অসুস্থ প্রিয় স্যারকে দেখতে যাওয়ার মূহুর্ত
কেমন আছেন আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা? আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আশাকরি আপনারা ও অনেক ভালো আছেন।
আজকে আমি আপনাদের সাথে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে আমার এক প্রিয় স্যার অসুস্থ তাকে দেখার জন্য গিয়েছিলাম।আর অসুস্থ রোগীকে দেখা করার আগে অবশ্যই কিছু নিয়ে যেতে হয়।এটাই হচ্ছে প্রাকৃতিক নিয়ম। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা স্যার জন্য কিছু ফল মূল নিয়ে যাওয়ার জন্য ফলের দোকানে গেলাম। সেখান থেকে জানতে পারলাম যে স্যার এর কোন ফল খাওয়া যাবে না।তখন টেনশনে পড়ে গেলাম যে কি নিয়ে যাওয়া যায়।তখন মনে হচ্ছিল যে স্যার এর তো প্রিয় জিনিস হচ্ছে ছোলা মুড়ি কিন্তু এই সময় তো আর নিয়ে যাওয়া যাবে না। পড়ে চিন্তা করতে করতে ডিসিশন নিলাম যে স্যার যেহুতু ডাইবেটিস আছে সেহেতু মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া নিষেধ। পড়ে বাসার পাশে মিঠাই দোকান আছে সেখানে গেলাম কিছু কেনার জন্য।
প্রথমে দোকানে প্রবেশ করে কয়েকটি ছবি নিয়ে নিলাম।এর পর স্যার জন্য একটি টক দই নিলাম।স্যার জন্য এটা পারফেক্ট হবে। কারণ স্যারের টক দই অনেক পছন্দের।এর পর এখান থেকে এক কেজি ওজনের একটি টক দই নিলাম।আমার কাছে টক দই কেন যেন ভালো লাগে না।আসল কথা হচ্ছে ঢাকা শহরের কোন কিছু মজা লাগে না। গ্রাম অঞ্চলের দই গুলো খুবই সুস্বাদু হয়ে থাকে। এরপর স্যারের বাসার উদ্দেশ্যে আছতে আছতে চলে গেলাম। প্রথমে স্যারের দরজা নক দেওয়ার পর স্যার এ দরজা খুলে দিয়েছে। কারণ স্যার ওই সময়টা হাঁটা হাঁটি করছিলো।স্যার দেখে তো অনেক খুশি যে আমরা গিয়েছি। এরপর স্যার সাথে কুশল বিনিময় করে নিলাম। আসলে কোন অসুস্থ রোগীকে দেখতে গেলে রোগীর অনেক ভালো লাগে এবং স্বস্তি ফিল করে অনেকটাই।
যাওয়ার পর দেখি স্যার আমাদের জন্য অনেক গুলো ফলের আইটেম রেডি করেছে। এরপর আছতে আছতে খাবার গুলো উপভোগ করলাম।আর খাবার সাথে সাথে স্যারের শরীরের খোঁজ খবর নিচ্ছিলাম।স্যার মূলত রিক্সা করে যাওয়ার সময় পাশ থেকে পড়ে গিয়েছিল।এর পর মাথায় আঘাত পায়। খুব কিটিক্যাল অবস্থা ছিল প্রথম দিকে। কয়েকদিন আইসিওতে ছিল। এরপর তিনটি অপারেশন হয়েছে।এই জন্য স্যার খুব দুর্বল।তিন মাস হলো স্যার অসুস্থ হয়ে আছে। আগে থেকে অনেকটাই ভালো আছে। সবাই স্যার এর জন্য দোয়া করবেন যেন দূত সুস্থ হয়ে যান। এরপর কিছু সময় দেওয়ার পর চলে আসলাম। আজকে এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে আবারো আসবো নতুন কোন বিষয় নিয়ে। ধন্যবাদ জানাচ্ছি সবাইকে।।
| ফটোমেকার | @engtariqul |
|---|---|
| ডিভাইস | শাওমি রেডমি নোট ৭ |
আমি তারিকুল ইসলাম। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি সিভিল ইন্জিনিয়ার থেকে পড়াশোনা শেষ করেছি।
আমি ভ্রমণ এবং ঘোরাঘুরি করতে ভিশন পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি করতে ভিশন ভালো লাগে। ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে, এবং ডাই বানাতে পছন্দ করি।
প্রথমেই আপনার স্যারের জন্য দোয়া রইল। তিনি পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠুন এই কামনা করছি। দূর্ঘটনায় পরে ওনার এই অবস্থা হয়েছে জেনে খারাপ লাগলো। যাইহোক স্যারকে দেখতে যাবার অনুভূতি বেশ ভালো লেগেছে।
আপনার পোস্টে কিছু বানানের ভুল রয়েছে তাই শব্দগুলো আবারো গুছিয়ে লিখার পরামর্শ রইল।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পরামর্শ দেওয়ার জন্য।
প্রথমেই আপনার স্যারের জন্য দোয়া রইলো। স্যারকে আল্লাহ সুস্থতা দান করুন।আপনি স্যারের জন্য টক দই নিয়ে গেলেন।তার জন্য এটা বেশ ভালোই হলো।আপনার মতো আমিও টক দই খেতে পারিনা।স্যারের সাথে খুব সুন্দর মূহুর্ত কাটিয়েছেন এমনটাই আশাকরি। ধন্যবাদ ভাইয়া অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।স্যার যাওয়ার কারণে অনেক খুশি হয়েছে। আসলে কেউ অসুস্থ হলে তাকে দেখতে গেলে তার অনেক ভালো লাগে।