নাটক রিভিউ :- আরমান ভাই হানিমুনে। পর্ব :- ৪
আসসালামু আলাইকুম। আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন আমি @tuhin002 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৫ - ০৯ - ২০২৩)
আসলামু আলাইকুম,আমার স্ট্রিম বন্ধুগন। আশা করি আল্লাহুর রহমতে আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন। আপনাদের দোয়ায় আমিও ভালো আছি। আমি @tuhin002। আজকে আমি খুব সুন্দর একটি নাটক রিভিউ করতে ইচ্ছা পোষণ করেছি। আর তাই আজকে আমি যে নাটকটি শেয়ার করতে যাচ্ছি, সেই নাটকের নাম" আরমান ভাই হানিমুনে , পর্ব- ৪" নিচে স্ক্রিনশটের মাধ্যমে ধাপে ধাপে তুলে ধরা হলো ....
নাটকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য। |
|---|
| নাটকের নাম | আরমান ভাই হানিমুনে পর্ব -৪। |
|---|---|
| পরিচালক | সাগর জাহান। |
| অভিনয় | জাহিদ হাসান, তিশা, আরফান,মুনিরা,মিঠু, বাদল, সাগর জাহান,ডাক্তার এজাজুল হক ও আরো অনেকে। |
| দৈর্ঘ্য | ৪২ মিনিট ২৭ সেকেন্ড |
| ভাষা | বাংলা |
| মুক্তির তারিখ | ১৯ জুন ২০২০ ইং। |
নাটকের সার-সংক্ষেপ । |
|---|
গত পর্বে শেষের দিকে আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছিলেন যে, জাহিদ হাসান মাথায় হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। এর প্রধান কারণ ছিল তিশা তার বন্ধুর সাথে কথা বলছিল। এ পর্বে প্রথম দিকে এখনো দেখতে পাচ্ছেন জাহিদ হাসান হাতে স্যান্ডেল দিয়ে নিচে জোরে করে একটা বাড়ি মারলো। এর কারণ আছে,, তখনও সে অর্থাৎ তিশা তার বন্ধুর সাথে কথা বলছে। আর এর কারণে জাহিদ হাসান এমনটা করেছিল। এটা করার পরে তিশা তখন তার বন্ধুকে বললো এখন ফোনটা রাখছি, পরে তোমার সাথে কথা হবে। বন্ধুর সাথে কথা বলা নিয়ে জাহিদ হাসানের একটু রাগ হচ্ছিল তা বোঝা যাচ্ছে।
তিশা যখন তার বন্ধুর সাথে কথা বলছিল, তখন তিশা তার বন্ধুকে একটা রেস্টুরেন্টে খাওয়ার জন্য দাওয়াত করছিল। আর সে দাওয়াত খাওয়ার জন্য জাহিদ হাসান তিশা এবং তিশার বন্ধু একটা রেস্টুরেন্টে আসছিল। এই নাটকের আরেক জন জনপ্রিয় অভিনেতা ডাক্তার এজাজুল হক যেহেতু ওই হোটেলে ছিলেন, তখন তারা ওখান দিয়ে যাচ্ছিল, তিশা ডাক্তার এজাজুল হকের স্ত্রীকে চিনতে পারে কারণ, একটা সময় ডাক্তার এজাজুল হকের স্ত্রী বাসায় সে বাসা ভাড়া করে থাকতো। তাদেরকে ডেকে একসাথে পরিচিত হয় এবং রাতের ডিনারটা তারা সবাই একত্রে মিলে খেয়ে থাকে। এখানে মজার কিছু ঘটনা রয়েছে যেগুলো দেখলে খুব ভালো লাগবে আপনাদের।
জাহিদ হাসানের এদিকে কক্সবাজারে হানিমুন এসেছে।সেহেতু তার ছোট ভাইয়েরা সবাই তাদের ব্যবসা দেখছে। এ সময় আরফিন এবং তার আরো সঙ্গীরা একত্রে মিলে রাস্তায় গান বলতে বলতে যাচ্ছিল। কেউ কলা খাচ্ছিল এমন সময় ফোন আসে। আরেফিন ফোনটা ধরে দেখে জাহিদ হাসান ফোন দিছে। তখন সে বলে ভাই আপনার কি হয়েছে। তখন জাহিদ হাসান আরিফেনকে বলে আমি তো বিয়ে করে আমার তো কোন শান্তি পাচ্ছি নারে, এখানে তো লাচ্ছি পাওয়া যাচ্ছে না ভাই তুই এখানে চলে আয় আর আমার জন্য লাচ্ছি সাথে করে নিয়ে আয়।
এরপরে দেখা যায় তার সঙ্গীরা অর্থাৎ আরেফিনরা তার কাছে চলে আসে। তখন জাহিদ হাসান তাদের বলে এখানে যত খরচ করচা যা হবে সব আমার, তোরা খাবি এবং ঘুরে বেড়াবি। এর মধ্যে যেহেতু পুরান ঢাকার লাচ্ছি সবচেয়ে বিখ্যাত তাই সে কি করেছে লাচ্ছি সাথে এক বোতল এবং যিনি লাচ্ছি বানাতে পারদর্শী তাকে সাথে করে নিয়ে এসেছে। আরে এই লোকটাকে এখানে নিয়ে আসার জন্য জাহিদ হাসান অত্যন্ত খুশি হয়েছে। যখন তখন লাচ্চি খেতে পাবে। আসলে জাহিদ হাসান খুব বেশি লাচ্ছি খেতে ভালোবাসে। সে এত বেশি খুশি হয়েছিল সে তাদেরকে বুকে জড়িয়ে ধরে রাখছিল।
এই নাটকের এই পর্বে এই মুহূর্তটা সবচেয়ে রোমাঞ্চকর। এখানে ডাক্তার এজাজুল হক তার স্ত্রীর সাথে কিছু কথোপকথন করেছিল, যেটা আমার এত ভালো লেগেছিল যে বলে বোঝাতে পারবো না। আসলে তিনি অনেকদিন সৌদি আরবে থাকার কারণে যেকোনো কথায় কথায় আরবীয় ভাষা ব্যবহার করেন। আর একটা বিষয় সবাই জানেন যে মেয়েদেরকে একটু প্রশংসা করলে তারা বেশ খুশি হয়। তাই এজাজুল হক তার স্ত্রী সম্পর্কে যেসব কথা বলছিল তাতে তার স্ত্রী খুশিতে আত্মহারা হয়ে উঠেছিল।
যেহেতু অনেকদিন পরে ছোট ভাইদের সাথে সেভাবে কথা বলা হয়নি তাই একটা স্থানে জাহিদ হাসান বসে তার ছোট ভাইদের সাথে কথা বলে। এবং এখানে বেশ কিছু আলোচনা করে। আর এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো হোটেলে খাওয়া দেওয়া সম্পর্কে। আসলে টাকার পরিমাণ বেশি নেয়, কিন্তু সেই মোতাবেক তারা খাবার নিম্নমানের দেয়। জাহিদ হাসান এটা সমাধান করার জন্য তাদের ছোট ভাইয়ের সাথে কথা বলছিল। আরো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তারা একে অপরের আলোচনা করছিল।
এখানে আপনারা দেখতে পারছেন একে অপরের মারামারি করছে। আসলে এখানে একটা ঘটনা ঘটে। আর এই ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে অবশ্যই আপনাদেরকে এই নাটকের এই অংশটি দেখতে হবে। এখানে চমৎকার কিছু ঘটনা রয়েছে। যেটা আপনাকে খুবই উৎফুল্ল করবে এবং আপনি অনেকটা আনন্দ পাবেন। এই নাটকের এই অংশের মধ্যে দিয়ে। নাটকের বেশ কিছু জায়গায় খুবই সুন্দর ঘটনা হয়েছে, তার মধ্যে এই জায়গাটি বেশ ভালো রকম একটা ঘটনা ঘটেছিল। আর অবশ্যই ঘটনাটি শুটিং কেন্দ্রিক।
এই নাটকের প্রত্যেকটা জায়গায় হাসির অংশ থাকলেও শেষের অংশটা ছিল একটু দুঃখজনক। কারণ এখানে তিশা এবং এজাজুল হকের স্ত্রী কথা বলছিল একে অপরে। আসলে তাদের সন্তান হয় না এই বিষয়টা নিয়ে তারা আলোচনা করছিল। আর এই আলোচনাটা করতে গিয়ে এজাজুল হকের স্ত্রী কেঁদে পড়ছিল। তখন তিশা তাকে জিজ্ঞাসা করছিল আপু আসলে সমস্যাটা আপনারা না ভাইয়ের। তখন সে বলেছিল কারোরই সমস্যা নয় কিন্তু কেন যে এটা হচ্ছে সেটা তারা বুঝতে পারছে না। আসলে স্বামী স্ত্রীর জন্য সন্তান কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
আজ এই পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ।
আরমান ভাই হানিমুনে এই নাটকের তৃতীয় পর্ব এটি। এই নাটকটি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। এই পর্বে বেশ কিছু ভালো জিনিস তুলে ধরা হয়েছে। তার মধ্যে নিজের স্ত্রী অন্য কারো সাথে কথা বলে নিজের সহ্য হয় না। দ্বিতীয়তঃ স্ত্রীকে যদি প্রশংসা করা যায় তাহলে সে অনেক খুশি হয়। তৃতীয়ত স্বামী স্ত্রী বিয়ের পরে সবার ইচ্ছা তাকে একটা সন্তানের। আর এটা থেকে যদি বঞ্চিত থাকে তাহলে কতটা কষ্ট পায় সে অংশটা এখানে তুলে ধরা হয়েছে। ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন,ধন্যবাদ সকলকে।
ব্যক্তিগত রেটিং । |
|---|
নাটকটিতে আমি আমার ব্যক্তিগত রেটিং পয়েন্ট ১০ এর মধ্যে ৯.৬ দিবো।
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খায়রুল আলম তুহিন। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার একটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/ABashar45/status/1698908084981383245?t=tNSIx6vSbF9QPP16_Fh2gQ&s=19
সেই ছোটকাল থেকেই জাহিদ হাসানের নাটক দেখে আসছি। তার অভিনয় করা প্রতিটি নাটক অনেক সুন্দর এবং হাসির হয়ে থাকে। আপনার রিভিউ পড়ে দেখলাম এই নাটকটিও তার ব্যতিক্রম না। নাটকটি পড়ে খুবই মজা পেয়েছি। নাটকটি আমার দেখা হয়নি সময় পেলে অবশ্যই নাটকটি দেখে নেব। ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর নাটক আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জাহিদ হাসানের নাটক মানে অন্যরকম একটা জোশ। নাটকে তার অভিনয় গুলো কত নিখুঁতভাবে তিনি করে থাকেন। সে একজন উত্তম অভিনেতা।
চমৎকার একটি নাটকের রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাইয়া। আরমান ভাই হানিমুনে নাটকের নাম শুনে বোঝা যাচ্ছে গল্পটা অনেক সুন্দর। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া
নাটকটি অনেক সুন্দর আপু সময় পেলে একদিন দেখে নিবেন ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
অনেক মজার একটি নাটক আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাইয়া। যদিও এই নাটকটির প্রথম পর্বটি আমি দেখেছিলাম। তারপরে আর তেমন সুযোগ হয়নি নাটকটি দেখার। তবে আবারো কিছুটা দেখে নিলাম আপনার পোস্ট পড়ে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
জাহিদ হাসান আমার খুবই প্রিয় একটি অভিনেতা।তার প্রতিটি নাটকগুলো আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আজকে এই নাটকের চার নম্বর পর্বের রিভিউ নিয়ে চলে এসেছেন আপনি৷ খুবই সুন্দর ভাবে আপনি এই নাটকের রিভিউ করেছেন৷ খুবই ভালো লাগলো এই রিভিউ দেখতে পেরে। যদিও এই নাটকটি আমি এখনো দেখে নিতে পারিনি৷ তবে আমি আপনার দেওয়া এই লিংক থেকে এই নাটকটি দেখে নেওয়ার চেষ্টা করবো৷ আপনার এই রিভিউ দেখে খুবই ভালো লাগলো৷
ভাইয়া কখনো সুযোগ পেলে নাটকটি একবার দেখবেন খুবই চমৎকার একটা নাটক। আপনার অনেক ভালো লাগবে ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।