
|---|
আজকের ব্লগে তোমাদের সাথে জাল দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য দেখার সময় তোলা কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করব । এক বছরের অধিক সময় আগে আমাদের একটা ট্রেনিংয়ে যেতে হয়েছিল সোনারপুরের একটি জায়গায়। সেখানে গিয়ে ট্রেনিং পারপাসের জন্যই একটা পুকুর থেকে মাছ ধরতে হয়েছিল । এই মাছ ধরার কাজ আমার বন্ধুরা, সেখানের কয়েকজন স্থানীয় ছেলেরা এবং আমাদের যারা ট্রেনিং করাচ্ছিল তারা সবাই মিলে সম্পন্ন করেছিল। সেই দিন যে ফটোগ্রাফি গুলো করেছিলাম আজকের ব্লগে তোমরা তা দেখতে পাবে।
ফটোগ্রাফি -০১

প্রথম ফটোগ্রাফিতে দেখা যাচ্ছে সবাই পুকুর পাড়ে মাছ ধরার দৃশ্য দেখার জন্য কেউ বসে আবার কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছে । কখন জাল টেনে পুকুরের এই কূলে নিয়ে আসবে সেই অপেক্ষায় অধীর আগ্রহ নিয়ে আছে। আমি গ্রামে যখন থাকতাম এরকম মাছ ধরার দৃশ্য দেখার সুযোগ হতো কিন্তু অনেকদিন হয়ে গেছে এরকম মাছ ধরার দৃশ্য দেখা যায় না। সেই দিন যখন ট্রেনিং-এ গিয়ে এরকম মাছ ধরার দৃশ্য দেখার সুযোগ পেয়েছিলাম অনেকটাই ভালো লাগছিল। গ্রামের কথা গুলো বারবার মনে পড়ে যাচ্ছিল। গ্রামে থাকলে তো পুকুরেই নেমে যেতাম মাছ ধরার জন্য।
ফটোগ্রাফি -০২

যারা জাল টান ছিল তারা জাল অনেকটাই পুকুরের পাড়ের কাছেই নিয়ে এসেছিল। এই সময় আমাদেরও একটু সাহায্য করতে হচ্ছিল জাল টানার জন্য কারণ এটা অনেক বড় জাল ছিল। এটা বেশ কয়েকজনকে মিলে তুলে নিয়ে আসতে হয়। এই জাল টানার সময় জালের উপর দিয়ে বিভিন্ন রকম মাছের ছোটাছুটি দেখা যাচ্ছিল। সেদিন যদিও এই জাল টানার সময় নামার সুযোগ ছিল তবুও আমি আগ্রহ দেখায় নি কারণ সাথে করে এক্সট্রা কোন পোশাক আমি সেদিন নিয়ে যায়নি ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার দিন । অতিরিক্ত পোষাক কাছে থাকলে হয়তো সেদিন নেমে মাছ ধরার কাজে সাহায্য করতাম।
ফটোগ্রাফি -০৩

এই ট্রেনিং-এ গিয়ে বিভিন্ন রকম ফটোগ্রাফি করতে হচ্ছিল আমাদের প্রজেক্ট বানানোর জন্য। সেজন্য আমাদের সাথে আমাদের একজন ক্যামেরাম্যানও ছিল । যে আমাদের সাথেই ট্রেনিং করছিল। সে মূলত সব জায়গার ফটোগুলো ভালো করে তুলে নিচ্ছিল। সেই ফটো তোলার সময় জাল যখন পাড়ের কাছে চলে আসে সেও জাল টানার কাজে সাহায্য করতে যায়। সেই সময় এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম। ডিএসএলআর ক্যামেরা নিয়ে সে অনেকটা জলের কাছাকাছি চলে গেছিলো মাছ ধরার কাজে সাহায্য করতে।
ফটোগ্রাফি -০৪

জাল পুকুর পাড়ে উঠানোর পরে বন্ধুরা সবাই লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই সময় তারা আমাকে তাদের ফটো তুলে দেওয়ার জন্য বলছিল। তাই তারা সবাই পোজ দিয়ে দাঁড়িয়েছে। জাল টেনে আসার পরে তাদের মুখে বেশ হাসি দেখা যাচ্ছিল কারন আমাদের ট্রেনিং পারপাসের জন্য যেসব মাছের প্রয়োজন ছিল তার সবগুলোই জালে ধরা পড়েছিল। তাদের এই খুশিটাকে সেই সময় আমি ক্যামেরাবন্দি করেছিলাম।
ফটোগ্রাফি -০৫

জাল যখন একদম পাড়ে এনে রাখা হয়েছিল, এই জালের ফাঁকে ফাঁকে ছোট অনেক মাছ আটকে ছিল যা তোমরা ফটোগ্রাফিতে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছ। এই মাছগুলো মূলত আমাদের কোন কাজের ছিল না। আমাদের কাজের জন্য যে মাছগুলো দরকার ছিল সেগুলো আমরা আগে ধরে একটা বালতিতে জল দিয়ে রেখে দিয়েছিলাম আর এই ছোট মাছগুলো খাওয়ার জন্য একজন নিয়ে গেছিল, যে এই মাছ ধরার কাজে আমাদের সাহায্য করেছিল। সে যদিও আমাদের সাথে ট্রেনিং করছিল না। সে স্থানীয় একটি ছেলে ছিল যে এই জাল টানার কাজে সাহায্য করেছিল আমাদের।
ফটোগ্রাফি -০৬
ঘাসের উপর পড়ে রয়েছে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত উপকরণগুলো। সব মাছগুলো আসার পরেই আমরা বালতিতে রেখেছিলাম । ফটোগ্রাফিতে প্লাস্টিকের বালতি ও ঝুড়ি এবং সেই সাথে বাঁশের ঝুড়িও দেখা যাচ্ছে। এই সবগুলোই আমাদের মাছ ধরার কাজে লেগেছিল। মাছ ধরার পূর্বে এগুলো আমরা পাড়ের উপর রেখে দিয়েছিলাম । এগুলো মাছ ধরে যখন তুলে নিয়ে এসেছিল তখনই আমাদের কাজে লেগেছিল। এই ফটোগ্রাফিটি সেদিন আমি প্রথমেই তুলেছিলাম তবে সবার শেষে আজ শেয়ার করলাম।
ক্যামেরা পরিচিতি : SAMSUNG
ক্যামেরা মডেল : SM-M317F
ফটোগ্রাফার:@ronggin
স্থান : সস্য শ্যামলা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র ক্যাম্পাস, সোনারপুর - চাঁদমারি রোড, আরাপাঞ্চ, পশ্চিমবঙ্গ- ৭০০১৫০
বন্ধুরা, আজকের শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো তোমাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানিও। সবাই ভালো থাকো, সুস্থ থাকো , সুন্দর থাকো,হাসিখুশি থাকো , নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকো , সবার জন্য এই শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ সবাইকে
Posted using SteemPro Mobile
প্রথম ফটোগ্রাফিতে দেখা যাচ্ছে সবাই পুকুর পাড়ে মাছ ধরার দৃশ্য দেখার জন্য কেউ বসে আবার কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছে । কখন জাল টেনে পুকুরের এই কূলে নিয়ে আসবে সেই অপেক্ষায় অধীর আগ্রহ নিয়ে আছে। আমি গ্রামে যখন থাকতাম এরকম মাছ ধরার দৃশ্য দেখার সুযোগ হতো কিন্তু অনেকদিন হয়ে গেছে এরকম মাছ ধরার দৃশ্য দেখা যায় না। সেই দিন যখন ট্রেনিং-এ গিয়ে এরকম মাছ ধরার দৃশ্য দেখার সুযোগ পেয়েছিলাম অনেকটাই ভালো লাগছিল। গ্রামের কথা গুলো বারবার মনে পড়ে যাচ্ছিল। গ্রামে থাকলে তো পুকুরেই নেমে যেতাম মাছ ধরার জন্য।
যারা জাল টান ছিল তারা জাল অনেকটাই পুকুরের পাড়ের কাছেই নিয়ে এসেছিল। এই সময় আমাদেরও একটু সাহায্য করতে হচ্ছিল জাল টানার জন্য কারণ এটা অনেক বড় জাল ছিল। এটা বেশ কয়েকজনকে মিলে তুলে নিয়ে আসতে হয়। এই জাল টানার সময় জালের উপর দিয়ে বিভিন্ন রকম মাছের ছোটাছুটি দেখা যাচ্ছিল। সেদিন যদিও এই জাল টানার সময় নামার সুযোগ ছিল তবুও আমি আগ্রহ দেখায় নি কারণ সাথে করে এক্সট্রা কোন পোশাক আমি সেদিন নিয়ে যায়নি ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার দিন । অতিরিক্ত পোষাক কাছে থাকলে হয়তো সেদিন নেমে মাছ ধরার কাজে সাহায্য করতাম।
এই ট্রেনিং-এ গিয়ে বিভিন্ন রকম ফটোগ্রাফি করতে হচ্ছিল আমাদের প্রজেক্ট বানানোর জন্য। সেজন্য আমাদের সাথে আমাদের একজন ক্যামেরাম্যানও ছিল । যে আমাদের সাথেই ট্রেনিং করছিল। সে মূলত সব জায়গার ফটোগুলো ভালো করে তুলে নিচ্ছিল। সেই ফটো তোলার সময় জাল যখন পাড়ের কাছে চলে আসে সেও জাল টানার কাজে সাহায্য করতে যায়। সেই সময় এই ফটোগ্রাফিটি আমি করেছিলাম। ডিএসএলআর ক্যামেরা নিয়ে সে অনেকটা জলের কাছাকাছি চলে গেছিলো মাছ ধরার কাজে সাহায্য করতে।
জাল পুকুর পাড়ে উঠানোর পরে বন্ধুরা সবাই লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই সময় তারা আমাকে তাদের ফটো তুলে দেওয়ার জন্য বলছিল। তাই তারা সবাই পোজ দিয়ে দাঁড়িয়েছে। জাল টেনে আসার পরে তাদের মুখে বেশ হাসি দেখা যাচ্ছিল কারন আমাদের ট্রেনিং পারপাসের জন্য যেসব মাছের প্রয়োজন ছিল তার সবগুলোই জালে ধরা পড়েছিল। তাদের এই খুশিটাকে সেই সময় আমি ক্যামেরাবন্দি করেছিলাম।
জাল যখন একদম পাড়ে এনে রাখা হয়েছিল, এই জালের ফাঁকে ফাঁকে ছোট অনেক মাছ আটকে ছিল যা তোমরা ফটোগ্রাফিতে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছ। এই মাছগুলো মূলত আমাদের কোন কাজের ছিল না। আমাদের কাজের জন্য যে মাছগুলো দরকার ছিল সেগুলো আমরা আগে ধরে একটা বালতিতে জল দিয়ে রেখে দিয়েছিলাম আর এই ছোট মাছগুলো খাওয়ার জন্য একজন নিয়ে গেছিল, যে এই মাছ ধরার কাজে আমাদের সাহায্য করেছিল। সে যদিও আমাদের সাথে ট্রেনিং করছিল না। সে স্থানীয় একটি ছেলে ছিল যে এই জাল টানার কাজে সাহায্য করেছিল আমাদের।
ঘাসের উপর পড়ে রয়েছে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত উপকরণগুলো। সব মাছগুলো আসার পরেই আমরা বালতিতে রেখেছিলাম । ফটোগ্রাফিতে প্লাস্টিকের বালতি ও ঝুড়ি এবং সেই সাথে বাঁশের ঝুড়িও দেখা যাচ্ছে। এই সবগুলোই আমাদের মাছ ধরার কাজে লেগেছিল। মাছ ধরার পূর্বে এগুলো আমরা পাড়ের উপর রেখে দিয়েছিলাম । এগুলো মাছ ধরে যখন তুলে নিয়ে এসেছিল তখনই আমাদের কাজে লেগেছিল। এই ফটোগ্রাফিটি সেদিন আমি প্রথমেই তুলেছিলাম তবে সবার শেষে আজ শেয়ার করলাম।
ক্যামেরা পরিচিতি : SAMSUNG
ক্যামেরা মডেল : SM-M317F
ফটোগ্রাফার:@ronggin
স্থান : সস্য শ্যামলা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র ক্যাম্পাস, সোনারপুর - চাঁদমারি রোড, আরাপাঞ্চ, পশ্চিমবঙ্গ- ৭০০১৫০
আজকে আমি এমন মাছ ধরার দৃশ্য যথেষ্ট ফটোগ্রাফি এবং ভিডিও ধারণ করেছি। খুব সুন্দর একটা বিষয়ে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। গ্রামীণ পরিবেশে এই সমস্ত দৃশ্যগুলো ছোট থেকে দেখে আসছি এবং এর সাথে আমি সম্পৃক্ত,তাই বেশি ভালো লাগে এগুলো।
এত সুন্দর করে আপনার মন্তব্যটা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
আপনার জাল দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য দেখে অনেক ভালো লাগল।সত্যি ভাইয়া এরকম জাল দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য গ্রামে অনেক দেখা যায়।আপনাদের সাথে ক্যামেরাম্যান থাকায় আপনাদের আরো সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে পেরেছে। ভালো লাগেছে জেলেদের বেশ সুন্দর পোজ দেওয়ার ফটোগ্রাফি গুলো। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ।
আমার শেয়ার করা আজকের ফটোগ্রাফি গুলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক খুশি হলাম আপু। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যটি আমাদের জানানোর জন্য।