নারী-পুরুষের সমান অধিকার আছে দুজনেই ব্যস্ত থাকে
কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই অনেক ভাল আছে আজকে আবার আপনাদের মাঝে ফিরে আসলাম কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করার জন্য এবং অবশ্যই এটা আমাদের দৈনন্দিন জীবন নিয়ে।
যদি আমার লেখার ভেতরে কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে যদি কারো মনে আঘাত দিয়ে কথা বলে থাকি তাহলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন আমি এটা শুধুমাত্র আমাদের মানব জাতির উদ্দেশ্যে কথাগুলো বলছি কারো মনে দুঃখ দিয়ে কোন কথা বলার আমার কোন অধিকার নেই।
আসলে বন্ধুরা আজকে আমি নারী ও পুরুষ নিয়ে কিছু কথা বলার চেষ্টা করব আপনাদের সাথে আশা করি আপনারা মনোযোগ সহকারে পড়বেন তাহলে অবশ্যই বুঝতে পারবেন।
একটি কথা আমরা সবাই জানি কিন্তু আসলে মানতে রাজি হয়না সেটা হল একজন পুরুষ সর্বদাই ধান্দায় থাকে উপার্জন করার আর একজন নারী সর্বদা ধান্দায় থাকে তার দেহ গঠনের ওপর ব্যস্ত থাকে আসলে এটা স্বাভাবিক এটা কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না কিন্তু এখানে কিছু বোঝার আছে।
কথাটা বলার অর্থ টা কি আসলে অর্থ টা এমন যে আমরা পুরুষ জাতি সবসময় চেষ্টা করি ইনকাম করার কিভাবে আমরা দুটো পয়সা উপার্জন করতে পারব এবং সেটা কিভাবে উপার্জন করতে হবে সে চিন্তায় আমাদের মাথায় সবসময় ঘোরাঘুরি করে।
আমরা যে কোন পর্যায়ে যেকোনো মূল্যে আমরা উপার্জন করার চেষ্টা করি সেটা যতই হোক না কঠিন কাজ যেটা অন্যরা করতে চায় না আমরা পুরো জাতি সেটা করতে চাই কারণ সেটা করলে আমরা কিছুটা উপার্জন করতে পারব এটার জন্যই পুরুষরা সব সময়েই ইনকামের একটি মেশিন যারা ইনকাম করবে এবং মহিলারা সেটা অনুভব করবে।
আসলে এ কথাটা বলা মানে যে কেন মহিলারা তাদের দেহ গঠনের জন্য ব্যস্ত থাকে অবশ্যই যখন স্বামী স্ত্রী একটি ছেলে একটি মেয়ে যখন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তখন এই পুরুষ সবসময় চায় তার সহধর্মিণী যেন তার কাছে সব সময় অনেক সুন্দর দেখায় তার সাথে নম্র ভদ্র ভাবে কথা বলে তাকে দেখতে যেন সবসময় ভালো লাগে পুরুষটি যত বড় কষ্টের কাজ করে আসুক না কেন সে চাই বাসায় এসে তার সহধর্মিনী কে একটু সুন্দর পর্যায়ে দেখতে।
তাইতো আমাদের নারী বা আমাদের মা জাতি চেষ্টা করে সবসময় সেজেগুজে তাদের শরীরটাকে সুন্দর রেখে তার স্বামীর সামনে উপস্থাপন করার এর জন্যই নারীরা তাদের দেহ গঠনের জন্য সবসময় ব্যস্ত থাকে।
আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষই আছে যারা অনেক সময় বলে যে তুমি তো ঘরে বসে বসে খাও তুমি কি কাজ করো আসলে যদি পুরুষ জাতি বসতো যে আসলে নারীদেরও কত কষ্ট করতে হয় একটি সংসার একত্রিত করার জন্য কত জ্বালা পোহাতে হয় শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে আসলে যার কষ্ট সেই বোঝে একটা কথা আছে।
তাই কখনো কারোর থেকে কেউ ছোট মনে করবেন না নারী পুরুষের সমান অধিকার এবং সমান কষ্ট করে আসছে যুগ যুগ ধরে তাই কখনো কাউকে ছোট করে দেখার আপনার উচিত নয় তাই কখনো একজন পুরুষ নারীকে ছোট করে দেখবেন না।
তো বন্ধুরা আজকে এত টুকুই বলার ছিল আপনাদের সাথে আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন এবং যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন এবং যদি আমার কথাগুলো আপনাদের ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করতে ভুলবেন না ধন্যবাদ
অসংখ্য ধন্যবাদ।আপনার সমতার উপলব্ধির জন্য।
অনেক ধন্যবাদ আপু চেষ্টাকরেছিস যতটুকু সম্ভব