গতরাতের ঘটনা
"হ্যালো",
আমার বাংলা ব্লগ বাসি, সবাই কেমন আছেন? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। সময় ভালো কাটুক এই কামনাই করছি।
গতরাতের হ্যাংআউটের মুহূর্তের কিছু সরাসরি দৃশ্য আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করছি। যেহেতু বাইরে ভীষণ বৃষ্টি হচ্ছিল আবার এই দিকে আপনাদের ভাইয়া আপনাদের সঙ্গে হ্যাংআউট করছিল, তখন বাবু কিছুতেই আমার রুমে থাকতে চাচ্ছিল না। তার অবশ্য কিছুটা কারণও আছে, মূলত ওর ঘুম ধরছিল না আর আপনাদের ভাইয়া খুবই জোরে জোরে কথা বলছিল হ্যাংআউটে৷
একটা ছোট ভিডিও এর লিংক দিলাম, আপনারা দেখে নিতে পারেন, কেমন করছিল ঐ সময়টাতে বাবু।
তাই বাধ্য হয়েই একসময় বাবুর কারণেই আপনাদের ভাইয়ার রুমে আসতে হলো। যেই বাবু ওর বাবাকে দেখেছে তখনই যেন ও আবারো দুষ্টামি করা শুরু করে দিয়েছিল। আমি চেষ্টা করি মাঝে মাঝেই হ্যাংআউটে উপস্থিত থাকার জন্য, তবে বাবু যত বড় হচ্ছে ততই বাবুর দুষ্টামি বেড়ে যাচ্ছে, আর আমার মোবাইল প্রতিনিয়ত নিয়ে ও কার্টুন দেখে, তার কারণে আপনাদের সঙ্গে চাইলেও আমি প্রতিনিয়ত একত্রিত হতে পারি না।
যদিও আমার অসুস্থতা কমেনি বা বাবুও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠিনি, বলা যায় অনেকটা একঘেয়েমি জীবনযাপন করছি আমরা। তবে এত কিছুর মাঝেও যখন এরকম সুন্দর আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত স্বচক্ষে দেখা যায় তখন কিছুটা ভালোলাগা নিজের ভিতরে কাজ করে।
আপনাদের ভাইয়া বারবার বিরক্ত হচ্ছিল, তা হয়তো কোনভাবেই আপনাদেরকে বুঝতে দেয়নি, আসলে বাবু আপনাদের ভাইয়ের কাছে গিয়ে বারবার চেয়ারে উঠে হেডফোন খোলার চেষ্টা করছিল এবং নিজের মত করে ল্যাপটপ টেপাটেপি করার চেষ্টা করছিল। যদিও আমি বুঝতে পারছিলাম আপনাদের ভাইয়া বিরক্ত হচ্ছে, তবে কিছুই করার ছিল না বাবুর জেদের কাছে। আপনাদের ভাইয়াও বেশ ব্যাপারটা তাৎক্ষণিক ম্যানেজ করে নিয়েছিল।
মূলত হ্যাংআউটের দিন আর রবিবারের শো-র দিনে , আমি বাবুকে দ্রুত ঘুমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি নতুবা আশেপাশের প্রতিবেশীদের বাসায় যাওয়ার চেষ্টা করি, কেননা বাবু জেগে থাকলেই আপনাদের ভাইয়ের সঙ্গে এসে দুষ্টামি করা শুরু করে দেয়। তারপরেও বাবা ছেলের এমন মুহূর্ত গতকাল আমি বেশ ভালই উপভোগ করেছিলাম।
আসলে আপু ছোট বাচ্চা তো এভাবে বেশ আনন্দ পায়। তবে কিছু করার থাকে বাচ্চারা এমন করলে। যাইহোক বাবা ছেলে দারুণ একটা সময় কাটিয়েছে দেখে বুঝা যাচ্ছে। তবে কাজের সময় বিরক্ত করলে আসলে খারাপ লাগে কিন্তু কিছু করার থাকে না বাচ্চা বলে কথা। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
বাচ্চারা অসুস্থ হলে তাদের কিছুই ভালো লাগেনা। তাই তো একটু বেশি বিরক্ত করে। তবে কি আর করার শরীর ভালো লাগছিল না হয়তো। আপনারা দুজনে অসুস্থ জেনে সত্যি খারাপ লেগেছে আপু। বাবা ছেলের সুন্দর একটি মুহূর্তের ভিডিওগ্রাফি দেখে ভালো লাগলো আপু।
হ্যাঁ আপু বাচ্চারা অসুস্থ হলে একদম কোন কিছুই ভালো লাগেনা তারপর আবার যদি নিজেও অসুস্থ হই তাহলে আরও বেশি খারাপ লাগে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
হ্যাংআউট চলাকালীন সরাসরি দৃশ্য দেখতে পেয়ে সত্যি ভীষণ ভালো লাগলো আপু ।হ্যাংআউটের সময় বাবু এমন করেছিল সেটা আসলে বুঝতেই পারিনি। ভেবেছিলাম রুমের মধ্যে ছিল ।যাই হোক বেশ ভালো লাগলো মুহূর্তটি দেখে। আর আপনাদের দুজনের সুস্থতা কামনা করছি। ধন্যবাদ আপনাকে।
সব সময় ওর বাবার সাথে এমন করে। বিশেষ করে যখনই ল্যাপটপ অন করা দেখে তখনই বেশি।আপনাদের ভাইয়া খুব সুন্দরভাবে সামলে নেয় বিষয়টা। ধন্যবাদ আপু।
গত হ্যাংআউটের সময় ২/৩ বার বুঝতে পেরেছিলাম শায়ান শুভ ভাইকে ডিস্টার্ব করছিল। হাফিজ ভাইও জেনারেল চ্যাটে এটা বলেছিলেন। তবে শুভ ভাইয়ের প্রচুর ধৈর্য্য এটা বলতেই হয়। এতো বিরক্ত করার পরও আমাদেরকে বুঝতে দিচ্ছিল না ব্যাপারটা। আসলে বাচ্চারা এমনই। যখন যেটা করার জেদ করে, তখন সেটাই করতে চায়। পোস্টটি পড়ে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
সেদিন কিছুতেই ঘুমাচ্ছিলো না। আর বারবার ওর বাবার কাছে চলে আসছিল।অনেকবার নিয়ে যাচ্ছিলাম কিন্তু তারপরও বারবার আসছিল। তাই পরে আর বাধা দেয়নি। শুধুমাত্র সেদিনই না প্রায়দিনে ও ওর বাবাকে এমনভাবে বিরক্ত করে। কিন্তু খুব সহজভাবে ওর বাবা ম্যানেজ করে নেয়।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যের জন্য।