লাইভ স্টাইল // বাজার থেকে ফল কিনে খাওয়ার মুহূর্ত
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (১৮-০৮-২০২৩)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি বাজার থেকে ফল কিনে খাওয়ার মুহূর্ত। আসলে গতকাল রাতে হ্যাংআউট পরে বেশ মন খারাপ হয়ে যায়। হ্যাংআউট শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট পরেই ফোনে শুনতে পারি আমার একটি শিক্ষক মারা গিয়েছে। শিক্ষকের নাম মোঃ সালাউদ্দিন হোসেন। আসলে সেই স্যার আমাকে অনেক ভালবাসত। সেই স্যারের মুখ আমি এখনো ভুলতে পারছি না। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে গোসল শেষ করে স্যারকে দেখার জন্য বাড়ি থেকে বাইক বের করে চলে গেলাম। স্যারের লাশ যখন আমি দেখছিলাম নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারছিলাম না। স্যারের বয়স হয়তো ৪০ থেকে ৪৫ বছর হবে। স্যারের তিনটা কন্যা সন্তান আছে তাদের মুখফানে তাকালে সত্যিই অনেক মায়া লাগছিল। তিনটা সন্তান অনেক ছোট ছোট। স্যারের জানাজায় অংশগ্রহণ করে কবরে মাটি দেওয়ার পরে কোন কিছু আর ভালো লাগছিল না তাই আপনাদের সাথে আর মাঝখানে যুক্ত হতে পারেনি। তারপরে জুম্মার নামাজ আদায় করে বিকেল বেলার দিকে আমি বাড়িতে চলে আসি। বাড়িতে এসেও বেশ মন খারাপ ছিল নামাজ আদায় করে এসে ভাবলাম একটা পোস্ট লিখব। তাই আপনাদের মাঝে বসে গেলাম পোস্ট লেখার জন্য। তবে চলুন পোস্ট নিচে ধাপে ধাপে শেয়ার করা যাক.......
গত কয়েকদিন আগে রাতে বেলায় তিনজন বন্ধু বের হয়েছিলাম ম্যাচ থেকে ফল কিনে খাওয়ার উদ্দেশ্যে। বাজারের মধ্যে তিনজন বেশ কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করেছিলাম। প্রথমে তিনজন গিয়েই লেবুর শরবত খেয়েছিলাম। তারপরে অনেকক্ষণ বাজারে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত হাঁটাহাঁটি করেছিলাম। তারপরে আমাদের এক বন্ধু বলল আজকে ফল খেতে হবে। আমরা সবাই তখন সম্মতি জানিয়েছিলাম। তারপরে আমরা তিনজন একটি ফলের দোকানের সামনে গিয়ে হাজির হয়েছিলাম। তারপর আমি ফল বিক্রেতার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে অনেক সুন্দরভাবে ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আপনারা উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমের ছবি। আসলে ফলের মৌসুমে যেকোনো ফল খেতেই বেশ ভালো লাগে। আমাদের বাড়িতে একটি আম গাছ আছে যাকে বলা হয় ১২ মাসে আম গাছ সব সময় সেই গাছ থেকে আম পাই।
এবার আপনার উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি অনেক সুন্দর ভাবে আপনাদের মাঝে ড্রাগন ফলের ছবি তুলে শেয়ার করেছি। আসলে ড্রাগন ফল খেতে আমারা সবাই কমবেশি অনেক পছন্দ করি। এর আগেও আমি আপনাদের মাঝে ড্রাগন বাগানের ছবি শেয়ার করেছিলাম। গত বছর আমি ড্রাগন বাগানে গিয়ে প্রায় ২০ কেজি মতো ড্রাগন ফল কিনে এনেছিলাম খাওয়ার জন্য। আসলে এই ড্রাগন ফল আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী একটি ফল। আমি প্রায় দিন সকালে এই ড্রাগন ফলের জুস তৈরি করে খেয়ে থাকি। আসলে জুস খেতে বেশ সুস্বাদু লাগে। ড্রাগন ফলের খোসা ছিড়ে ফেল্লে ভিতর কালো তিলে এবং সাদা ফল যেগুলো কামড় দিলে খেতে বেশ সুস্বাদু লাগে।
এবার আপনারা উপরের ছবি দেখে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি অনেক সুন্দর ভাবে দোকানে গিয়ে জামের ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে জাম খেতে আমরা প্রত্যেকে অনেক বেশি পছন্দ করি। আসলে ফলের মৌসুমে যেকোনো ফল খেতে বেশ ভালো লাগে। এই জামের নাম হচ্ছে খুদে জাম। আসলে আমি যখন ছোট ছিলাম আমাদের বাড়ির পাশে একটি জাম গাছ ছিল সেখানে থেকে অনেক জাম খেতাম। এই জাম খাওয়া নিয়ে আমার অনেক মজার একটি ঘটনা আছে সেটা আপনাদের মাঝে পরে শেয়ার করব। আসলে যত পাকবে খেতে তত বেশি ভালো লাগবে।
এবার আপনার উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারছেন যখন স্কেলের উপরে তুলে মাপ ছিল তখন একটি ছবি তুলে শেয়ার করেছি। আসলে এই আম আমাদের কাছ থেকে দোকানদার নিয়েছিল ৮০ টাকা করে। আমরা দেড়শ টাকার আম কিনেছিলাম। আসলে তিনজন বন্ধু আম কেনার সময় বেশ মজা করেছিলাম। বিশেষ করে টাকা দেওয়ার সময়। সবাই বলছিল আমাকে টাকা দিতে হবে কেননা আমি ছবিগুলো তুলে টাকা ইনকাম করব বলে। আমার বন্ধুরাও সবাই জানে আমি অনলাইনে একটা কাজ করি সেখান থেকে প্রতি মাসে ভালো কিছু টাকা ইনকাম করি। তাই বন্ধুদের আবদার আমি সেদিন পূরণ করেছিলাম।
এবার আপনার উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করে দেখতে পারবেন। আমরা তিনজন বন্ধু যখন দাঁড়িয়ে ছিলাম তখন আমি অনেক সুন্দর ভাবে একটি ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে আমি যেকোনো পোষ্টের শেষে আমার নিজের ছবি দিতে অনেক বেশি পছন্দ করি। আসলে আমারা বন্ধুরা মিলে কয়েকদিন পরপর এই বাইরে গিয়ে অল্প কিছু করে ফল কিনে নিয়ে সবাই মিলে খাই। আসলে বন্ধুরা যদি এভাবে সব সময় একসাথে চলাফেরা করা যায় তাহলে বেশ ভালোই লাগে। আশা করি পোস্টে আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। আপনাদের সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/GKibreay/status/1692540156505649175?s=20
হ্যাঁ সংবাদ শোনার পর আমিও খুবই অবাক হয়েছি। এমনটা হবে আমি ভাবতে পারিনি। আসলে যার সময় হবে সেই চলে যাবে কাউকে ধরে রাখা যাবে না। আপনি আপনার পোস্টে নানা রকমের ফললের ছবি দিয়েছেন। আমার কাছে ড্রাগন এবং আম এই দুটো ফল খুবই পছন্দের। ধন্যবাদ সুন্দর সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ মামা পোস্টটি পড়ে এত সুন্দর ভাবে আপনার গঠনমূলক মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
বর্তমান বাজারে ফলের দাম অনেক বেশি। তবে আপনি আমাদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের ফলের পোস্ট করে বেশ ভালোই করেছেন। তিন বন্ধু মিলে বাজারে গিয়ে ফল কেনার অনুভূতিটাই আলাদা। এইসব ফলের ভেতরে আমার কাছে আম ফলটা খেতে বেশি ভালো লাগে।
আপনার কাছে আম ফল খেতে সব থেকে বেশি ভালো লাগে জেনে বেশ খুশি হলাম। ধন্যবাদ আপনার গঠনমূলক মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
আপনার শিক্ষক মারা গিয়েছে শুনে খুবই খারাপ লাগলো। সবচেয়ে বেশি খারাপ লেগেছে তার তিনটি ছোট ছোট কন্যা সন্তান হয়েছে যেটা খুবই কষ্টদায়ক। পৃথিবীতে বাবা-মা ছায়া হিসেবে থাকে তাদের একটি ছায়া পৃথিবী থেকে চলে গেল তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। বন্ধুদের সাথে বাজারে গিয়ে আম কিনে খাওয়ার মুহূর্তটা বিশেষ করে অনলাইনে ইনকাম করেন বলেই বন্ধুরা আবদার করেছে খাওয়ার ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ ভাই পোস্টটি এত সুন্দর ভাবে পড়ে আপনার মূল্যবান গঠনমূলক মতামত শেয়ার করার জন্য। আসলে স্যারের তিনটা কন্যা সন্তানের জন্য আমার নিজের কাছে অনেক খারাপ লাগছে ভাই।