নাটক রিভিউঃ ধনী গরীবের লড়াই [পর্ব-২৮ তম]❤️
আমি তানহা তানজিল তরসা । আমি বাংলাদেশ 🇧🇩 থেকে বলছি। আমার স্টিমিট আইডির নাম @tanha001।
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ বাসি.........
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি।আজ আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়েছি।আমার নতুন ব্লগে সবাইকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানিয়ে শুরু করছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি নাটক রিভিউ নিয়ে এসেছি। আজ আমি ধনী গরিবের লড়াই নাটকের ২৮ তম পর্ব উপস্থাপন করব।এই নাটকটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। যার কারনে আমি নাটকটি প্রতিনিয়ত রিভিউ করার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়েছি। আসলে ঈগল টিম বেশ চমৎকার ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সবাই যেদিকে হাতে ঈগল টিম পুর ব্যতিক্রম ভাবে কাজ করছে।ঈগল টিমের নাটক গুলা খুবই সামাজিক ও শিক্ষানীয়। আশা করি আমার নাটক রিভিউটি আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগবে।চলুন তাহলে শুরু করা যাক।
গত পর্বে দেখা গিয়েছিল মাস্টার ও রিমার গায়ে হলুদ হচ্ছে আর সেখানে রতন বাধা দিচ্ছে বিয়ে বন্ধ করার জন্য। এর পরবর্তী পর্বে নাটকের প্রথমে দেখা যায় নায়ক তার দুই বন্ধুকে নিয়ে মড়োল বাড়িতে গিয়েছে নায়িকার সাথে দেখা করার জন্য।নায়ক যখন মোড়ল বাড়িতে গিয়ে রিমার ঘরের দরজায় ধাক্কাদেয় আর রিমার নাম ধরে ডাকে ঠিক সেই মুহূর্তে ঘর থেকে সুলতানা বের হয়ে আসে। রীতিমতো সুলতানা কে দেখে নায়ক অবাক হয়ে যায়। এরপর সুলতানা নায়ক কে বলে তোর এত বড় সাহস তুই এখানে চলে এসেছিস। এই কথা বলে সুলতানা রিমাকে ডাক দেই এবং রিমাকে বলে তোর এই ফকিন্নি জামাইকে নিয়ে এক্ষুনি এখান থেকে চলে যা। একথা শুনে রিমা বলে তুমি কি বলছো এটা আপু তখন সুলতানা বলে যা বলছি ঠিকই বলছি তাড়াতাড়ি এখান থেকে চলে যা না হলে সমস্যায় পড়তে হবে। এই কথা শুনে দুই চৌকিদার সুলতানা কে বলে আপামনি এটা আপনি কি করছেন। তখন সুলতানা বলে সালাম ভাই আপনারা চুপ করে থাকেন যা করার আমি করছি। এরপর সেখান থেকে নায়ক রিমাকে নিয়ে চলে যায় তার বাড়ির উদ্দেশ্যে। এরপর সুলতানা চিল্লাপাল্লা শুরু করে দেই এবং সবাই তখন উঠে আসে। সুরুজ জিজ্ঞাসা করে কি হয়েছে এত রাত্রে সিল্লাস কেন। তখন বলে রিমার জামাই এসে রিমাকে নিয়ে চলে গেছে। একথা শুনে মোড়ল বাড়ির সবাই তো অনেক রেগে যায়। এরপর সুরুজ দুই চৌকিদার কে জিজ্ঞাসা করে তোমরা কি করছিলে এখানে, তখন তারা বলে বড় বড় গাছি দাঁ ছিল আর আমাদের গলায় ধরে রেখেছিল সেজন্য আমরা কিছু করতে পারিনি। এ কথা শুনে মড়োল সাহেব বলে আচ্ছা ঠিক আছে যে যার ঘরে যাও সকাল হোক তারপরে দেখছি কি করা যায়। এরপর সেখান থেকে সবাই যার যার ঘরে সে সে চলে যাই। এরপর মোড়ল সাহেব একা একা বাইরে কান্না করতে থাকে মেয়ের জন্য। আর কাঁদতে কাঁদতে বলে তোর ভালোর জন্যই মা আমি এতকিছু করলাম আর তুই আমাকে বুঝলি না। আসলেই প্রত্যেক বাবা-মায়েরা চাই তাদের সন্তান ভালো থাকুক। আর সন্তানের ভালোর জন্য তারা সবকিছুই করতে পারে।
এরপর দেখা যায় রিমার ননদ সোহানা ভাবি বলে ডাকছে তখন ঘর থেকে সোহাগ বের হয়ে এসে বসে এত ডাকাডাকি কেন। তখন সোহানা বলে অনেকদিন ভাবির সাথে দেখা হয়নি এজন্য। এরপর সেখানে রিমা এসে হাজির হয় এবং সোহানা কে আস্তে আস্তে বলে আমার ভাইয়ের সাথে নাকি তোমার কি চলছে। তখন সোহানা বলে আস্তে বলো ভাবি ভাই শুনতে পাবে ঠিক তখনই সোহাগ প্রশ্ন করে তোমরা এত আস্তে আস্তে কি গল্প করছো। তখন রিমা বলে আমাদের কথায় তোমার কান না দিলেও চলবে। তখন সোহাগ বলে আচ্ছা ঠিক আছে তোমরা যা পারো তাই করো।এরপর সেখান থেকে রিমা ও সোহাগ থানায় যাওয়ার জন্য একটা সিদ্ধান্ত নেই এবং রিমা বলে অনেক সহ্য করেছি আর না।এবার আমি আমার বাবা ও সুরুজ এর নামে মামলা করব। এরপর সেখান থেকে তারা দুজন থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেই এবং তারা রীতিমতো কিছুক্ষণের মধ্যে পৌঁছে যাই। থানায় গিয়ে পুলিশ অফিসার কে সব কথা খোলামেলা বলে এবং পুলিশ অফিসার তাদের সব কথা শুনে বলে মানুষ এত খারাপ কিভাবে হতে পারে। তখন সোহাগ বলে আমি বলেছিলাম না স্যার সেদিন জিমা এসব কথা বলতে পারেনা ওকে দিয়ে বলানো হয়েছিল। তখন পুলিশ বলে রিমা আপনি বলুন কি হয়েছিল। তখন রিমা বলে স্যার ওদিন সুরুজ আমাকে বলতে বাধ্য করেছিল তা না হলে ওকে মেরে ফেলবে এই কথা বলেছিল সেজন্য আমি ভয়ে বলতে বাধ্য হয়েছিলাম। তখন পুলিশ অফিসার বলে মানুষ এত খারাপ এখনো আছে। এরপর তারা জিডি করে মোড়ল বাড়ির নামে।
এরপর দেখা যায় সুরুজ মোড়ল সাহেব ও মোড়লের বড় ছেলে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে কথা বলছে। মোড়লের বড় ছেলে বলে কাল ওই ফকিন্নি মাকে নিয়ে গেল তোরা কি করছিলি।তখন সুরুজ বলে কেন তুই কোথায় ছিলি রাতে তখন মোড়লের বড় ছেলে বলে আমি তো ঘরে ছিলাম। এই কথা শুনে সুরুজ বলে তখন তাহলে আমিও ঘরে ছিলাম। এরপর মোড়ল সাহেব বলে তোমরা থামো। এবার আমাদের যা করতে হবে অনেক ঠান্ডা মাথায় ভেবে চিন্তা করতে হবে কারণ রিমা এখন ওদের কাছে। ওরা এখন যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে কিন্তু আমরা কিছুই করতে পারব না। আমাদের অনেক সাবধানে ও ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে। এদিকে দেখা যায় মাস্টার ও সুলতানা এক জায়গায় বসে কথা বলছে। যেহেতু রিমা তার শ্বশুরবাড়ি চলে গেছে এজন্য মাস্টার অনেক খুশি। সুলতানা মাস্টারকে বলে রিমা তো চলে গেছে তাহলে আপনার বিয়ে তো হলো না তখন মাস্টার বলে আমি বিয়ে করতেও চাই না। তখন সুলতানা বলে আমাকে বিয়ে করবেন তখন মাস্টার বলে আমার ভালবাসাটাই তো বুঝলা না। আমি তো বলদ।এরপর সুলতানা মাস্টারের সাথে আরেকটু মজা করে এবং সেখান থেকে মাস্টার চলে যাই। আবার এদিকে দেখা যায় রিমা ও সোহাগ থানা থেকে বাড়ি ফিরছে ঠিক সেই মুহূর্তে সুরুজের সাথে তাদের দেখা হয়ে যায়। সুরুজ তাদেরকে দেখে বলে আমি তোদের কাউকে ছাড়বো না। এরপর রিমা ও সোহাগ বলে যা তোদের কি করার আছে করে নে। বিকালে বুঝতে পারবি আমরা কি করতে পারি আর না পারি।
নাটকের এই পর্যায়ে দেখা যায় মোড়র বাড়ির বড় বউ ও মেজ বউ দাঁড়িয়ে কথা বলছে ঠিক তখনই সেখানে সুরুজের মা আসে। তারা দুই বউ মিলে সুরুজের মাকে অনেক কথা শোনায় কারণ রিমা তার শশুর বাড়ি চলে গেছে এজন্য। রিমার ছোটমা অনেক খুশি।তারা দুই বউ যখন রিমার ছোট মাকে কথা শোনাচ্ছিলো তখন রিমার ছোট মা অনেক হাসছিল। আবার তখন সেখানে মোড়লের বউ এসে হাজির হয়। এরপর মোড়লের বউ বলে তুই তো অনেক খুশি হয়েছিস ছোট বউ তাই না। তখন রিমার ছোট মা বলে খুশি হওয়ার মত খবর খুশি হবো না। এরপর রিমার মা বলে তোর ছেলে কিন্তু আমার হাতে দেখিস এমন বউ মা এনে দেবো যে তোর একদম জ্বালায় পুড়ায় শেষ করে দিবে। তখন রিমার ছোটমা বলে এই মোড়ল বাড়িতে যবে থেকে এসেছি তারপর থেকে জ্বলতে পুড়তেই আছি। তাই ওই ভয় দেখিয়ে আর লাভ নাই যা ইচ্ছা তাই করো।আবার এদিকে এ দেখা যায় রিমা ও সোহাগ বাড়ি পৌঁছেয়ে তার বাবা ও মায়ের সাথে দাঁড়িয়ে কথা বলছে। রিমার শশুর বলে আর না অনেক সহ্য করেছি এবার প্রতিশোধ নেওয়ার পালা। এ কথা শুনে রিমা বলে একদম ঠিক কথা বলেছেন বাবা যা করার এবারই করতে হবে।
এরপর দেখা যায় মোড়ল বাড়ির বড় মেয়ে সুলতানা রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরছে আর সেখানে নায়কের দুই বন্ধু উপস্থিত ছিল। মোড়ল বাড়ির চৌকিদার যখন বলছে মোড়ল বাড়ির মেয়ে আসছে সবাই সাবধান এই কথা বলা শুনে নায়কের বন্ধু লতিফ বলে ওঠে কেন মোড়ল বাড়ির মেয়েকে কি ভয় পায় নাকি আমরা। কাল রাতে ভাবিকে আমাদের হাতে দিয়ে দিয়েছে বলে কি নিজেকে অনেক মহান কিছু মনে করছে। এরপর সুলতানা বেশি কথা না বাড়িয়ে সেখান থেকে চলে যায়। আর এদিকে দেখা যায় মোড়ল বাড়িতে পুলিশ এসেছে কারণ রিমা ও তার জামাই মোড়ল বাড়ির নামে মামলা করেছে এজন্য। এই পর্বের নাটকটি এখানেই শেষ হয়ে যায়। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন। খুব শীঘ্রই পরবর্তী পর্ব আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| পোস্টের ধরন | নাটক রিভিউ |
|---|---|
| নাটকের নাম | ধনী গরিবের লড়াই পর্ব-২৮ |
| পরিচালক | সুলাইমান। |
| অভিনয়ে | ইফতি,জান্নাতুল মাওয়া, রাফি ইসলাম সৌরভ, মায়া মিম, জাহাঙ্গীর কবির ও আরও অনেকেই। |
| দৈর্ঘ | ১৮ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড |
| মুক্তির সময় | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ |
এরপর নাটকটি শেষ হয়ে যায়.............
| পোস্টের বিষয় | নাটক রিভিউ |
|---|---|
| পোস্টকারী | তানহা তানজিল তরসা |
| ডিভাইস | রেডমি নোট ১১ |
| লোকেশন | পাবনা |
এরকম নাটকগুলো আমি আগে একটু বেশি দেখে থাকতাম। তবে এখন আর খুব একটা নাটক দেখা হয় না। আমি মুভি দেখতে একটু বেশি ভালোবাসি। আর তাই সময় পেলে মুভি বেশি দেখা হয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে আবার নাটকও দেখার জন্য চেষ্টা করি। সুন্দর সুন্দর এবং শিক্ষনীয় নাটকগুলো আমার অনেক বেশি পছন্দের। নাটকের এই পর্বের রিভিউ পড়ে অনেক ভালো লাগলো।
নাটকের রিভিউ পড়ে ভালো লাগার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
দেখতে দেখতে নাটকটার ২৮ টি পর্ব শেষ হয়ে গেল। আপনি খুবই সুন্দর করে নাটকের প্রতিটা পর্বের রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন। আজকের এই পর্ব টা খুব দারুন ছিল। আর রিভিউটা পড়েও ভালো লেগেছে। এখন অপেক্ষায় থাকলাম, এই নাটকের পরবর্তী পর্বের রিভিউ পড়ার জন্য।
নাটকের রিভিউ পড়ে সুন্দর মন্তব্য শেয়ার করে পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধনী গরীবের লড়াই নাটকটা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আমি প্রায় খেয়াল করে থাকি এ নাটকটা আমাদের ফ্যামিলিতেও অনেকজন দেখে থাকে। আপনি চমৎকার রিভিউ করেছেন এই নাটকের সুন্দর একটা পর্ব। ভাল লাগল আপনার রিভিউ পড়তে পেরে।
আমার মতো আপনার পরিবারের সবাই এ নাটকটি অনেক পছন্দ করে এর জন্য খুবই ভালো লাগলো ভাই। আসলে এই নাটকটি অনেক সামাজিক এবং শিক্ষনীয়। ধন্যবাদ আপনাকে।
এ নাটকটির পর্ব দেখতে দেখতে ২৮ পর্ব এসে পৌঁছেছেন এবং খুব সুন্দর ভাবে রিভিউ আকারে নাটকটির ২৮ নম্বর পর্ব আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। খুব ভালো লাগলো রিভিউটি পড়ে ধন্যবাদ আপু ভালো থাকবেন
ধনী গরীবের লড়াই নাটকের ২৮ তম পর্ব আপনার কাছে অনেক ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
২৮ তম পর্বে খুব চমৎকার অভিনয় হয়েছে এবং যতটুকু বুঝতে পারলাম নাটকটি আসলেই বেশ চমৎকার। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে একের পর এক পর্ব গুলো শেয়ার করছেন দেখে খুব ভালো লাগলো আপু।ধন্যবাদ আপনাকে ভালো থাকবেন সব সময়।
জ্বি আপু নাটকটি সত্যি অনেক সুন্দর সময় করে নাটকটি দেখবেন আশাকরি আপনার কাছে অনেক ভালো লাগবে।