ছোটবেলার মধুর স্মৃতি
"হ্যালো",
সত্যি সময় কত দ্রুত চলে যায়। মনে হয় এই তো সেদিন ছোট ছিলাম। ছুটে বেড়াতাম গোটা গ্রাম। সারাদিন কোথায় খেলতাম না খেলতাম তার কোন ঠিক নাই। সময় মত খাওয়া-দাওয়া করতাম না। তার জন্য মা কত বকুনি দিত।কিন্তু কখনো বকা গুলো কানেই তুলতাম না।সেই পরদিন থেকে আবার শুরু হতো দৌড়াদৌড়ি খেলাধুলা। আজকে আমি যে ছবিগুলো শেয়ার করব এগুলো আমি সেদিন বাড়িতে গিয়ে তুলেছি।
আমি এখন গ্রামে গেলেই একটা দিন অন্তত গ্রামের ঘুরাঘুরি করার চেষ্টা করি। আমার গ্রাম ঘুরে দেখতে বেশ ভালো লাগে আর নিজের পরিচিত জায়গাগুলো দেখতেও আমার খুব ভালো লাগে। এই জায়গা গুলোতে আমার কত স্মৃতি কত খেলাধুলা করেছি এগুলোতে। তাই সবাইকে নিয়েই আমি ঘুরতে বের হই। প্রতি বারের মত এবারও গ্রাম ঘুরতে বের হয়েছিলাম। ঘুরতে ঘুরতে প্রায়ই বাড়িতে আমি মাটির ছোট ছোট কিছু ঘর দেখতে পাচ্ছিলাম। যেগুলো বাচ্চারা বানিয়ে খেলাধুলা করতো।
তাদের এই ক্রিটিভিটি দেখে আমারও ছোটবেলার কথা মনে পড়ছিলো।ছোটবেলায় কাঁদামাটি দিয়ে কত ঘর বানিয়েছি আর খেলাধুলা করেছি। কিন্তু আমরা এত বড় বাড়ি বানাতে পারতাম না আসলে সময় এগোচ্ছে তাদের এই কাজগুলো আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে।
এরপর গিয়েছিলাম আম পাড়তে। সেখানে গিয়ে বৈদ্যুতিক সেচ পদ্ধতিতে পা ভিজিয়ে ছিলাম কিছুক্ষণ। সুন্দর ঠান্ডা পানি ছিল তাই আমি বেশ কিছুক্ষণ পা দিয়ে রেখেছিলাম। আগে আমি যখন ছোট ছিলাম তখন পানি সেচ দেওয়া হতো তেল নিয়ে চালিত পাওয়ার মেশিন দিয়ে। ছোটবেলায় কত গোসল করেছি সেগুলোতে। সেখানে গোসল করার আমার ছোট্ট একটা ঘটনা আছে একদিন আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
আজকে এই পর্যন্তই। দেখা হবে পরবর্তীতে নতুন কোন বিষয় নিয়ে। ততক্ষণের সবাই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
পুরনো জায়গায় গেলে আসলেই পুরনো স্মৃতিগুলো মনে করতে বেশ ভালো লাগে। আপনি গ্রামে গিয়ে সব জায়গায় ঘুরে ঘুরে পুরনো স্মৃতিগুলো মনে করেন জেনে ভালো লাগলো। তাছাড়া বাচ্চারা মাটি দিয়ে সুন্দর ঘর তৈরি করেছে। বৈদ্যুতিক সেচ দেখে আমারও ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল। ছোটবেলায় গ্রামে গেলে এই পানিতে কত গোসল করেছি তার ঠিক নেই। পানি গুলো বেশ পরিস্কার দেখছি। গ্রামে গিয়ে অনেক সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। ভালো লাগলো দেখে।
জ্বি আপু গ্রামে গেলে পুরনো স্মৃতিগুলো আমার মনে হয়। আর আমি গ্রাম ঘুরে ঘুরে দেখতে ভীষণ ভালোবাসি। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।
আপনি আপনাদের বাড়িতে গেলে গ্রাম ঘোরাঘুরি করার একদিন হলেও চেষ্টা করেন এটা জেনে ভালো লাগলো। আপনাদের গ্রামের বাচ্চারা তো দেখছি খুব সুন্দর ভাবে দোতলা বাড়ি তৈরি করেছে মাটি দিয়ে। আসলে আমি তো একেবারেই মুগ্ধ বাচ্চাদের এরকম ক্রিয়েটিভিটি দেখে। আপনার কালকের ব্লগে দেখেছিলাম আপনি আম পাড়তে গিয়ে পানির সেচের ওখানে পা ভিজিয়ে রেখেছিলেন কিছুক্ষণ পর্যন্ত। যাইহোক ভালো লাগলো আপনার আজকের এই পোস্টটি সম্পূর্ণভাবে পড়ে।
শুধু দোতলা বাড়ি নয় আপু কেউ কেউ তো পাঁচ তালা ছয় তলা বাড়িও করেছে কিন্তু আমরা আসার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে এসেছি তাই আর ফটোগ্রাফি করা হয়নি। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
ছোটকালের স্মৃতি সবাইকে কম বেশি নাড়া দেয়। আপনি গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার কারণে ছোট কালের কথা বেশি মনে পড়তেছে। এখনো গ্রামে গেলে আপনার ঘুরতে ইচ্ছে করে শুনে ভালো লাগলো। তবে আমরাও ছোটকালে দেখতাম তেল দিয়ে পানির মেশিন চালাত। সময়ের কারণে অনেক কিছু এখন চেঞ্জ হয়ে গেছে। আপনার পোষ্টটি পড়ে আমার নিজেরও ছোটকালের কথা মনে পড়ে গেল।
জ্বি ভাইয়া গ্রামে গেলে অনেক ভালো লাগে। আর তেল দিয়ে পানির মেশিন এখন আর চলে না এখন কারেন্ট দিয়ে চলে। ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পড়ে।
আপনার পোস্টটি পড়ে সত্যি আমার নিজেরও ছোটকালের কথা মনে পড়ে গেল। আপনার মত আমিও ছোটকালে এদিক-ওদিক ছোটা ছুটি করতাম। মা অনেক বকাবকি করতো। যাক একটা কথা শুনে ভালো লাগলো আপনি গ্রামে গেলে অন্তত একদিন ঘুরার চেষ্টা করেন। এখন সময়ের কারণে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়ে গেছে। অনেক সুন্দর করে গ্রামের ঘুরার অনুভূতি এবং ছোটকালের স্মৃতি আমাদের মাঝে অনেক সুন্দর করে শেয়ার করেছেন।
জ্বী আপু গ্রামে গেলে এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করার চেষ্টা করি। সময়ের সাথে সবকিছুই বদলে যায় আমার গ্রামের অনেক কিছুই বদলে গেছে। তারপরও তার মধ্যেই আমার স্মৃতিগুলো খুঁজে বেড়ায়। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।
আপু অনেক সুন্দর একটি পোস্ট লিখেছেন আপনি। বিশেষ করে আপু আমরা ছোটবেলায় কাদা মাটি দিয়ে অনেক কিছু তৈরি করতাম। আসলে ছোটবেলায় কাদামাটি দিয়ে খেলা করতে খুবই ভালো লাগলো। আর গরমের সময় স্যালো মেশিনের পানি দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা গোসল করতাম। যাহোক আপু, আপনার এই পোস্টটি পড়ে আমারও ছেলেবেলার কথাগুলো দারুণভাবে মনে পড়ে গেল। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য।