নদীর পাড়ে বন্ধুদের সাথে গোসল করার স্মৃতিময় দুপুরের মুহূর্ত
হ্যা লো বন্ধুরা,কেমন আছেন সবাই? আশাকরি সকলেই সুস্থ আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় খুব ভাল আছি। আমি @rayhan111 🇧🇩 বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগ থেকে।
গ্রীষ্মের দুপুর। সূর্যের তাপ যেন শরীর গলিয়ে দেয়! গ্রামটা নিস্তব্ধ, গাছে গাছে ঝিম ধরা পাখিরা। আমি, রাহাত, মামুন আর সুজন,চার বন্ধু মিলে ঠিক করলাম, আজ নদীতে গোসল হবে। স্কুল থেকে ফিরে হাঁপাতে হাঁপাতে সবাই এসে হাজির হলাম বাঁশতলা ঘাটে।নদীর পানি ছিল ঠান্ডা আর স্বচ্ছ। ঘাটের ধারে জামাকাপড় খুলে একে একে ঝাঁপ দিলাম। মামুন সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়ল, আরে বাপরে! কী ঠান্ডা, বলে হেসে উঠল। আমরা একে একে নেমে পড়লাম পানিতে। ঠান্ডা পানিতে গোসলের স্বাদই আলাদা।
রাহাত আমাদের চ্যালেঞ্জ দিল, কে আগে মাঝনদীতে পৌঁছাতে পারে!” শুরু হলো সাঁতারের প্রতিযোগিতা। আমি প্রাণপণে চেষ্টা করলাম, কিন্তু সুজন সবাইকে হারিয়ে সবার আগে পৌঁছে গেল। পানি ছিটিয়ে, হট্টগোল করে আমরা একে অপরকে ভিজিয়ে দিলাম। মাঝে মাঝে পানির নিচে ডুবে মুখে ফেনা তুলেও ভয় দেখাত মামুন!তারপর শুরু হলো পানির মধ্যে দাঁড়িয়েই “ভাঙ্গা হাড়” খেলা। রাহাতের কাঁধে চড়ে আমি, আর সুজনের কাঁধে মামুন। ধাক্কাধাক্কি করে যে আগে পড়ে যাবে, সে হারে। খেলতে খেলতে হঠাৎ আমি পেছনে স্লিপ খেয়ে পানিতে ডুবে গেলাম, সবাই হেসে গড়াগড়ি!
ঘণ্টা দুয়েক গোসল করে ক্লান্ত হয়ে আমরা নদীর পাড়ে বসলাম। বাঁশতলার ছায়ায় বসে ভেজা শরীরে গায়ে রোদ মেখে আরাম নিচ্ছিলাম। পাড়ে বসে পা ডুবিয়ে থাকা সেই মুহূর্তগুলো আজও চোখে ভাসে।সেদিনের সেই নদী, সেই হইচই, আর বন্ধুদের সাথে ভাগ করা হাসি-কান্না, সব মিলিয়ে এক অমূল্য স্মৃতি হয়ে গেছে। এখন শহরের ব্যস্ত জীবনে বসে মাঝে মাঝে ভাবি, আহা! যদি আবার ফিরে যেতে পারতাম, সেই নদীর পাড়ে কাটানো দিন গুলো কতই না ভালো হতো।
https://x.com/rayhan111s/status/1934984752962191860?t=Etobdf-6nHi-tU6wSjkA_A&s=19
https://x.com/rayhan111s/status/1935048488867496357?t=Kr5Icq0v78c6e4t2BGaHDQ&s=19
https://x.com/rayhan111s/status/1935041120960135255?t=OgbL7nOHilQ-mwnbPoROIQ&s=19
https://x.com/rayhan111s/status/1935047855640924201?t=megX6AeidzRR3j6WAVEKgA&s=19
https://x.com/rayhan111s/status/1935048309816836297?t=okzT3k2SNNTNXknOCxpMkA&s=19
https://x.com/rayhan111s/status/1935048488867496357?t=Kr5Icq0v78c6e4t2BGaHDQ&s=19