হিমুর জন্মদিন
ঘটনাটা দুদিন আগের, যদিও শেয়ার করতে কিছুটা দেরি হয়ে গেল, তবে কিছুই করার নেই। প্রতিনিয়ত কোন না কোন লেখা জমা হয়েই থাকে, যার কারণে হয়তো সময় মত চাইলেও অনেক কিছুই করা যায় না ।
ডিসেম্বরে ওর ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে, হিমু আমাদের বাসায় এসে দীর্ঘদিন থেকে ছিল। ও সেই সময় বলেছিল যে, ভাইয়া জানুয়ারি মাসে আমার কিন্তু জন্মদিন । এবার কিন্তু আমার জন্মদিন পালন করতেই হবে । আমি মূলত ওকে কথা দিয়েছিলাম হয়তো সেই কথা বাস্তবে পরিণত করতেই এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
বাহিরে যে পরিমাণ ঠান্ডা পড়েছে, তা অনেকটাই বলা বাহুল্য। আমি মনেকরি এমন ঠান্ডা বিগত সময়ে পড়েছে কিনা, এটা নিয়েও সঠিক তথ্য আপাতত দিতে পারছি না। তবে ঠান্ডায় এখন সময়টা বেশ জটিলতা সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে । যেহেতু সেদিন বাহিরে গিয়েছিলাম, সেদিনই মূলত কেনাকাটা করে ফেলেছিলাম ওর জন্মদিনের জন্য । আর বাকি যা আয়োজন করেছে তা ওর বড় বোন করেছে মানে আমার গিন্নি ।
দেখতে দেখতে হিমুটাও বড় হয়ে যাচ্ছে। আমার এখনো মনে আছে, সেই যখন আমাদের বিয়ের সময় প্রথম আমি হীরাকে দেখতে গিয়েছিলাম, সেই সময় হিমুর জন্য চকলেট কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম। হীরা সেই সময়ই আমাকে বলে ছিল, আগে ওকে ম্যানেজ করতে হবে, তারপরে আমাকে পাবে ।
যাইহোক সেই যে পাঁচ বছর আগে থেকেই হিমুকে ম্যানেজ করতে পেরেছি, যা এখনে চলমান আছে। যদি এই ধারাবাহিকতা ঠিকঠাক থাকে, তাহলে আমি মনেকরি ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভবিষ্যতেও বেশ ভালোই থাকবে । যেহেতু আমার গিন্নির একটা মাত্র বোন সে, তাই তার প্রতি খাতির যত্ন অনেকটাই আলাদা ।
যেহেতু হীরা নিজের থেকে দায়িত্ব নিয়েছে, সে নিজেই সবকিছু সামলাবে, তাই আমাকে খুব একটা বেশি চাপ নিতে হয়নি। মূলত আমি নিজের কাজেই ব্যস্ত ছিলাম এবং সন্ধ্যার পরে খানিকটা সময়ের জন্য ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু দু ঘন্টা পরেই আমার দরজায় কড়া নাড়ছিল আমার বাবু।
বুঝতে পারছি যে, সব আয়োজন হয়ে গিয়েছে। এখন শুধু আমাকে যেতে হবে। যাইহোক গিয়ে মোটামুটি প্রথমত কেক কর্তন হলো, তারপরে মিষ্টি মুখ করানো হলো সবাইকে। সবাই বলতে খুব বেশি লোকজনকে বলা হয়নি। গ্রাম থেকে আমার শাশুড়ি আর জ্যাঠা শ্বশুরের নাতি-নাতনিরা এসেছিল আর এদিকে আমি আর হীরা মূলত এই কয়জনই।
ওদিকটাতে হীরা বেশ ভালই রান্নাবান্না করেছিল। চিকেন বিরিয়ানি, চিকেন কষা, সালাদ আর সঙ্গে মিষ্টান্ন ছিল। মোটামুটি বেশ ভালই খাটাখাটনি করেছে গিন্নি আমার এই ঠান্ডার ভিতরে । হাজার হলেও তার ছোট বোনের জন্মদিন বলে কথা ।
সত্যি বলতে কি, আমি চেষ্টা করেছি মুহূর্তটাকে বন্দি করে রাখার জন্য । জন্মদিনের ভিডিও মুহূর্তটাও আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম, আশাকরি ভালো লাগবে।
সবার উদ্দেশ্যে একটা কথা বলতে চাই, হিমুর জন্মদিন উপলক্ষে। যেহেতু আপনারা আমার শুভাকাঙ্ক্ষী, তাই আপনাদের কাছ থেকে ভালো কিছু প্রত্যাশা করতেই পারি। হয়তো সেটা আশীর্বাদ, দোয়া বা প্রার্থনা। যাইহোক, ও যেন ভালোভাবে বেড়ে উঠতে পারে এবং ওর ভবিষ্যতটা যেন আরো সুন্দর হয়, এমন প্রত্যাশা আমিও করছি।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
শুভ জন্মদিন হিমু,অনেক অনেক শুভকামনা ও ভালোবাসা রইল।🎂❤️🎁হিমুর জন্মদিন উপলক্ষে বেশ ভালোই আয়োজন করেছেন আপনার গিন্নি আমরা খাওয়া মিস করলাম।
হিমুর একটি উজ্জ্বল এবং রঙিন ভবিষ্যত কামনা করছি যাতে ওর সমস্ত স্বপ্ন সত্যি হয়।শুভকামনা নিরন্তর।❤️
আপনারা থাকলে অবশ্যই সময়টি আরো কাটতো। আপনাদের আমরা ভালোই মিস করেছি।
হিমুর জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। প্রথমে মনে করছিলাম হিমু কে? পরে আপনার লেখাটি পড়ে বুঝতে পারলাম হিমু হলো ভাবির ছোট বোন।যাহোক ছোট বোনের জন্মদিনে খুব ভালো খাওয়া দাওয়া করেছেন দেখছি।তবে মিষ্টি দেখে আমি কিন্তু লোভ সামলাতে পারছি না ভাই। আমি প্রচুর পরিমাণ মিষ্টি পছন্দ করি।তবে ভাবীর রান্না যে খুবই সুস্বাদু হয়েছে তা দেখে বোঝা যাচ্ছে। জন্মদিনে কেক কাটা থেকে শুরু করে রান্নাবান্না সবকিছুই আপনি ভিডিওতে ধারণ করেছেন। দেখে অনেক ভালো লাগলো অনেক অনেক ধন্যবাদ। এবং আপনার পরিবারের জন্য শুভকামনা দোয়া রইল।
বাহ্ আপনার মিষ্টি পছন্দ জেনে খুশি হলাম ভাই।
আসলেই ভাইয়া এবার অনেক ঠান্ডা পরেছে।যাক অবশেষে শালীকে ম্যানেজ করে বউ পেলেন ভাইয়া 🙃।হিমুর জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা আর লেট হ্যাপি বার্ডে।কথা দিয়ে যে কথা রাখতে পেরেছেন এই শীতে তাই অনেক।হীরা আপু দেখি অনেক লোভনীয় খাবার তৈরি করেছেন। দেখে বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ
ভাইয়া ভাবির ছোট বোন দেখতে ভাবির মতো। প্রথমেই হিমুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা 🎉। হিমুর জন্মদিনে চমৎকার আয়োজন করেছেন। সময়টা সবাই মিলে জমিয়ে উপভোগ করেছেন। হিমুর জন্য শুভ কামনা রইলো 🤲 আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া। কেমন আছেন আপনি? আশাকরি ভাল আছেন।আপনাদের ওখানে তো অনেক শীত।দোয়া করি সুস্থ থাকবেন, ভাল থাকবেন।
ভাইয়া আপনার পোস্টের টাইটেল দেখেই প্রথম ই মাথায় এলো হুমায়ুন আহমেদ স্যারের হিমুর কথা। 😅পরে পোস্ট পড়ে বুঝলাম আপুর ছোট বোনের নাম হিমু।যাই হোক হিমুকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।এই শীতের আমেজে আপু তো বেশ অনেক খাবারের আয়োজন করেছেন ছোট একমাত্র বোনের জন্মদিনে।হিমুর নিঃশ্চয়ই অনেক ভাল লেগেছে। ভিডিওটি দেখে বেশ ভাল লাগলো। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া শেয়ার করার জন্য। অনেক অভিনন্দন রইলো আপনার আর আপনার পরিবারের জন্য।
প্রথমে হিমুর জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। মনে হচ্ছে আপনার পোষ্টের মাধ্যমে এর আগেও হিমুকে দেখেছিলাম। তবে শিওর নয়। ভালোই করেছে আগে থেকেই আপনাকে ও বলে রেখেছে জন্মদিনের কথা। এজন্যই তো এখন অনেক সুন্দর একটা আয়োজন করেছেন। যদিও আপনার থেকে হিরাআপু একটু বেশি কষ্ট করেছে সকল আয়োজন নিয়ে। লোকজন বেশি না হলেও দেখছি বেশ ভালোই রান্নাবান্না হয়েছে। আসলে ছোটদের জন্মদিন পালন করলে ওরা বেশি খুশি হয়। আবার দেখলাম একটু ঘুমিয়ে নিবেন। তবে সবাই মিলে অনেক সুন্দর একটা মুহূর্ত কাটিয়েছেন।
খুব ভালোই করেছেন ভাইয়া। এত সুন্দর ভাবে আয়োজন করে হীরা ভাবীর বোনের জন্মদিনের অনুষ্ঠানটি পালন করে। এতে করে হীরা ভাবি এবং তার বোন দুজনে বেশ খুশি হয়েছে। দোয়া করি হিমুর আগামী দিনগুলো অনেক সুন্দর এবং আনন্দে কাটুক।
এর আগেই বৌদির পোস্টে আমি দেখেছিলাম আপনার শালিকার জন্মদিন ছিল। কিন্তু ওর নাম যে হিমু সেটা আমি লক্ষ্য করিনি। নামটা কিন্তু অনেক টা গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। বৌদি অ্যারেঞ্জমেন্ট এর দায়িত্ব নিয়ে বেশ ভালই সেটা পালন করেছেন।খাবার দাবার থেকে শুরু করে বাকি সাজসজ্জা সুন্দর ছিল। একদম পাকা গৃহিণীর মত নিপুন কাজ।