পৃথিবীতে নিজের আয়ু বৃদ্ধি করা আদৌ সম্ভব কি?
আমি @rahnumanurdisha বাংলাদেশ থেকে। কেমন আছেন আমার বাংলা ব্লগ এর সকল ইন্ডিয়ান এবং বাংলাদেশি বন্ধুরা?আশা করছি সকলেই অনেক ভালো আছেন?আমিও ভালো আছি আপনাদের দোয়ায়।ফিরে এলাম আপনাদের মাঝে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে। আশা করছি আমার আজকের ব্লগটি আপনাদের ভালো লাগবে।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে যে বিষয়টি নিয়ে লিখতে যাচ্ছি,সেটা নিশ্চয় পোস্টের টাইটেল দেখেই বুঝতে পেরে গিয়েছেন বন্ধুরা।পৃথিবী সৃষ্টিকর্তার সবগুলো সুন্দরতম সৃষ্টির মধ্যে একটি।আমরা পৃথিবীতে এসেছি ক্ষণিকের অতিথি হয়ে।তারপরেও আমাদের পৃথিবীতে ভালো থাকতে কতো ধরনের চেষ্টা।নিজের আনন্দ বিসর্জন দিয়ে ছুটে চলেছি যে যার কাজের পিছনে।অবশ্য ভালো থাকার মূলমন্ত্র তো কাজ।কাজ না করলে মানুষ ভালোই থাকবে বা কিভাবে।যিনি যত বেশি পরিশ্রমী তার সফলতার রেট টাও ততবেশি।একপর্যায়ে সুখী ব্যক্তির উপমাও তার জন্যই।এর মধ্যে সুখী থাকতে কেউ কেউ সৎ উপায় অবলম্বন করছেন আবার কেউ অসৎ উপায়।
আবার হাঙ্গামা,রাহাজানি,মারামারি করে নিজের ক্ষমতা খাটিয়ে দুর্বলের উপর করছেন হামলা।একপর্যায়ে গিয়ে দেখা যায় যে,এসব করতে করতে যার জন্য এতো কিছু সেটা আর পাচ্ছেন না মানুষ।অর্থাৎ মানুষটি পৃথিবীতে একটু বেশিদিন বেঁচে থাকার জন্যই তো এতকিছু করেছিলেন।কিন্তু পরবর্তীতে তার সময় ফুরিয়ে যায়।
বন্ধুরা, আপনারা কি এটা বিশ্বাস করেন যে,পৃথিবীতে যিনি বেশিদিন বেঁচে থাকতে চান।তিনি তার ইচ্ছা অনুযায়ী সময়ের অনেকটা আগে মৃত্যুবরণ করেন।আপনারা নিশ্চয়ই আমেরিকান সিঙ্গার মাইকেল জ্যাকসন এর নাম শুনেছেন।তিনি এক বিখ্যাত ব্যক্তি ছিলেন।তার সম্পর্কে জানেন না এমন ব্যক্তি খুব কমই আছেন।তার টাকা ,পয়সা,অর্থ সম্পদ কোনোটার কমতি ছিলনা।আর যেহেতু সিঙ্গার তার টাকা পয়সাও সম্ভবত বৈধ পথেই অর্জিত ছিল।কিন্তু তিনি চেয়েছিলেন যে ১৫০ বছর বাঁচতে ।এজন্য তার কতো পদক্ষেপ ছিল।তিনি সবসময় ডাক্তার চেকআপের মধ্যে থাকতেন ।এরপরে তার প্রতিদিনের খাবার পরীক্ষা করে খেতেন।যাতে করে তার শরীরে কোনো ধরনের রোগ ব্যাধি বাসা বাঁধতে না পারে।কিন্তু একপর্যায়ে গিয়ে তার হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া থেমে যায় মাত্র ৫০ বছর বয়সে।
আমরা আর যায় পারিনা কেন নিজের আয়ু বাড়াতে পারিনা।এই দেখুন না মাইকেল জ্যাকসন তার তো কোনো অর্থের অভাব ছিল না,বেঁচে থাকার ইচ্ছারও অভাব ছিলনা।শুধুমাত্র বেঁচে থাকতে তার হাজার পরিকল্পনা, হাজার চেষ্টা ছিল।তারপরেও সৃষ্টিকর্তার ডাকে সাড়া দিয়ে তাকেও পাড়ি জমাতে হলো না ফেরার দেশে।আমরা মাইকেল জ্যাকসনের জীবনী থেকে একটা শিক্ষায় পাই,সেটি হচ্ছে অর্থ,সম্পদ আমাদের জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়া আটকাতে পারেনা।তাই নিছক এই অর্থ সম্পদকে জীবনের সবকিছু না ভাবাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।সর্বোপরি, সবার উচিত এই স্বল্প মেয়াদী জীবনকে উপভোগ করা।
ধন্যবাদ সবাইকে আমার ব্লগটি পড়ার জন্য।আমার আজকের ব্লগটি কেমন লেগেছে কমেন্টে জানতে ভুলবেন না কিন্তু বন্ধুরা । আবার নতুন কোনো ব্লগ নিয়ে খুব শীঘ্রই আপনাদের মাঝে উপস্থিত হবো। সেই পর্যন্ত সবাই সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।
Post by-@rahnumanurdisha
Date-26November,2023
VOTE @bangla.witness as witness
OR
VOTE @bangla.witness as witness
পৃথিবীতে নিজের আয়ু বৃদ্ধি করা কখনোই সম্ভব নয়। এই পৃথিবীতে তো আমরা এসেছি কয়েকদিনের অতিথি হয়ে। অতিথি হয়ে এসেও টাকা পয়সার পিছনে ছুটতে ছুটতে মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে আসে। টাকা-পয়সা, অর্থ-সম্পদ কোন কিছুই মৃত্যুকে ঠেকাতে পারবেনা।আপনার পোস্টটি পড়ে খুবই ভালো লাগলো আপু।
ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
আমাদের পৃথিবীর জীবনটা ক্ষণস্থায়ী। আসলে এটা ভাববার বিষয় একটি মাটির পাতিল এর যে ভরসাটুকুনি আছে আমাদের জীবনের কিন্তু সেই ভরসাটা নেই।
একটা নিঃশ্বাস ছেড়ে দিচ্ছি পরবর্তীতা টেনে তুলতে পারব কিনা জানিনা।
আসলে পৃথিবীতে কেউ চাইলেই দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারবে না যদি না সৃষ্টিকর্তা তাকে করুনা করে।
আপনি এই বিষয় নিয়ে সুন্দর আলোচনা করেছেন খুবই ভালো লাগলো পড়ে।
জি ভাইয়া ,একদম ।ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মতামত প্রকাশ করার জন্য।
খুব সুন্দর কথা লিখেছেন আপনি আমরা আসলেই পৃথিবীতে ক্ষনিকের অথিতি।কিন্তুু আমরা তা মানতে চাই না এবং ধন,সম্পদশালী হওয়ার জন্য মারিয়া হয়ে উঠি।আয়ু সৃষ্টিকর্তা যতোদিন দিয়েছে ঠিক ততদিনে পৃথিবীতে থাকতে পারবো আমরা।তার জলজন্তু প্রমান মাইকেল জ্যাকসন।যদি কি না ১৫০ বছর বেঁচে থাকার আকাঙ্খায় কতো আয়োজন করেছিলেন কিন্তুু ৫০ বছর বয়সে অকাল মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হয়।এই থেকে একটাই শিক্ষা হয় যে টাকা,পয়সা,ধন সম্পদ মৃত্যুর কাছে অসহায়। ধন্যবাদ খুব খুব সুন্দর গুছিয়ে শিক্ষানীয় পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে উৎসাহিত করার জন্য।
জন্ম ও মৃত্যু সবই আল্লাহর হাতে মানুষ কখন কিভাবে মারা যাবে কেউই জানে না। তবুও নেক কাজের মাধ্যমে মানুষের আয়ু বাড়ে নিজের জীবনকে সঠিক এবং ভালোভাবে পদার্পণ করলে সুস্থতা এবং নিজের আয়ু বৃদ্ধি পায়। যে উদাহরণটি দিলেন আসলে মানুষ সুস্থ থাকা অবস্থায়ও এমন একটি রোগে আক্রান্ত হবে দেখা গেছে অল্প বয়সে এসে মৃত্যুবরণ করে সেটা হল ভিন্নতা ।
জি ভাইয়া একদম ঠিক বলেছেন আপনি,ধন্যবাদ আপনাকে।
এই পৃথিবীতে কেউই চিরস্থায়ী থাকার জন্য আসেনি সবাইকে নির্দিষ্ট একটা সময় পড়ে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। এরপরেও আমরা বেঁচে থাকার জন্য কত রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করি আপনি যেমনটা মাইকেল জ্যাকসনের কথা বললেন। মানুষ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য অনেক রকম পদ্ধতি অবলম্বন করলেও মানুষ পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারে না ঠিক নির্দিষ্ট একটা সময় পর্যন্ত এই মানুষ পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারে। এত এত সম্পদ এত এত ক্ষমতা এ সকল কিছু নিমিষেই শেষ হয়ে যায়। পৃথিবীতে নিজেকে দীর্ঘস্থায়ী করে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব না হলেও নিজের কাজের মাধ্যমে পৃথিবীতে নিজের নাম ধরে রাখা সম্ভব বলে আমি মনে করি। ভালো লাগলো আপনার আজকের এই সুন্দর পোস্ট পড়ে। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপনার ভালো লেগেছে আমার লেখাটি জেনে খুশি হলাম।ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে ।
আমাদের যার জীবন যতটুকু ততটুকুই আমরা বেঁচে থাকব। আসলে আমরা ক্ষণিকের অতিথি মাত্র। যেকোনো সময় আমরা এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যেতে পারি। যতই আমরা নিজের আয়ু বানানোর চেষ্টা করি না কেন, আমাদের মৃত্যু তো অবশ্যই হবে তা যখন হওয়ার তখনই। আপনি আমেরিকান সিঙ্গার মাইকেল জ্যাকসন এর বিষয়টা নিয়ে অনেক সুন্দর উদাহরণ দিয়েছেন, যেটা আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে পড়ে। আসলে আমরা চাইলেই নিজেদের আয়ু বাড়াতে পারবো না, আমাদের যতই ধন-সম্পদ, অর্থ থাকুক না কেন।
ধন্যবাদ আপু আপনাকে সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে উৎসাহিত করার জন্য সবসময়।
আমাদের আয়ু ক্ষনস্থায়ী।আমরা চাইলে ও আমাদের আয়ু বৃদ্ধি করতে পারবো না।আমরা যতই টাকা পয়সার দোহাই দেই না কেন। আমাদের বেঁচে থাকার কোন গ্যারান্টি নেই।খুব চমৎকার উদাহরন দিলেন মাইকেল জ্যাকসনের জীবনী দিয়ে।খুব সত্যি কথা তিনি এতো টাকার মালিক হয়েও নিজেকে বাঁচাতে পারেননি।তাই এই বৃথা চেষ্টা করে কোন লাভ নেই।যার যখন সময় হবে তখন তাকে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে।ধন্যবাদ আপু সুন্দর এই বিষয়টি নিয়ে পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
টাকা দিয়ে সবকিছু করা গেলেও, মানুষের মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব হয় না। কারণ জন্ম মৃত্যু একমাত্র আল্লাহর হাতে। সুতরাং দুই দিনের দুনিয়ায় আমাদেরকে ভালো ভালো কাজ করতে হবে, যাতে করে মৃত্যুর পরও মানুষজন আমাদেরকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। কারণ মানুষ কর্মের দ্বারা যুগ যুগ পৃথিবীতে বেঁচে থাকে। দুনিয়াতে থাকা অবস্থায় আমাদেরকে পরকালের জন্য বেশি বেশি আমল করতে হবে এবং জীবনটাকে যতটুকু সম্ভব ভালো উপায়ে উপভোগ করতে হবে। মাইকেল জ্যাকসনের উদাহরণটা খুব ভালো লেগেছে আপু। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।