লাইফ স্টাইল:- ছোট ভাই সুমনের বিয়েতে দাওয়াত খাওয়ার মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি। আমি আজকে একটি লেখার পোস্ট এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে অথবা কোথাও ঘুরতে গেলে ওইসব বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখতে অনেক ভালো লাগে। বেশিরভাগ সুন্দর মুহূর্ত গুলোর পোস্ট পড়তে এবং লিখতে অনেক ভালো লাগে। সব সময় চেষ্টা করি আমার সুন্দর মুহূর্তের অনুভূতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ঘুরতে গেলে নিজে মনটাও ফ্রেশ থাকে। তাই সবসময় চেষ্টা করি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার হাসিখুশির মুহূর্তটা আপনাদের মাঝেও শেয়ার করার জন্য। আশা করি আপনাদেরও পোস্টটি অনেক ভালো লাগবে।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ছোট ভাই সুমনের বিয়েতে দাওয়াত খাওয়ার মুহূর্ত। সুমন মূলত আমার বন্ধু মঞ্জুর ছোট ভাই। মঞ্জু আর আমি ক্লাস ওয়ান থেকে ইন্টার পর্যন্ত একসাথে লেখাপড়া করেছিলাম। আবার মনজুর মা আমাদের আত্মীয় হয়। আর মঞ্জুর ছোট ভাই যখন সুমনের বিয়ে তখন আমাদের পরিবারের সবাইকে দাওয়াত দিলেন। এবং বিয়ের আগের দিন থেকে বিয়ের শেষ পর্যন্ত সবাইকে তারা দাওয়াত দিলেন আমাদের পরিবারের। আপনারা হয়তো অনেকে জানেন আমার মা-বাবা দুইজন বৃদ্ধ মানুষ। তাদেরকে দেখাশোনা করতে হয় এই কারণে ঘরের কেউ যায় নাই। ঘরের বলতে আমার ওয়াইফ বিয়েতে যাই নাই। শুধু বিয়েতে আমি আমাদের পরিবারে একা গিয়েছি।
কারণ বিয়েতে না গেলে মনে করবে তাদের উপর মনে কষ্ট এই কারণে আসে নাই। আর আমি যাওয়ার কারণে তারা মনে করবে পরিবারের একজন হল দাওয়াত আসলো। আবার সুমন আমার ছোট বোনের ক্লাসমেট। আর মঞ্জুর ছোটভাই মানে আমার নিজেরও ছোট ভাই। আর মঞ্জুদের পরিবারে ছোট এবং শেষ বিয়ে। কারণ বন্ধুদের পরিবারের সুমন সবার ছোট। এই কারণে বিয়ের অনুষ্ঠানটিও বড় করেছে। আর সুমন বিয়ে করতেছেন আমাদের বাড়ি থেকে প্রায় 30 কিলোমিটার দূরে ফেনীর পাশে একটি গ্রামে। যদিও আমি হলুদ সন্ধ্যা অনুষ্ঠানে যাই নাই। বিয়ের দিন দুপুরবেলা আমি মঞ্জুদের বাড়িতে গেলাম সুমনের বিয়ের উদ্দেশ্যে। তবে ওই সময় আমি সুমনকে বাড়ির সামনে দেখলাম। তখন আমি তার একটা ছবি তুলে নিলাম। যদিও ছোট ভাই তার সাথে দাঁড়িয়ে ছবি তুললে কি যেন মনে করে।
এরপর আমরা ওইখানে কয়েকজন ক্লাসমেট ও বন্ধু-বান্ধব অপেক্ষা করতে লাগলাম গাড়ি আসলে মেয়েদের বাড়িতে যাব। কারণ ওই দিন ছিল শুক্রবার। মহিলা এবং অন্যান্য মানুষগুলো জুমার নামাজের আগে চলে গেল। আর আমরা গেলাম জুমার নামাজ সুমনদের বাড়ির সামনে নামাজ পড়ে। আর দূরের রাস্তা বিধায় যেতে অনেক টাইম লেগেছে। বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চলের রাস্তাগুলো আঁকাবাঁকা বেশি থাকে। মাইক্রো করে যেতে মেয়েদের বাড়িতে আমাদের এক ঘণ্টার উপরও লাগলো সময়। আর আমরা যখন মেয়েদের বাড়ি সামনে গেলাম তখন দেখলাম সুমনের বিয়ের বর যাত্রী অনেকগুলো খাওয়া দাওয়া করে গাড়ি করে চলে আসছে। আর ওই সময় আমরা মেয়েদের বাড়িতে গেলাম। তবে আমরা গিয়ে প্রথমে খাওয়া দাওয়া করতে বসে গেলাম।
আর ওই সময় বিয়ে বাড়িতে কোন ঝামেলাই ছিল না। তারাই বলতে লাগলো বসে খাওয়া দাওয়া করে ফেলতে। আমরা লাস্টে যাওয়া লোকগুলো একসাথে বসলাম খাওয়া-দাওয়া করতে। তবে ওইখানে গিয়ে আমার বন্ধু সজীবকে দেখতে পেলাম। কারণ সজিবের সাথে আমার অনেক দিন পর দেখা হল। আমার বিয়ের সময় সজিবের সাথে আমার দেখা হয়েছিল আর দেখা হয় নাই। তারপর সজীব আর আমি একসাথে বসে খাওয়া-দাওয়া করলাম। আর খাওয়া-দাওয়া করতেও বেশ ভালো লাগলো। কারণ ওই সময় ক্ষুদা অনেক ছিল। তারপর খাওয়া দাওয়া করে যখন বাহির হলাম তখন দেখলাম সুমনের বিয়ের গেটের সামনে মালা এবং গেট সালামি নিচ্ছে। যদিও আমি একটু দূরে ছিলাম ছোট ভাইয়ের বিয়ে তাই।
কিছুক্ষণের মধ্যে গেটের সালামি নেওয়া হয়ে গেল তারপর বরকে খাওয়া দাওয়া করতে দিল। তবে মজার বিষয় হচ্ছে মেয়েদের বাড়িতে টেবিলের উপর পান রাখা হলো। আমার বন্ধু সজিব যখন পান খাচ্ছে। তখন আমি নিজেও ওইখান থেকে নিয়ে এক খেলি পান খেলাম। হালকা পান খাওয়ার পর আমার মাথা শুধু ঘুরতে লাগলো। অনেকে বলে পান খেলে নাকি মাথা ঘুরে। আর আমি যখন পান একটু খেলাম আমার মাথার চারপাশ শুধু ঘুরতে লাগলো মনে হয়।। আর কিছুক্ষণ বসে থাকার পর একটু স্বাভাবিক হলাম। তারপর আমরা মেয়েদের বাড়ি থেকে বরসহ একসাথে বাহির হলাম। কারণ সুমনের বিয়ে এবং মেয়েদের বাড়িতে সব কাজ শেষ করে একসাথে গাড়িতে উঠলাম। সত্যি ঐদিন মেয়েদের বাড়িতে বিয়ে খেতে গিয়ে বেশ ভালো লাগলো। এই হচ্ছে ছোট ভাই সুমনের বিয়েতে মেয়েদের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার মুহূর্ত।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।
https://x.com/Jamal7183151345/status/1911706146169405578?t=iRDNY3kJrusJtM2iJE2-LA&s=19
https://x.com/Jamal7183151345/status/1911708718816706875?t=8CcbA2CfBcmQ4jZePMXkew&s=19
https://x.com/Jamal7183151345/status/1911709431467057158?t=mz6t8a1ppdZa9Etjg1tBxg&s=19
https://x.com/Jamal7183151345/status/1911710202396885289?t=eNbHtQ1VjSslML54jhhL6g&s=19
ছোট ভাইয়ের বিয়েতে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন। আসলে ছোট ভাইয়ের বিয়েতে গেট থেকে একটু দূরেই থাকতে হয় হা হা হা । যাইহোক বেশ মজা করে খেয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর ভাবে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনার বন্ধুর ছোট ভাইয়ের বিয়েতে খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন দেখছি। বিয়ে বাড়ির খাবার কিন্তু বেশ মজা হয়। অনেকদিন হলো এরকম গ্রামের বিয়েতে যাওয়া হয় না। আপনার কাটানো মুহূর্তগুলো দেখে বেশ ভালো লাগলো। মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনি তো দেখছি বন্ধুর ছোট ভাই সুমনের বিয়ের দাওয়াত মজা করে খেয়েছেন। তবে গ্রামাঞ্চলে বিয়ে গুলো এমনিতে মজা হয়। আর ছোট ভাইদের বিয়েতে গেটের মধ্যে না যাওয়াই ভালো। এবং দূরে বিয়ে-শাদী হলে যেতে একটু কষ্ট হলেও ভালো সময় উপভোগ করা যায়। আর আপনার পোস্ট পড়েই বোঝা যাচ্ছে ভালোই খাওয়া দাওয়া করেছেন এবং ভালোই সময় কাটিয়েছেন। ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি দেখে।