দাদু-নাতির কাটানো কিছু সুন্দর মূহুর্ত❤️
"হ্যালো",
আজকে আমি শেয়ার করব শায়ান এবং তার দাদুর কাটানো কিছু সুন্দর মুহূর্ত। দাদু নাতি এবং দাদী নাতি, নানা-নানীর সাথে নাতির সম্পর্কগুলো একটু মধুর হয় সব সময়। আপনারা সব সময় দেখেছেন আমার মা-বাবার সাথে বাবুর একটু বেশি সম্পর্ক ভালো। কারণটা হলো আমার বাবা-মা সব সময় আমার ছেলেকে দেখার জন্য আমার বাসায় চলে আসে এবং তারা বাবুকে না দেখে থাকতে পারেনা। কিন্তু আমার শ্বশুর এবং শাশুড়ি দুজনেই সরকারি চাকরিজীবী তারা সময় করে উঠতে পারেন না বাবুকে সেরকম সময় দেওয়ার জন্য।
সপ্তাহে একদিন হয়তোবা বাবুর সঙ্গে দেখা হয় আসলে আমার শ্বশুর গ্রামের বাড়িতে থাকেন তার সেখানে খামারবাড়ি আছে গরুর হাঁস মুরগির অনেক বড় খামার আছে এবং সেগুলো উনি দেখাশোনা করেন যার কারণে বাবুর সঙ্গে খুব কম দেখা হয়। কিন্তু আমার শাশুড়ির সঙ্গে প্রতিদিনই দেখা হয় কারণ আমার শাশুড়ি এবং আমাদের বাসা প্রায় কাছাকাছি। গতকাল বিকেল বেলা আমি এবং বাবুর বাবা সহ বাজারে যাচ্ছিলাম তো বাসার নিচে দেখলাম আমার শাশুড়ি এবং শ্বশুর বাসার দরজায় দাঁড়িয়ে থেকে গল্প করছেন।
বাবু তাদেরকে দেখে ভীষণ খুশি বিশেষ করে সে তার দাদিকে খুবই চিনে দাদুকে সেভাবে চেনে না কিন্তু মোটরসাইকেল দেখার পরও ওর দাদুর কাছে চলে গিয়েছে। আর বারবার ওর দাদুকে মোটরসাইকেল চালাতে বলছিল। আমার এই মুহূর্তটা খুব ভালো লাগছিল কেননা আমার ছেলে তার দাদুর কাছে একদম যেতেই চায় না আর সেভাবে চেনে না এজন্য যেতে চায় না কিন্তু এই প্রথমবার ও নিজে থেকে ওর দাদুর কাছে গেলো এবং এভাবে ওর দাদুর সঙ্গে মিশছিল।এটা দেখে আমি ভীষণ খুশি হয়েছিলাম এবং ভাবলাম যে মুহূর্তটা ক্যাপচার করে রেখে দেই।
পরে বাবা বললেন যে বাবুকে কিছুক্ষণ ঘুরে নিয়ে আসি কিন্তু আমার ভীষণ ভয় লাগছিল কারণ বাবু ভীষণ দুষ্ট। তাই বললাম যে দরকার নেই একটু বড় হোক তারপর নিয়ে ঘুরবেন। কিন্তু বাবুকে কিছুতেই নামাতে পারছিলাম না অনেক অনেক বুঝিয়ে সুজিয়ে তাকে নামাতে হয়েছিল গাড়ি থেকে। এরপর আমরা কিছুক্ষণ গল্প করার পর বাবা গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে চলে যায় এবং আমরা বাজারের উদ্দেশ্যে চলে যাই।
দাদু এবং নাতিরে এই সম্পর্কটা একটু ভিন্নতা কেননা তারা দুজনই আলাদা আলাদা থাকে। আমার মনে হয় যদি কাছাকাছি থাকতো তাদের মধ্যে আন্তরিকতা আরো বেশি হতো। তবে চেষ্টা করি প্রত্যেক সপ্তাহেই তার দাদা দাদির সাথে দেখা হোক এবং তাদের সঙ্গে সে সময় কাটাক।
তো এই ছিল আজকে দাদু এবং নাতির কাটানো সামান্য কিছু মধুর সময়। আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। সবাই আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন।দেখা হবে পরবর্তীতে নতুন কোন বিষয় নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন।
ঠিক বলছেন নাতীদের সাথে দাদা-দাদী কিংবা নানা-নানিদের সম্পর্ক কিন্তু অন্য রকমের মধুর সম্পর্ক। সায়ান তো তার দাদার ভাইকে পেয়ে খুব সুন্দর করে বসে আছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। একদিন দেখবেন আপু ওদের সম্পর্ক অনেক সুন্দর হয়ে যাবে যখন সায়ান কথা বলতে জানবে। কারণ বাচ্চারা এমনই খুব সহজেই বড়দের মন জয় করে নিতে পারে।
হুমম আপু এটা বাচ্চারা খুব তাড়াতাড়ি বড়দের মন জয় করে নিতে পারে। আমার ছেলের মুখের হাসি দেখেই সবাই ওকে অনেক বেশি ভালোবাসে। দুষ্টু ছেলের মুখে মিষ্টি হাসি।
এই প্রথম আপনার শ্বশুরকে দেখলাম আপু।খুব ভালো লাগলো দাদা নাতির এই মিষ্টি মুহূর্তটি।এটা ঠিক কাছাকাছি, পাশাপাশি থাকলে আন্তরিকতা আরো বৃদ্ধি পেতো।সুন্দর মুহূর্ত গুলো পড়ে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
আসলে আপু আমার শ্বশুর গ্রামের বাড়িতে থাকেন। এজন্য সব সময় সেভাবে দেখা-সাক্ষাৎ হয় না। যাই হোক চেষ্টা করি তাদের কাছাকাছি রাখার।
বাজার করতে যাওয়ার সময় রাস্তায় আপনার
শাশুড়ি শ্বশুরের সঙ্গে দেখা হয়ে ভালো হয়েছে। সায়ান বাবু তার দাদুর সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতে পেরেছে। ছোট বাচ্চারা মোটরসাইকেল দেখলে চড়তে চাই। ভালো করেছেন এত ছোট বাচ্চাকে মোটরসাইকেলে ঘুরতে না দিয়ে। বড় হলে দাদুর সঙ্গে অনেক ঘুরতে পারবে।
সবথেকে ভয়ঙ্কর যানবাহন হচ্ছে মোটরসাইকেল। আমি একদমই পছন্দ করি না সেটা আমার বাচ্চাই হোক আর যেই হোক আমি একদমই এটা পছন্দ করি না মোটরসাইকেলে ঘুরাঘুরি। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।