" টাইফয়েডের টিকা দিয়ে আপনার সন্তানকে সুরক্ষিত রাখুন"
হ্যালো বন্ধুরা,
মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে ভালো আছি।
বন্ধুরা,আমি @shimulakter"আমার বাংলা ব্লগ" এর একজন নিয়মিত ও অ্যাক্টিভ ইউজার।বাংলায় ব্লগিং করতে পেরে আমার অনেক বেশী ভালো লাগা কাজ করে মনের মাঝে।তাইতো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত মনের নানান অনুভূতি গুলো নিয়ে নানা রকমের পোস্ট শেয়ার করে থাকি।আজ ও আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিযে।আশাকরি সবাই সঙ্গেই থাকবেন।
টাইফয়েডের টিকা দিয়ে আপনার সন্তানকে সুরক্ষিত রাখুনঃ
বন্ধুরা,আজ আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজ শেয়ার করবো একটি লাইফ স্টাইল পোস্ট।জীবন নানা ঘটনার মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হয়ে থাকে।আজকের দিনটি কি করে শুরু হলো তাই ই আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নেবো।সেপ্টেম্বর মাসে ছেলের স্কুল থেকে নোটিশ এলো টাইফয়েড টিকা দিতে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য।আমি আমার মোবাইল দিয়েই আমার ছেলের নামটি রেজিষ্ট্রেশন করে ফেলেছিলাম।সেই টিকা দেয়ার তারিখ ছিল আজ।ছেলের স্কুলের ক্লাস টিচার গতকাল রাতে আবার একটি নোটিশ দিল অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে।আর সেই নোটিশটি হলো সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১২ টা পর্যন্ত আজ স্কুলে বাচ্চাদের টাইফয়েড টিকা দেয়া হবে।আমরা যেনো বাচ্চাদের ঢিলা ঢালা ড্রেস পরিয়ে,সুন্দর মতো খাওয়া-দাওয়া করিয়ে বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাই।
আমার ছেলে এতো সকালে নাস্তা করতে পারে না।সাধারণত আমি ওকে দুধ দিয়ে কর্ণফ্লেক্স খাইয়ে স্কুলে নিয়ে থাকি।কিন্তু আজ তা করিনি।আজ রান্না করা মাংস দিয়ে রুটি খাইয়ে নিয়েছিলাম।আর বাসা থেকে রওনা হয়েছিলাম সকাল সাড়ে নয়টায়।
আমরা যখন স্কুলে পৌঁছে যাই তখন মিলনায়তনে ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ফোর পর্যন্ত বাচ্চাদেরকে টাইফয়েডের টিকা দিয়ে যাচ্ছিল।এরপর দেয়ার কথা ছিল ক্লাস ফাইভ ও সিক্সের বাচ্চাদের কে।বাচ্চাদের কথা চিন্তা করে প্রতিটি বাচ্চাকেই আজ মা-বাবা নিয়ে এসেছেন স্কুলে।টাইফয়েড রোগটা খুব জটিল একটি রোগ।এই রোগ থেকে বাচ্চাদের মুক্ত রাখতে প্রতিটি মা-বাবা ভীষণ সচেষ্ট।বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার বাচ্চাদের মাঝে টাইফয়েডের টিকা দেয়া হবে।প্রত্যেক মা-বাবার উচিত সময়মতো নিদিষ্ট টিকাকেন্দ্রে গিয়ে বাচ্চাদের কে টিকা দেওয়ানো।এতে বাচ্চা থাকবে সুস্থ।আর দেশ ও হবে রোগমুক্ত।
আমরা ঘন্টা খানেক দাঁড়িয়ে রইলাম।কিন্তু ক্লাস ফোরের বাচ্চাদের টিকা দেয়া যেনো শেষ ই হচ্ছিল না।এভাবে অপেক্ষা করতে করতে ১২ টা বেজে গেলো।মিলনায়তের মধ্য থেকে একজন ভলান্টিয়ার বলে দিল আজ আর ফাইভ ও সিক্সের ছাত্র -ছাত্রীদেরকে টাইফয়েডের টিকা দেয়া হবে না।আগামী কাল আবার নিয়ে যেতে বলা হলো। কি আর করার আমরা সবাই বাসায় চলে এলাম।শুধু শুধু আজকের সকালটা এমনিভাবে নষ্ট হলো।
আশাকরি আমরা সবাই আবার আগামীকাল বাচ্চাদের কে স্কুলে নিয়ে গিয়ে টাইফয়েডের টিকা দিয়ে নিয়ে আসব।বাংলাদেশে টাইফয়েডে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কিন্তু কোন অংশে কম নয়।তাই সচেতনতা বৃদ্ধি করা খুব জরুরী।সরকার থেকে এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।সুস্থ ভাবে বেড়ে উঠুক আমাদের সন্তানেরা।আজকের দিনটি খুবই ব্যস্ততায় কেটে গেলো।সেই অনুভূতি গুলো তাই আপনাদের মাঝে তুলে ধরলাম।আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে।
পোস্ট বিবরন
| শ্রেণী | লাইফ স্টাইল |
|---|---|
| ক্যামেরা | Galaxy A16 |
| পোস্ট তৈরি | @shimulakter |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আজ এখানেই শেষ করছি।আবার হয়ত হাজির হয়ে যাব অন্য কোন পোস্টে ভিন্ন কিছু অনুভূতি নিয়ে।সবাই সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে
আমার পরিচয়
আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।আমি বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি (জিওগ্রাফি)কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ।ভালোবাসি বই পড়তে,নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।
আপনার ছেলের স্কুল থেকে দেখতে এসে খুবই সুন্দর একটি উদ্যোগ নিয়েছে।আশা করি তার টিকা গ্রহণের মাধ্যমে সে আগামীর দিন গুলি সুস্থ এবং স্বাভাবিক ভাবেই কাটাতে পারবে। আপনার সন্তানের জন্য সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি।