" দুই সপ্তাহ অস্ট্রেলিয়া ঘুরে হাসবেন্ড অবশেষে দেশে ফিরে এলো "
হ্যালো বন্ধুরা,
-মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে ভালো আছি।*
বন্ধুরা,আমি @shimulakter"আমার বাংলা ব্লগ" এর একজন নিয়মিত ও অ্যাক্টিভ ইউজার।বাংলায় ব্লগিং করতে পেরে আমার অনেক বেশী ভালো লাগা কাজ করে মনের মাঝে।তাইতো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত মনের নানান অনুভূতি গুলো নিয়ে নানা রকমের পোস্ট শেয়ার করে থাকি।আজ ও আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিযে।আশাকরি সবাই সঙ্গেই থাকবেন।
দুই সপ্তাহ অস্ট্রেলিয়া ঘুরে হাসবেন্ড অবশেষে দেশে ফিরে এলোঃ
বন্ধুরা,আজ আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজ লাইফ স্টাইল পোস্ট শেয়ার করে নেবো।প্রতিনিয়ত আমি চেষ্টা করি নতুন নতুন বিষয় নিয়ে পোস্ট শেয়ার করতে জীবনে ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিতে ভীষন ভাবে ভালো লাগে আমার। সেপ্টেম্বর মাসের ১ তারিখে হাসবেন্ড অস্ট্রেলিয়া ঘুরতে যায়।ছেলের এক্সাম থাকার কারনে আমি যেতে পারিনি।আর তাছাড়া নতুন করে পাসপোর্ট ও করা হয়ে উঠেনি তখন।
তাই হাসবেন্ড একাই ঘুরে এলো অস্ট্রেলিয়া থেকে।অস্ট্রেলিয়া ঘুরে গতকাল ভোর চারটায় বাসায় এসে পৌঁছে গেছে।এর আগেও একবার অস্ট্রেলিয়া গিয়ে ঘুরে এসেছে।আমার ননদের মেয়ে আছে সেখানে।বাইরে যেখানেই যাক না কেন আমার ছেলের জন্য তার পছন্দের সব চকলেট আনতে একদমই মিস করেন না। গতকাল ভোরে এলে ও সকালে ছেলে এক্সাম দিয়ে আসার পরেই সব চকলেট বের করে দিলেন হাসবেন্ড।
সব রকমের চকলেট এনেছেন।আমাদের আত্মীয় ও বন্ধুদের মাঝে ও আমরা এই চকলেট বিলি করে থাকি।আমার ছেলে যে কত চকলেট খেতে পারে তা আপনারা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না।তাই ওর বাবা সব সময় চেষ্টা করেন নানান ধরনের চকলেট আনতে।
গতকাল ভোর ৯ টায় ফ্লাইট ছিল।আমার ননদ ও সাথে এসেছেন।তারা মালয়েশিয়া দুপুরে এসে পৌঁছায়।এরপর দুপুর আড়াই টার সময় বাংলাদেশের উদ্দেশ্য আবার প্লেন ছেড়ে দেয়ার কথা থাকলেও প্লেন ডিলে হয় ৩ ঘন্টার মতো।তারা ঢাকা এসে পৌঁছান রাত ১ টার পর।কিন্তু বাসায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে তাদের ভোর চারটা বেজে যায়।এয়ারপোর্টে আমার যাওয়া হয়নি।কারন আজ ও ছেলের এক্সাম ছিল।আমি আমাদের ড্রাইভার ভাইকে এয়ারপোর্টে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম তাদেরকে আনার জন্য। আমার ননদকে নিতে ননদের ছেলেও এসেছিল।এরপর সবাই সুন্দর ভাবে বাসায় পৌঁছে যায়।
আজ ছেলে এক্সাম দিয়ে এসে চকলেট খাবে বলে বলাতে ওর বাবা চকলেট বের করে দেয়।আর কি কি আনা হয়েছিল তা আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নেবো অন্য কোন পোস্টের মাধ্যমে।আজ আর নয়।মনের অনুভূতি গুলো শেয়ার করে নিলাম। আশাকরি ভালো লেগেছে আপনাদের কাছে।
পোস্ট বিবরন
| শ্রেণী | লাইফ স্টাইল |
|---|---|
| ক্যামেরা | Galaxy A16 |
| পোস্ট তৈরি | @shimulakter |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আজ এখানেই শেষ করছি।আবার হয়ত হাজির হয়ে যাব অন্য কোন পোস্টে ভিন্ন কিছু অনুভূতি নিয়ে।সবাই সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে
আমার পরিচয়
আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।আমি বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি (জিওগ্রাফি)কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ।ভালোবাসি বই পড়তে,নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।
বেশিরভাগ বাচ্চারা চকোলেট খেতে খুবই পছন্দ করে। আপনার হাসবেন্ড অস্ট্রেলিয়া থেকে চকোলেট এনেছে, এতে করে আপনার ছেলে নিশ্চয়ই খুব খুশি হয়েছে। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।