পরিবারের সবাই মিলে বাড়ির কিছু কাজ করার মুহূর্ত।
প্রিয় আমার বাংলা কমিউনিটির ভাইবোন বন্ধুরা,
তো সেই পোস্টে আমি আপনাদের মাঝে বলেছিলাম যে আপুদের জন্য ৪ তারিখেও গাড়ি ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু সেটা পরবর্তীতে ক্যানসেল হয়ে গিয়েছিল। তো ক্যানসেল মূলত চার তারিখে হয়েছিল কিন্তু ৩ তারিখে যেহেতু আমরা হুট করে জানতে পেরেছিলাম যে গতকালকে আপুরা বাড়ি চলে যাবে। তাই হাতে ছিল অনেক কাজ তো সেই সব কাজ করার মুহূর্ত নিয়ে মূলত আজকের পোস্টটা শেয়ার করব তো চলুন আর বেশি দেরি না করে এবারে মূল বিষয়ে আসা যায়।
গত ৩(এটা দুই তারিখ ও হতে পারে আমার এই মুহূর্তে সঠিকটা মনে নাই) তারিখে হঠাৎ করেই দুলাভাই আপুকে ফোন দিয়ে বলে যে গতকালকে তোমাদের জন্য গাড়ি বুক করেছি তাই কালকে তোমাদেরকে ফিরে আসতে হবে। এর সাথে এটাও বলেছিল যে গতকালকে ছাড়া আবার ৯ তারিখে গাড়ি পাওয়া যাবে। আর ৯ তারিখেই ছিল আমার ভাগ্নির পরীক্ষা তার জন্য মূলত দুলাভাই আপুদের জন্য চার তারিখের গাড়ি টাই বুক করে রেখেছিল। তো যেহেতু গাড়ি বুক করা হয়ে গেছে আর ৯ তারিখে ছাড়া গাড়ি পাওয়া যাবে না তার জন্য আপুরা ইচ্ছা না থাকার সত্ত্বেও বাড়ি যাওয়ার জন্য রাজি হয়ে গিয়েছিল।
তবে হাতে ছিল অনেক কাজ। আসলে আমরা ভেবেছিল আপুরা কয়েকদিন পরে যাবে যার জন্য কিছু কাজ ফেলে রেখেছিল যে আস্তে আস্তে কাজগুলো শেষ করবে। আরে হ্যাঁ কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল খই দিয়ে মুড়কি বানানো এবং নারিকেলের নাড়ু বানানো। তো যখন জানতে পারে যে আগামীকালকে গাড়ি তাই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছিল যে আজকের মধ্যেই কাজ গুলো শেষ করার। কারণ কালকে আবার মামানিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল যার জন্য কালকে এসব কাজ করার খুব একটা সময় পাওয়া যাবে না।
তো রাতে আমি যখন বাড়ি আসলাম তখনই আমাকে বলল যে খাওয়া দাওয়া করে কাজগুলো সেরে ফেলতে হবে। তো খাওয়া-দাওয়ার আগে প্রথমে আমাকে নারিকেল গুলোকে ভেঙে ফেলতে বলল। যদিও আগে থেকেই আপু কয়েকটা নারকেল ভেঙে রাখছিল। তো তারপর আমি বাকিগুলো নারকেল একে একে ভেঙে ফেললাম। বেশ কয়েকটি নারকেলের মধ্যেই দেখি গাছ বেরিয়ে গেছে এবং ভিতরে ফোঁপরা জন্মে গেছে। যাই হোক নারেকেলগুলো ভেঙে খাওয়া-দাওয়া করে নিলাম এবারে হাতে ধরিয়ে দিল বেশ কিছু খই এবং বলল যে এগুলো থেকে ধান বেছে দিতে।
যাই হোক আমি এবং আপু দুজনে মিলে খই এর মধ্যে থেকে ধান আলাদা করেছিলাম এবং আম্মু নারিকেল গুলোকে কুড়িয়ে রাখছিল। আর আমাদের এই খই থেকে ধান বাছার সময় আমার ছোট ভাগ্নেটা বেশ দুষ্টামি করছিল। আর মাঝে মাঝেই খই এর মধ্যে থাবা দিচ্ছিল। যেগুলো দেখতে অবশ্যই ভালোই লাগছিল এবং ইনজয় করছিলাম। আর আমি মাঝে মাঝেই দু একটা খই ওর মুখে দিয়েছিলাম দেখি ও খুব মজা করেই খেয়ে নিচ্ছিল। তো এভাবে কিছুক্ষণ কাজ করার পর দেখি অনেক রাত হয়ে গিয়েছে। তো আপু আর থাকতে না পেরে ঘুমিয়ে গিয়েছিল এবং শেষে আমি এবং আমার ভাগ্নি মিলে কোনো রকমে খই গুলো বেছে রেখেছিলাম।
তবে ইচ্ছা ছিল সেই দিনই সবকিছু কমপ্লিট করার কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। কারন আমাদেরও বেশ ঘুম পাচ্ছিল আর তখন রাত একটা বার ছিল। তাই আমি আম্মুকে বলেছিলাম যে আগামীকালকে করতে। তবে চার তারিখে আমি বেশ অবাক এবং খুশি হয়েছিলাম কারণ আমি সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি নারিকেল দিয়ে নাড়ু বানানো কমপ্লিট হয়ে গিয়েছে। আর তার কিছুক্ষণ পরেই জানতে পারি যে আপুদের বাস ও ক্যানসেল হয়ে গিয়েছিল।
তো প্রিয় আমার বাংলা কমিউনিটির ভাই বোন বন্ধুরা, এই ছিল আমার আজকের পোস্ট। তো আমার আজকের পোস্টটা আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। তো আজকের মতো এটুকুই আবারো খুব শীঘ্রই নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে ইনশা-আল্লাহ। ততক্ষণ সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন নিজের খেয়াল রাখবেন।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
https://twitter.com/MdJohir65/status/1723386910360657922?t=hfwndFJoZBRXwaQVdz9ydw&s=19