আপাতত কয়েকদিনের জন্য গ্রামে
পৃথিবীতে কত রকম সমস্যা নিয়ে মানুষ বেঁচে আছে, তাদের সমস্যার তুলনায় হয়তো আমার সমস্যা খুবই নগণ্য। তবে যার যার অবস্থান থেকে তার তার সমস্যাই বেশ যৌক্তিক।
কয়েকদিনের ভারী বর্ষণের উপর ভিত্তি করে বেশ কিছু লেখা লিখেছি , কই কোন কিছুরই তো সমাধান হয়নি বরং প্রকৃতি তার নিজের গতিতেই চলছে বা চলবে এটাই স্বাভাবিক। এখন কথা হচ্ছে, আপনি কিভাবে ভারসাম্য বজায় রেখে এরই মাঝে বেঁচে থাকবেন, এটাই হচ্ছে মুখ্য বিষয়।
যেহেতু ইতিমধ্যেই বাসার সবাই অসুস্থ হয়ে গিয়েছে, বিশেষ করে ঠান্ডা জ্বরে ভুগছে। তাই অনেকটাই ঝামেলার ভিতরে আছি। যেহেতু রাস্তা সংলগ্ন বাসা আমার, তাই ক্রমাগত বৃষ্টির কারণে রাস্তার পানি ঘরের ভিতরে চুঁইয়ে চুঁইয়ে প্রবেশ করেছে। বলা যায়, অনেকটাই বিরক্তিকর অবস্থা। যেহেতু বৃষ্টি কমার কোন সম্ভাবনা দেখছি না বরং ক্রমাগত বৃষ্টি ঝরেই যাচ্ছে, তাই সন্ধ্যের আগে এক প্রকার সিদ্ধান্ত নিয়েই বসলাম গ্রামে যাওয়ার।
অন্তত গ্রামে গেলে আমার পরিবারের লোকজনদেরকে কিছুটা হলেও আমার শাশুড়ি দেখাশোনা করতে পারবে। তাছাড়া এ অবস্থায় যদি শহরে থাকা যায়, তাহলে হয়তো আমি নিজেও মানসিকভাবে আরো ভেঙে পড়তে পারি। তাই সবদিক বিবেচনা করে মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিলাম, আপাতত যে কয়দিন পরিবারের সবাই সুস্থ হয়ে ওঠেনি বা যতদিন চারিপাশের পরিবেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হচ্ছে, ঠিক সেই কয়টা দিন গ্রামে গিয়ে কাটাবো।
যখন বাসা থেকে বেরোনোর চেষ্টা করলাম, তখনও দেখছিলাম আবহাওয়া প্রচুর মেঘলা এবং ঝিরিঝিরি বৃষ্টির সঙ্গে হালকা ঠান্ডা বাতাস বইছে। তার মাঝেই অটোরিক্সাতে চেপে নিজেদের ব্যাগপত্র নিয়ে, অবশেষে রওনা দিলাম গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে। খানিকটা পথ যেতে না যেতেই, আবহাওয়ার অবস্থা আরো নাজুক হতে লাগলো। বৃষ্টির বেগ ক্রমেই যেন বাড়ছিল। তবে সবকিছু অতিক্রম করে অবশেষে সন্ধ্যার খানিকটা পরেই গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে গেলাম।
এখন কিছুটা স্বস্তিবোধ লাগছে নিজের কাছে। কারণ এখানে আর যাইহোক পরিবারের লোকজনদেরকে নিয়ে খুব একটা বেশি চিন্তা করতে হয় না। আমি অনেকটা বিশ্রামে যাওয়ার চেষ্টা করলাম, বেশ ভালই ধকল গিয়েছে নিজের উপর দিয়ে। তাই আপাতত কয়েকটা দিন গ্রামে থেকে সেই ধকলটা কাটিয়ে উঠতে চাই।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
হীরা আপুর পোস্ট পড়ে জানতে পেরেছিলাম আপু এবং শায়ান বাবু অসুস্থ। তখনই ভেবেছিলাম আবারও হয়তো গ্রামে যেতে হবে আপনাদেরকে। কারণ সেখানে যেহেতু অনেক মানুষ রয়েছে, এতে করে আপু এবং শায়ান তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবে। আপনিও অনেকটা টেনশন মুক্ত থাকতে পারবেন। আসলে পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে এমনিতেই ভালো লাগে না। যাইহোক কয়েকটা দিন আরামে থাকেন গ্রামে। তাহলে মনটাও একেবারে ফ্রেশ হয়ে যাবে। যাইহোক আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল ভাই।
আসলে শহরের বাসায় সবাই অসুস্থ হয়ে পড়লে, রান্না করার বেশ সমস্যা হয়ে যায়, তাই বাধ্য হয়ে গ্রামে আসা ভাই। ধন্যবাদ আমার অনুভূতি বুঝতে পারার জন্য।
https://twitter.com/sharifShuvo11/status/1710591458724696440?t=3wdttu-DAS1-y8twykUnvQ&s=19
একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া,প্রকৃতি তার নিজস্ব ধারাবাহিকতায় চলবে।আমরা কিভাবে মানিয়ে নিয়ে চলবো সেটাই মুখ্য বিষয়।রাস্তা সংলগ্ন বাসা হওয়ায় বেশ সমস্যায় আছেন দেখছি ভাইয়া।এটা একদম ঠিক করেছেন যে পরিবার নিয়ে বাড়িতে গিয়ে।কেননা সবাই অসুস্থ থাকলে একটা চাপ থেকেই যায় বাসায়।আর গ্রামে গেলে পরিবারের লোকের মাঝে থাকলে অত সমস্যায় পড়তে হয়না, দেখাশোনার অনেক লোক থাকে নিজেদের।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
এমনটাই তো আমিও ভাবি আপু, ভারসাম্য বজায় রেখে জীবন চালাতে হবে।
আসলে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়েছে এই জন্যই সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। যাইহোক বেশ ভালো উদ্যোগ নিয়েছেন কারণ আপনার পরিবারের সদস্য গুলোকে আপনার শাশুড়ি সেবা দিতে পারবে আর আপনিও মানসিক চাপ থেকে অনেকটাই মুক্তি পাবেন।
আসলে নিজেকে মানসিক চাপ থেকে দূরে রাখতেই এখানে আসা ভাই।
আসলে একা থাকলে একটা পরিবারকে সামলানো কঠিন হয়ে পরে। আর পরিবারের সবাই যদি একসাথে অসুস্থতায় ভুগে তাহলে আরও কঠিন হয় ব্যাপারটা। এখন যে ওয়েদার, বৃষ্টি থামার লক্ষণ দেখি না! তবে এমন বৈরি আবহাওয়ার মাঝেও আমাদের টিকে থাকতে হবে। অবশেষে গ্রামে পৌঁছেছেন জেনে ভালো লাগলো। আশা করছি আপু, শায়ান সবাই এখন মোটামোটি সুস্থ্য আছে 🙏🍀
হ্যাঁ ভাই, গ্রামে আসার পর থেকে ওরা কিছুটা হলেও স্বস্তিতে আছে।
বাসায় কেউ অসুস্থ থাকলে আসলে ভীষণ খারাপ লাগে। ভাবীর একটা পোস্ট থেকে জেনেছিলাম বাসায় সবাই মোটামুটি অসুস্থ। যাইহোক উপর ওয়ালা যাকে যতবেশি পছন্দ করেন তাকে ততবেশি বিপদের মধ্যে পতিত করেন। আপনার গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত একদমই যৌক্তিক এবং ইনশাআল্লাহ সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
গ্রামের বাড়িতে ভালো সময় কাটান এই কামনা করছি।
আমি আপনার মন্তব্যের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ভাই। শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।
আপনার প্রথম লাইন টাই অসাধারণ ছিল ভাই। আমরা তো সবসময় উল্টা টা ভেবে বসে থাকি। তবে আপনি এখানে পজেটিভ মাইন্ডের। আপনার পরিবারের সবাই ঠান্ডা জ্বরে ভুগছে শুনে খারাপ লাগল। সবাই মিলে গ্রামে গিয়ে বেশ ভালো করেছেন। অন্তত তাদের দেখাশোনার বিষয়ে আপনি কিছু টা নিশ্চিন্ত থাকবেন।।
পজেটিভ মাইন্ড সেটআপ না করে আসলে কোন উপায় নেই ভাই, ভারসাম্য বজায় রেখেই জীবন চালাতে হবে।
আবহাওয়া দিনে দিনে আরও বেশি খারাপ হচ্ছে। বৃষ্টি কোনোভাবেই কমছে না। এরকম আবহাওয়ায় অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। আপনার পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েছে জেনে সত্যিই অনেক দুঃখ পেলাম ভাইয়া। গ্রামে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভালোই করেছেন। এখন একটু চিন্তামুক্তভাবে থাকতে পারবেন।
আসলে কয়েকদিনের আবহাওয়ার এ অবস্থার কারণে অনেকটাই মানসিকভাবে চিন্তিত হয়ে গিয়েছিলাম, তবে এখন চাপমুক্ত।
এই বৃষ্টি বাদলের দিনে মোটামুটি সবাই অসুস্থ হচ্ছে পরিবেশটাও খানিকটা অনুকূলের বাহিরে, তবু আজকে কিছুটা রোদ দেখা গিয়েছে, আপাতত কিছুদিন গ্রামে শিফট করেছেন এবং সহিসালামত পৌঁছাতে পেরেছেন যেন ভালো লাগলো।
আপনাদের ঐদিকে আজ রোদ উঠেছে জেনে বেশ ভালো লাগলো ভাই।
পরিবারের সবাই অসুস্থ শুনে খারাপ লাগছে ভাইয়া।বিশেষত ছোট বাবু অসুস্থ মানে সবকিছুই খারাপ।আমার ছেলেটারও জ্বর সাথে এলার্জির সমস্যা দেখা দিয়েছে,ডাক্তার দেখিয়েছি তবুও টেনশন লাগে।তবে সবদিক বিবেচনা করে গ্রামের দিকে চলে গিয়েছেন হিসেবে ভালোই হয়েছে।ভাবী আর বাবু কিছুটা ভালো সময় কাটাতে পারবে আর সুস্থ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
আসলে ওদের কথা চিন্তা করেই মূলত গ্রামে আসা আপু।