নীরব শহরের স্পন্দন || Original Photography
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। সুন্দরভাবে ঈদ উৎসবের ছুটিগুলো দারুণভাবে উপভোগ করেছেন। আমাদের ঈদের ছুটি শেষ হয়ে গেছে এবং আজ হতে কর্ম ব্যস্ততা নতুনভাবে শুরু হয়েছে। ছুটির দিনগুলো সত্যি মনে হয় অনেকটা দৌড়ে শেষ হয়ে যায়, সময় তখন খুব দ্রুত এগিয়ে যায়। দেখতে দেখতে ছুটির দশ দিন শেষ হয়ে গেলো। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন অফিস ছুটি দিলো আর আজকে আবার অফিস খোলে ফেললো। নিমিষেই দশ দিন শেষ।
অফিস শুরু হলেও ঢাকার পরিবেশে কিন্তু এখনো ঈদের আমেজ রয়ে গেছে, ছুটির রেশ এখনো কাটেনি। এটা আমি না ঢাকার চারপাশের দৃশ্যই বলে দিচ্ছে। হ্যা, এটা ঠিক যে, শহরের ভাসমান মানুষগুলো একটু দেরীতেই ফিরে আসে। এছাড়া অনেকেই উৎসবগুলোকে কেন্দ্র করে যেহেতু ঢাকার বাড়িতে যায়, তাই খুব দ্রুত তারা আবার ফিরে আসতে চায় না। প্রিয় মানুষগুলো সান্নিধ্য আরো কিছুটা সময় পেতে চান। এখানে আমাদের হৃদয়ের অনুভূতিগুলো একটু বেশী ব্যাকুলতায় ডুবে যায়।
তবে অনেক ক্ষেত্রে অনেকেই বাড়িতে গিয়ে শুধুমাত্র প্রিয় মানুষগুলোর সান্নিধ্যে থাকে না বরং নানা ধরণের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অনেক কাজ বাড়ির কর্তার জন্য আটকে থাকে, তাই ছুটি উপভোগ করার জন্য বাড়িতে গেলেও সেটা আর উপভোগ্য থাকে না বরং ব্যস্ততার সাথেই কাটতে থাকে। সুতরাং তারা ছুটির মধ্যে বাড়িতে গেলেও আদতে তাদের তেমন একটা ছুটি মেলে না, দ্রুত বাড়ির প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে আবার শহরের মাঝে ফিরে এসে ঠিক পূর্বের ন্যায় কর্ম ব্যস্ততায় হারিয়ে যেতে হয়।
জীবন সত্যি এক অদ্ভুত সমীকরণের মাঝ দিয়ে চলে, কখনো উত্তাল তো কখনো কখনো চঞ্চল, নীরব কিংবা শীতল হওয়ার খুব একটা সময় এখানে থাকে না। যাইহোক, জীবন হয়তো সর্বদা এই সমীকরণের মাঝ দিয়ে চলতে থাকবে। তবে এর মাঝেই আমাদের সুখ খুঁজে নিতে হবে এবং সেটার শীতর স্পর্শে নিজেকে শীতল রাখার চেষ্টা করতে হবে। তবে আমরা যারা শহরে কিংবা শহরের আশে পাশে থাকি তারা কিন্তু এই সময়টা দারুণভাবে উপভোগ করার সুযোগ পাই।
কারণ ঈদ কিংবা উৎসবগুলোর পর ঢাকা শহর একটা দীর্ঘ সময়ের জন্য যানজটমুক্ত কিংবা কোলাহলমুক্ত একটা পরিবেশ ফিরে পায়। বর্তমান ঢাকার চিত্রও অনেকটা সেই রকম, এখনো সবাই ফিরে না আসার কারণে গাড়ির সংখ্যা অনেকটা কম, সড়কে গাড়ির চাপ নেই মানে ট্রাফিক সিগন্যাল খুব বেশী সময়ের জন্য থাকছে না। নীরব এবং ফাঁকা ফাঁকা একটা দারুণ অনুভূতি তৈরী করছে, ভিন্ন রকম দৃশ্যগুলো হৃদয়ের চঞ্চলতা ফিরিয়ে দিচ্ছে, আমার কাছে সত্যি দারুণ লাগছে।
লোকেশনঃ মিরপুর, ঢাকা।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।
|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||


>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR