শ্বশুর বাড়ির আপ্যায়ন নাটকের রিভিউ।
আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
| শ্বশুর বাড়ির আপ্যায়ন নাটকের রিভিউ। |
|---|
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
নাটকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য |
|---|
| নাটকের নাম | শ্বশুর বাড়ির আপ্যায়ন |
|---|---|
| পরিচালক | মহিন খান |
| অভিনয় | নীলয় আলমগীর, জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি সহ আরো অনেকে |
| ভাষা | বাংলা |
| মুক্তির তারিখ | ১৬ জুন ২০২৪ |
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
আজকের নাটকের নাম দেখেই তো বুঝে গিয়েছেন যে নাটকটি কেমন হবে। প্রথমে নাটকটি শুরু হয়ে যায়৷ এখানে নায়ক এবং নায়িকা দুজন অনেক আনন্দ করে নায়িকার বাবার বাড়ি অর্থাৎ নায়কের শ্বশুরবাড়িতে আসছিল৷ যখন তারা বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে তখন সেখানে প্রথমেই তাদের কে আপ্যায়ন করার জন্য নায়কের শ্বশুর-শাশুড়ি অবস্থান করেন। সেখানে তারা তাদেরকে অনেক ভালোভাবে গ্রহণ করে নেন৷ তারা যখন সেখানে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে তখন তাদেরকে যত্ন করে প্রবেশ করানো হয়৷
তাদের এই আদর রত্ন প্রতিনিয়ত যেন অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়ে যাচ্ছিল৷ একই সাথে এখানে নায়ক এবং নায়িকাও তাদের এই আদর যত্ন দেখে অনেকটাই খুশি হচ্ছিল৷ তারা বলছিল যে শ্বশুরবাড়িতে অনেক আনন্দ এবং শ্বশুরবাড়িতে অনেক মজা৷ এরকম অনেক ধরনের কথাই বলছিল৷ এর পরবর্তীতে সেখানে নায়কের শ্বশুর-শাশুড়ি নায়ককে বিভিন্ন ধরনের উপহার দিতে থাকেন৷ একই সাথে নায়কের যে শালী ছিল সেও নায়ককে অনেক ধরনের উপহার দিতে থাকে৷ যার ফলে নায়ক আরো অনেক বেশি খুশি হয়৷
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
এর পরবর্তীতে অনেকদিন যাবত সেখানে নায়ককে তার শশুর শাশুড়ি এবং শালী সহ সবাই অনেক বেশি আদর করতে থাকে৷ এই আদর যত্ন পেয়ে নায়ক এবং নায়িকা অনেক বেশি খুশি হয়ে যায় ৷ নায়িকা বলে যে নায়কের বাবার বাড়িতে অর্থাৎ নায়িকা যেখানে তার স্বামীর বাড়ি রয়েছে সেখানে অনেক বেশি কষ্ট করে৷ সেখানে তাকে অনেক কষ্ট করে খেতে হয়৷ সেখানে তাকে বিভিন্ন ধরনের কাজকর্ম করার ফলে সে অনেক কষ্ট পায়৷ সেখানে সে আর থাকবে না৷
যেহেতু তার পিতা-মাতা অর্থাৎ নায়কের শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে অনেক বেশি পরিমাণে আদর করছে এবং তাদেরকে অনেক ভালোভাবে এখানে রাখছে তাই যেন তারা এখানে থেকে যায়৷ এখানে যেন তারা সবসময় থাকে৷ এর ফলে নায়ক এবং নায়িকা মিলে নায়কের বাবার কাছে চলে যায় এবং সেখানে তাদের সাথে অনেক ঝগড়াঝাঁটি করতে থাকে৷ সেখানে তাদের কাছ থেকে টাকার ভাগ নেওয়ার জন্য গিয়েছিল৷ সেখানে টাকার ভাগ না দেওয়াতে নায়ক এবং নায়িকা অনেকটাই রাগান্বিত হয়ে আবারো তাদের শ্বশুর বাড়িতে চলে আসে৷
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
এর পরবর্তীতে যখন অনেক দিন হয়ে যায় এবং নায়ক যখন তার বাবার বাসায় যাওয়ার জন্য আর কোন ধরনের আগ্রহ দেখাচ্ছিল না একই সাথে এসে এখানে তার শ্বশুরবাড়িতে সবসময় থেকে যাওয়ার প্ল্যান করছিল৷ ফলে সেখানে নায়িকার মা বাবা অনেকটাই ভাবনা চিন্তার মধ্যে পড়ে গেলেন৷ তারা এখন কি করবে৷ এখন যেহেতু তাদের মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে এবং সে তার স্বামীর বাড়িতে থাকবে তারা এখনো পর্যন্ত কেন তাদের বাসায় এসে পড়ে রয়েছে৷
একই সাথে এখানে নায়কের যে শ্বশুর-শাশুড়ি ছিল তারা প্রথম থেকে যেভাবে তাকে এত আদর যত্ন করেছিল, এখন আর তাদের প্রতি কোন ধরনের আদর যত্ন করার প্রস্তুতি ছিল না৷ কারণ এখানে নায়ক এবং নায়িকা কিছুদিনের জন্য এসেছিল৷ কিছুদিন যাবৎ পর তারা এখান থেকে চলে যাবে৷ তাই জন্য তারা তাদেরকে অনেক বেশি আপ্যায়ন করেছিল৷ তবে এখন যেহেতু এখানে একেবারে সব সময়ের জন্য থেকে যাওয়ার প্ল্যান করছে ফলে সেখানে নায়ক এবং নায়িকাকে তারা আর কোন ধরনের আপ্যায়ন করে না।
সবাই তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে থাকে৷ এর ফলে নায়ক এবং নায়িকার কষ্ট পেতে থাকে৷ তারা সেখান থেকে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়৷ যখন নায়কের বাবার বাড়িতে অর্থাৎ নায়িকা শশুর বাড়িতে যায় তখন সেখান থেকেও তাদেরকে পিটিয়ে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়৷ কারণ তারা আগে সেখানে গিয়ে ঝামেলা করে এসেছিল এবং বলেছিল সেখানে আর যাবে না৷
এর পরবর্তীতে সেখানে নায়ক আবারও তার শ্বশুরবাড়িতে আসে এবং সেখানে আসার পরে সে যখন তার শ্বশুরকে বলে যেহেতু এখন তার এই বাড়িতেও জায়গা হচ্ছে না এবং তার বাবার বাড়িতেও তার বাবা কোনোভাবেই ঢুকতে দিবে না এবং সে এখন নায়িকাকে নিয়ে কোথায় থাকবে৷ সে যেন এখানেই থাকে এবং এখানে যেন তার শশুর শাশুড়ি তাকে থাকতে দেয়৷ তাই তার শ্বশুর-শাশুড়ি রাজি হন। তিনি বলেন যে যেহেতু এখানে থাকতে হবে তাহলে এখানে তার কাজ করেই খেতে হবে৷
তা নাহলে এখানে তার খাবার জুটবে না৷ তাই সেখানে নায়ক বিভিন্ন ধরনের কাজকর্ম করতে থাকে এবং তার শ্বশুরের যে সকল কাজকর্মগুলো ছিল সব কিছুই সে করে৷ এর পরবর্তীতে সে কাজগুলো করার পারিশ্রমিক হিসেবে এখানে এই বাড়িতে থাকে এবং এখানে সে সব কিছু উপভোগ করতে থাকে৷ তবে শেষ পর্যন্ত সেখানে নায়কের মা-বাবা তার শ্বশুরবাড়িতে আসে এবং সেখানে তার শ্বশুর-শাশুড়িকে বলতে থাকে যে আসলে এরকম করছে কেন৷
তখন তার শশুর শাশুড়ি বলে যে তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই তারা এরকম করেছে৷ কারণ নায়কের এই স্বল্প সময়ের আপ্যায়নের ফলে সে যেভাবে এখানে সব সময়ের জন্য থেকে যেতে চেয়েছিল এটি খুবই খারাপ একটা বিষয়। ফলে তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য এই কাজটি তারা করেছেন৷ একই সাথে এখানে নায়কের বাবা-মা বলে যে তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য তারাও তাকে বাসায় ঢুকতে দেয়নি৷ এভাবেই সবকিছু আবারো ঠিক হয়ে যায় এবং নাটক এভাবে শেষ হয়ে যায়৷
আমার ব্যক্তিগত মতামত।
**নাটকটি এত অসাধারণ যা বলে বুঝানো যাবে না৷ যখন আপনার নাটকটি দেখে নিবেন তখন আপনারা নাটকের আসল সৌন্দর্য বুঝতে পারবেন৷ প্রথমে নাটকটি শুরু হয়ে যায় এবং এখানে নায়ক এবং নায়িকা অনেক খুশি ছিল৷ কারণ নায়কের শ্বশুরবাড়ির লোকজন অনেক ভালো ছিল৷ যার ফলে তারা সেখানে গিয়ে অনেক ভালো ভালো খাবার খাচ্ছিল এবং ভালো সময় অতিবাহিত করছিল৷
এর পরবর্তীতে যখন ধীরে ধীরে নায়ক এবং নায়িকা সেখানে অনেক সময় যাবত থাকে তখন সেখানে নায়কের শ্বশুর-শাশুড়ির লোকজন তাদেরকে সেখানে থাকতে সচ্ছন্দাবোধ করছিল না৷ যার ফলে তিনি তাদের খাবার বন্ধ করে দিলেন৷ সেখানে একেবারে সাধারণ খাবার তাদেরকে দেওয়া হচ্ছিল৷ যার ফলে তারা আর সেখানে থাকার জন্য আগ্রহী হয় না৷ পরবর্তীতে যখন সে তার বাসায় যায় তখন তার বাসার যে বাবা এবং তার ভাবি ছিল তারাও তাকে বাসা থেকে তাড়িয়ে দেয়৷
কারণ কিছুদিন আগেই সে তার শ্বশুরবাড়িতে থাকার স্থায়ীভাবে থাকার জন্য সে তার আসল পরিবারের কাছ থেকে সবকিছু নিয়ে যাওয়ার জন্য এসেছিল এবং সেখানে তাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ঝামেলা হয়েছিল৷ তবে এখন যখন সে আবারও তাদের বাড়িতে আসে তখন তার বাবা তাকে আর বাড়িতে থাকার অনুমতি দেন না৷ বলেন যে সে যেন তার শ্বশুরবাড়িতে থাকে৷ এর পরবর্তীতে সেখানে তার শ্বশুরবাড়িতে থাকার জায়গা দেওয়া হয় না৷ এর পরবর্তীতে সেখানে কাজের বিনিময়ে তার শ্বশুর বাড়িতে থাকা খাওয়ার চিন্তা করেছিল৷
ধীরে ধীরে সে অনেকদিন যাবত যেখানে কাজ করতে থাকে৷ এর পরবর্তীতে সে যখন তার ভুল বুঝতে পারে এবং তার পিতা-মাতা সহ তার শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে ভালোভাবে বুঝাতে থাকে তখন সে সেখান থেকে চলে যায়৷ সে বলে যে তার শ্বশুরবাড়িতে অল্প কিছুদিনের জন্য এসেছিল এবং সেই আপ্যায়ন সেই গ্রহণ করে সেখান থেকে চলে যাওয়া উচিৎ৷ সবসময় এখানে থাকলে আর তার সেই আপ্যায়নের গুরুত্ব থাকেনা৷
আসলে আমরা আমাদের বাস্তব জীবনেও এমন অনেক মানুষকে দেখতে পাই৷ যারা শ্বশুরবাড়ির এই স্বল্প সময়ের এই আপ্যায়নের জন্য একেবারে পাগল হয়ে যায়৷ সেখানে সবসময় থেকে যেতে চায়৷ তবে সেখানে সব সময় থাকা যাবে না৷ কিছু সময় পর সেই আপ্যায়ন চলে যাবে৷ তাই আমাদের উচিত নির্দিষ্ট সময় সেখানে বেড়ানো এবং তারপর আমাদের নিজের বাড়িতে থাকা।**
| আমার ব্যক্তিগত মতামত অনুসারে নাটকের রেটিংঃ |
|---|
৯.৮/১০
সমাপ্ত
ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের মত এখানে বিদায় নিচ্ছি।আগামিতে অন্য কোন নাটকের রিভিউ নিয়ে আবারও হাজির হবো।ভালো থাকবেন সবাই।আর কষ্ট করে রিভিউটি যারা পড়ছেন তাদেরকে মনের অন্তস্থল থেকে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আজ আর নয়, আপনার নিকটতম এবং প্রিয়জনদের সাথে সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন, নিজের যত্ন নিন। আপনার দিনটি শুভ হোক।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | নাটক রিভিউ । |
| অবস্থান | বাংলাদেশ |
আমি বাংলাদেশ থেকে ইমদাদ হোসেন নিভলু।আমার স্টিমিট আইডি হল @nevlu123।আমি আমার বাংলা ব্লগের একজন ভেরিফাইড মেম্বার।২০১৮ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আমি স্টিমিট এ কাজ করি।আর এই প্লাটফর্মে জয়েন করি শখের বসে। আর সে থেকেই আজ অব্দি ভালোলাগা থেকেই কাজ করি।জাতিগতভাবে আমি মুসলিম। কিন্তু ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি। কারণ আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি।আমার সবচাইতে বড় শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করা।এ পর্যন্ত আমার তিনটি দেশ ভ্রমণ করা হয়েছে যদিও আরও ইচ্ছে রয়েছে অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করার।যাইহোক শখের মধ্যে আরো রয়েছে গান,ভিডিও ইডিটিং, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি,আর্ট এবং টুডি থ্রিডি ডিজাইন এর কাজ।

https://x.com/Nevlu123/status/1897847015213875595
শ্বশুর বাড়ির আপ্যায়ন নাটকটা আমি দেখেছিলাম। আর আমার কাছে তো তখন অনেক ভালো লেগেছিল নাটকটা দেখতে। আর আজকে আপনি নাটকের রিভিউ শেয়ার করেছেন দেখে আরো বেশি ভালো লাগলো। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি সুন্দর করে এই নাটকের কাহিনীটাকে রিভিউর মাধ্যমে সবার মাঝে তুলে ধরার জন্য।
ধন্যবাদ রিভিউ পড়ে মন্তব্য করার জন্য। নাটকটি আসলেই দারুন ছিল।।
ভাইয়া আপনি আজকে অনেক সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।নিলয় আলমগীর অনেক সুন্দর অভিনয় করে, তার নাটক আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।আপনার শেয়ার করা নাটকটি আমার এখনো দেখা হয়নি।সময় করে নাটকটি দেখে নেওয়ার চেষ্টা করবো ভাইয়া।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ পলাশ ভাই মন্তব্য করার জন্য, নাটকটা আসলেই চমৎকার।
বাহ জামাইদেরকে শ্বশুর বাড়িতে যে পরিমাণ আপ্যায়ন করেন সেগুলো দেখলে আসলে হিংসে হয় 😀😀। আপনি সুন্দর একটি নাটক দেখলেন শ্বশুর বাড়িতে জামাই আপ্যায়ন নিয়ে। অনেক ভালো লেগেছে নাটক রিভিউ টি শেয়ার করার জন্য।
বাস্তব প্রেক্ষাপট এর নাটক ধন্যবাদ আপু।
এটা ঠিক, কারো বাসায় খুব বেশিদিন থাকলে সেখানে গুরুত্ব কমে যায়। বাস্তব জীবনের খুব সুন্দর একটা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে নাটকে। এ ধরনের নাটক গুলো দেখতে ভালই লাগে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে পুরো নাটকের গল্প উপস্থাপন করেছেন। সময় করে দেখার চেষ্টা করব। এত সুন্দর নাটক রিভিউ শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
জি আপু নাটকটি আসলেই সুন্দর ধন্যবাদ আপনাকে,।
আমার কাছে নিলয় এবং হিমির নাটক গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। তাদের নাটক গুলো আমি মাঝেমধ্যেই দেখে থাকি। আজকে আপনি অনেক সুন্দর করে তাদের একটা নাটকের রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। এই নাটকের কাহিনীটা অনেক সুন্দর ছিল, আমার অনেক ভালো লেগেছে রিভিউ টা পড়ে।
নাটকটি আসলেই অনেক সুন্দর ধন্যবাদ,।।
নাটকের চরিত্রগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে শ্বশুরবাড়ির আপ্যায়নের সময় চরিত্রগুলোর মধ্যে যে টানাপোড়েন এবং মিথস্ক্রিয়া দেখা যায়, তা দর্শকদের মনে দাগ কাটে। চরিত্রগুলোর আবেগ এবং মানসিক দ্বন্দ্ব খুব ভালোভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আপনার নাটক রিভিউটি পড়ে মনে হলো যে নাটকের কাহিনী অনেক সুন্দর এবং আকর্ষণীয়।
আসলে এই কাহিনীটি অনেক চমৎকার।।
বাস্তবিক কিছু রূপরেখা এই নাটকের মধ্যে তুলে ধরেছে এবং খুব সুন্দর ফুটে উঠেছে নাটকটি। আসলে রিভিউ পড়লে নাটকের চিত্রগুলো মাথায় ধারণ হয়ে যায়। ধন্যবাদ সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করার জন্য। ভালো থেকো সব সময়।
অনেক অনেক ধন্যবাদ তোমাকে রিভিউটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য /।