অন্যকে ছোট করে, নিজে বড় হওয়ার মধ্যে কোনো মহত্ব নেই।
সকলকে শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও বেশ ভাল আছি। আর আপনারা সবাই সবসময় ভালো থাকবেন, এটাই প্রত্যাশা করি।
বন্ধুরা অন্যকে ছোট করে নিজে বড় হওয়ার মধ্যে কোন বিরত্ব নেই।অন্যকে বড় করতে পারলেই কেবল নিজে বড় হওয়া সম্ভব।তাই জীবন চলার পথে আমরা আমাদের সমাজে দেখতে পাই, একজন আরেকজনকে ছোট করে কথা বলে। কিংবা নিন্দা করে। কিংবা সমালোচনা করে, অনেক বেশি আনন্দিত বোধ করে।আর মনে মনে ভাবে আমি খুব বড়ো কাজ করলাম।এটা কখনই বড় কাজ হতে পারে না।আমরা যদি অন্যকে সম্মান দিতে না পারি তাহলে নিজেরা সম্মানিত হতে পারব না।আমাদের আচরণগত বৈশিষ্ট্য আমাদের মনুষ্যত্বকে এবং ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে।যে মানুষগুলো আজ আপনার সমালোচনা করছে কাল আমার সমালোচনা করবে এটা তার স্বভাব যত কাজ।আর তাই সমালোচনাকারী থেকে সাবধান থাকতে হবে।এরা যে কোন সময়, যে কোন মুহূর্তে, আপনার চরম ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে তারা আপনার সম্মানহানি করতে এতোটুকুই চিন্তা করার সময় নেয় না।এরা বিষাক্ত সাপের চেয়েও ভয়ংকর বিষাক্ত হতে পারে।কোন ভাল মানুষ সহজে অন্যের সমালোচনা করে না কিংবা অন্যকে ছোট করে নিজেকে কখনো বড় ভাবতে পারেনা।জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ ব্যক্তিবর্গ আত্ম সমালোচনাকারী হয় বেশি।মানুষ হিসেবে প্রতিটি মানুষকে আমার সম্মান স্নেহ ভালোবাসা মানবাধিকারের আওতায় আসে।আমরা যদি নিজেকে বড় ভাবতে চাই তাহলে সবার আগে ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে হবে।আপনার কাজ এবং আচরণের মধ্য দিয়েই মানুষ আপনাকে বড় বলতে বাধ্য হবে, আপনাকে সম্মান করতে বাধ্য হবে, আপনাকে স্যালুট করতে বাধ্য হবে, তাই আসুন বেশি বেশি ভাল কাজ করি। আত্মসমালোচনা কারী হই। এবং অন্যকে সম্মান করি।সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখি।নিজের মধ্যে যতটুকু জ্ঞানের আলো আছে ততটুকু বিলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করি।নতুন প্রজন্মকে আলোকিত করতে আমাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
আর ভালো মানুষ হওয়ার প্রাথমিক কারখানা হচ্ছে এবং মূল ভিত্তি প্রস্তর হচ্ছে নিজেদের পরিবার।তাই একজন মানুষকে আলোকিত মানুষ জ্ঞানী মানুষ ভালো মানুষ তৈরি করতে হলে শুরুটা করতে হবে পরিবার থেকেই। ছোট ছোট শিশুরা আমাদের চারপাশে যা যা দেখেন তাই তাই শিখে।তাই আমাদের পরিবার গুলোতে যদি ভালো মানুষ হওয়ার ভালো আচরণগত বৈশিষ্ট্য গুলোর চর্চা চালিয়ে যাওয়া যায় তাহলে হয়তো প্রতিটা পরিবার থেকে আলোকিত এবং ভালো মানুষ আগামীর প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম উপহার দিতে পারবে।তাই সকলের কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ করবো আমরা কেউ যেন কাউকে অপমানিত করে নিজের শান্তিতে সুখে থাকার কথা ভুলে যাই।অন্যকে কষ্ট দিয়ে নিজে ভালো থাকার মধ্যে তেমন কোনো মহত্ব নেই।আমাদের খুব বেশি লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে আমাদের আচরণে কেউ যেন কষ্ট না পায়কারো উপকার করতে না পারলেও আমাকে দিয়ে যেন কারো কোনো রকমের ক্ষতি না হয়ে যায় সেদিকে আমার খুব ভালোভাবে দৃষ্টি দেয়া উচিত। বিশেষ করে খুব কাছের মানুষেরা খুব বিশ্বস্ত মানুষেরা যখন ঠিক এভাবে অপমানিত করে অবহেলা করে তখনকার যে কষ্ট সেই কষ্ট গুলো আসলে আবেগ দিয়ে বোঝানোর ক্ষমতা আমার নেই।আজকের এই ছোট-ছোট কথাগুলো আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বললাম।কারণ জীবনে যতবার মানুষের উপকার করতে গিয়েছি ততবার এই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি হেনস্তার শিকার হয়েছি অপবাদ পেয়েছি।তারপরেও মানুষের উপকার করা ছেড়ে দেই নি।ইনশাআল্লাহ আগামীতেও মানুষের জন্য কাজ করে,পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে চাই।
আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি,
সব মানুষ মানুষের জন্য নয়
কিছু কিছু মানুষ মানুষের জন্য।
আসুন আমরা মানবিক হই। মনুষ্যত্বকে জাগিয়ে তুলি। মানবতার জয়ে কাজ করে যাই আজীবন।এই হোক আমাদের নিত্যদিনের পণ।
সবাই ভাল থাকবেন। সুস্থ থাকবেন। আগামীতে আবারও নতুন নতুন আয়োজন নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। এই প্রত্যাশায় আজকের মত এখানেই। টা টা,,♥♥
আমি সেলিনা সাথী। আমার প্রফেশন, প্রেজেন্টার, ট্রেইনার ও মোটিভেটর। আমি একজন সমাজ কর্মি ও সংগঠক। এছারা ও তৃনমূল নারী নেতৃত্ব সংঘের নির্বাচিত সভাপতি বাংলাদেশ। আমি "নারীসংসদ"
এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি "সাথী পাঠাগার"। আমার লেখা মোট ১০ টি একক ও যৌথ কাব্য গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। একুশে বই মেলায় প্রতি বছর একটি করে কাব্য গ্রন্থ প্রকাশের চেস্টা করি। আমার লেখা কাব্যগ্রন্থের মধ্যে "মিস্টি প্রেম" (উপন্যাস), "অশ্রু ভেজা রাত" (কবিতা), "জীবন যখন যেমন" (কবিতা), "একুশের বুকে প্রেম" (কবিতা), "নারীকন্ঠ" (ম্যাগাজিন) অন্যতম।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন আপু আমি অনেক দেখেছি আমার এই ছোট্ট জীবনে আমাদের সমাজে অনেকেই আছে মানুষকে নিয়ে ছোট করে কথা বলে। আসলে কথাগুলো শোনার পরে নিজের কাছে অনেক খারাপ লাগে। আপনি একদম ঠিক বলেছেন আপু আমাদেরকে সমালোচনাকারী থেকে সাবধান থাকতে হবে। আসলে আপু ওই কষ্টগুলো আমি মনে করি আবেগ দিয়ে কোন মানুষের বোঝানো সম্ভব না। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর ভাবে একটি পোস্ট লিখে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমাদের সমাজে প্রায় অনেক মানুষ এমন আছে, যারা নিজেদেরকে সবজান্তা শমসের মনে করেন। তাঁরা মনে করেন তিনি যা বোঝেন সেটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড়। এবং তারচেয়ে জ্ঞানের অধিকারী আর কেউ হতে পারে না।এরকম ফুল কাপ লোগ থেকে আমাদের দূরে থাকাই শ্রেয়।♥♥
একদম সত্যি বলেছেন আপু যারা মানুষের সমালোচনা করে তারা বিষাক্ত সাপের চেয়ে ও খারাপ। আসলে আপু নিজেকে বড় ভাবার কিছুই নেই, মানুষের মতো মানুষ হলেই জীবনে বড় হওয়া যায়। আপু মানুষের উপকার করতে গিয়ে ক্ষতি গ্রস্ত হওয়া স্বাভাবিক। আপনি ঠিক বলেছেন অন্যকে কষ্ট দিয়ে নিজে ভালো থাকার মধ্যে তেমন কোনো মহত্ব নেই।ধন্যবাদ আপু সুন্দর লিখেছেন।
এরকম সমালোচক এবং অভিশপ্ত বিষধর সাপ থেকে আমাদের দূরে থাকতে হবে নিজেদের সুরক্ষিত রাখার জন্য♥♥
প্রথমে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু। আপনি খুব সচেতন জ্ঞানমূলক একটি পোস্ট আমাদের মাঝে সৃষ্টি করেছেন। আমি টাইটেল পড়ে প্রথমে বুঝতে পেরেছি আপনি বেশ সুন্দর কিছু একটা আমাদের উপহার দিতে যাচ্ছেন। যার মধ্যে রয়েছে সচেতন দৃষ্টি ভঙ্গি নিহত। যাহোক বিস্তারিত পড়ে আমার অনেক ভালো লেগেছে।
আমার এই সচেতনতামূলক পোস্টটি পড়ে আপনার ভালো লেগেছে, জেনে খুশি হলাম। হ্যাঁ আমরা নিজেরা যদি বদলে যাই, ঠিক একদিন সমাজ-রাষ্ট্র পরিবারের সবাই বদলে যাবে। আমি আশাবাদী।
♥♥
আপু ধারুন একটি টপিক নিয়ে আলোচনা করেছন। অন্যকে ছোট করে, নিজে বড় হওয়ার মধ্যে কোনো মহত্ব নেই। আমরা প্রাথমিক শিক্ষাটা পরিবার থেকেই পায়। আর প্রত্যেকের ব্যবহারেই তার পরিবারের অবস্থান বুঝা যায়। ধন্যবাদ আপু।
আসলে এই বিষয়গুলো হচ্ছে অনেক শিক্ষণীয়। এবং উপলব্ধি করার বিষয়। যা অনেকের ভাল লাগে। আর অনেকেই গুরুত্ব দেয় না।এই টপিকটা আপনার ভালো লেগেছে এজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা আপনার প্রতি।
♥♥