হাসির গল্প "গুড়ের লাভ লোভ" এর দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব।।।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি অবারাকাতুহু।
রোজ-সোমবার।৬ ই,অগ্রহায়ণ।১৪২৯,বঙ্গাব্দ।হেমন্তকাল।।
হ্যালো বন্ধুরা ?
আমি আনিসুর রহমান।আমার ইউজার আই ডি @anisshamim।মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি “আমার বাংলা ব্লগ” এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ,আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন।আপনাদের দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ আমি ও ভালো আছি।কয়েকদিন আগে আমি আপনাদের মাঝে
হাসির গল্প "গুড়ের লাভ লোভ" এর প্রথম পর্ব নিয়ে হাজির হয়েছিলাম।গল্পটি আপনাদের ভালো লেগেছিল।যার দরুন আজ আমি আবারও সেই গল্পটির দ্বিতীয় ও শেষ পর্বটি নিয়ে হাজির হয়েছি।আশাকরি,গল্পটির এই পর্বও আপনাদের ভালো লাগবে।
আমার এক বন্ধু বলল,মানুষ যে বলে গুড়ের লাভ নাকি পিঁপড়ায় খায়,কথাটা একদম ঠিক না।কারণ,আমি খুব ভালোভাবে খেয়াল করেছি,কোনটা গুড়ের লাভ আর কোনটা নরমাল জিনিস,সেটা পিঁপড়ারা বোঝে না।যদি বোঝতো,তাহলে বাসায় রোজ রোজ এত কীটনাশক ছিটাতে হতো না।
আমি আমার বন্ধুকে বললাম,তোর কথার আগামাথা আমি কিছুই বুঝতে পারিনি।তুই আমাকে একটু বুঝিয়ে বলতো বন্ধু।আমার বন্ধু আমাকে বলল,তোকে বোঝানোর আসলে কিছুই নেই।তারপরও যেহেতু তুই শুনতে চাইছিস।তবে তোকে বলি,শোন।আমার বাসার ডাইনিং টেবিলে সারা দিনই পিঁপড়া ওঠে।এই পিঁপড়ারা গুড়ের লাভও চিনে না,অন্য জিনিসপত্রও চিনে না।
যদি চিনতো,তাহলে গতকাল চাম্পা কলা কিনে আনার পর টেবিলে পিঁপড়ার এই উৎসব বসতো না।তুই চিন্তা কর বন্ধু, কই গুড়ের লাভ আর কই চম্পা কলা।আমি তো মনে মনে বলে ফেললাম,আরে বেআক্কেলের দল পিঁপড়া, তোরা গুড়ের লাভ খাস ঠিক আছে,কিন্তু চাম্পা কলা খেতে হবে কেন?কলা কি কোনভাবে গুড়ের শ্রেণিভুক্ত হয়?হওয়া কি সম্ভব?
এমন সময় আমার এক প্রতিবেশী বললেন, গুড়ের লাভ পিঁপড়ায় খাওয়ার মানে হচ্ছে, যার লাভ পাওয়ার কথা, সে না পেয়ে অন্য কেউ পাওয়া। আমি তাকে মশকরার ছলে বললাম,এইটুকু বোঝার জ্ঞান তো হয়েছে জনাব।আপনি মূলত কি বোঝাতে চেয়েছেন, সেটা একটু পরিস্কার করে বলেন।
আমার প্রতিবেশী মৃদু স্বরে বললেন, কি আর বোঝাবো বলেন ভাই! কষ্ট করে টাকা রোজগার করি আমি,সেক্ষেত্রে কিছুটা আরাম আয়েস আমার করার কথা।ঠিক কিনা বলেন ভাই। কিন্তু মার্কেটে মার্কেটে ঘুরে শপিং করে আপনার ভাবি।অতএব, বুঝতেই পারছেন গুড়ের লাভ কিভাবে পিঁপড়ায় খায়।ও হ্যাঁ ভাই, পিঁপড়া কিন্তু একা একা চলে না।দলে বলে চলে।না,মানে আমার শ্বশুড়বাড়ির সদস্য সংখ্যা ম্যালা তো!
পরিশেষে আমি চেষ্টা করেছি গুড়ের লাভ লোভ দ্বিতীয় ও শেষ পর্বের মাধ্যমে আপনাদের কিছুটা বিনোদন দেওয়া জন্য।জানিনা কতটুকু পেরেছি। তবে যদি আপনাদের এই পর্বটি ভালো লেগে থাকে তবে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন।কারন, আপনাদের উৎসাহমূলক মন্তব্য আমাকে আরো নতুন কিছু নিয়ে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে অনুপ্রেরণা যোগাবে। আজ এ পযর্ন্তই।অন্যদিন অন্য কোন পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে আবারও হাজির হবো।
আমার পরিচিতি
আমি আনিসুর রহমান। আমার স্টিমিট আইডি @anisshamim।আমার জন্মস্থান মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে।আমি বাংলা ভাষার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্যেবোধ করি এবং বাঙালি হিসেবে নিজেকে খুব গর্বিত মনেকরি।ভ্রমন করা আমার খুব সখ।তাছাড়া সময় পেলেই কবিতা লিখা এবং মজার মজার রেসিপি তৈরি করা।গল্পের বই পড়তে ও খুব ভালো লাগে।অন্যের কষ্টে নিজেকে বিলিয়ে দিতে খুব ভালোলাগে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
অবশ্য খরচ করতে সমস্যা নেই, তবে প্রয়োজনে খরচ করলে সেটা ভালো। আর অপ্রয়োজনে করলেই সমস্যা।অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া, এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
Hello, friend!
This is a free upvote from @steemgoon.witnez.
I am a new witness on STEEM, thanks in advance for your support.
Our main goal is contributing to the stabilization of the STEEM blockchain.
Or
(Go to https://steemit.com/~witnesses go at the bottom of the page, type steemgoon.witnez and click VOTE)
If you vote for me as a witness, you can get my daily little vote.
সত্যি বলেছেন ভাইয়া গুড়ের লাভ লোভ পিঁপড়ায় খাওয়া স্বাভাবিক। ঠিক তো পিঁপড়া গুড়ের লাভ খাস ঠিক আছে,কিন্তু চাম্পা কলা খেতে হবে কেন?দারুণ। লোকটি ঠিক বলেছেন কষ্ট করে টাকা রোজগার করে উনি আর তার ফল ভোগ করে উনার বউ। এ কারণে তো বলেছে গুড়ের লাভ লোভ পিঁপড়া খায়।
গল্পটি পড়ে এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আমি প্রথম প্রথম বুঝতে পারছিলাম না।যাই হোক পরিশেষে কিছুটা বুঝতে পারলাম। কষ্ট করে ইনকাম করে ঘরে রেখে দিলেও তো ইদুরে খাবে😂😂।তাই ভাবি পিঁপড়া দের খাওয়ায় মার্কেটে যেয়ে।এই আরকি😜😜।
সেটা মন্দ বলেন নি আপু।অসংখ্য ধন্যবাদ আপু,এত সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্যে জন্য।
হাহাহাহাহা প্রচুর মজা পেয়েছি ভাই। আসলেই এই দুনিয়ায় পুরুষ মানুষ হল কলুর বলদ,আর স্ত্রী শ্রেণী হচ্ছে লাভের গুড় খাওয়া পিপড়া সম্প্রদায়ের।ধন্যবাদ ভাইয়া মজার গল্পটি শেয়ার করার জন্য।
গল্পটি আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুব ভালো লাগলো।আপনার জন্য শুভকামনা রইল ভাইয়া।
ভাইয়া সবসময় কি শুধু মেয়েদেরই দোষ হয় তাইনা। একটি মেয়ে যখন সারাদিন আপনার সংসার পরিচালনা করে তখন তার কতটা কষ্ট হয় সেই খবর কি রাখেন। সেই হিসেবে তাকে তো একটু হলেও পারিশ্রমিক দিতে হয় তাইনা। যাই হোক খুব মজার একটি পোস্ট লিখেছেন ভাইয়া। আপনার এই পোস্ট পড়ে অনেক মজা পেলাম। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
হা আপু এটা ঠিক, একটা সংসার সুখী করে গড়ে তোলার জন্য মেয়েদের অনেক অবদান আছে। আসলে স্বামী ও স্ত্রী দুজন মিলেই সুখী সংসার। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু,এত চমৎকার মন্তব্যে জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
ভাইয়া বেশ মজা পেলাম আপনার এই গল্পটির মাধ্যমে 😁। যাইহোক আসলে ভাইয়া সংসার ইনকাম করে ছেলেরা, কিন্তু সংসারের যাবতীয় খরচা খরচ পরিচালনা কিন্তু মেয়েরাই করে। যদি আপনি ইনকাম করে আপনি সংসার চালাতে চান,তাহলে আপনার উপর বেশি চাপ পড়ে যাবে । সংসারের বড়সড়ো দায়িত্ব গুলো আপনারা নিলেও ,ছোটখাটো হাজারো দায়িত্ব কিন্তু আপনাদের স্ত্রীরাই নেয়।
হা আপু এটাও ঠিক। কারন দুইজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটা সংসার সুখের হয়।অসংখ্য ধন্যবাদ আপু, এত সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করে আমাকে উৎসাহিত করার জন্য।
প্রথমে খুব প্যাঁচালো লাগছিল গল্পটি। কিন্তু শেষে গিয়ে আসল কাহিনী বুঝতে পারলাম। সেই মেয়েদেরই দোষই তো দিলেন ভাইয়া। মেয়েরা কি শপিং করেই সব উড়িয়ে দেয় নাকি। মেয়েরা গুছিয়ে না রাখলে সংসার কি আর টিকে থাকতো। ছেলেরা কেন যে মেয়েদের দোষ দিয়ে এত শান্তি পায় বুঝতে পারি না। ভালো লিখেছেন বলতে পারলাম না😭।ধন্যবাদ আপনাকে।
হা আপু এটাও ঠিক, মেয়েরা সংসার না গুছিয়ে রাখলে অনেক সমস্যা হতো।আর একটা সংসার ঠিক রাখার জন্য ছেলে মেয়ে দুজনকেই খুব পরিশ্রম করতে হয়।অসংখ্য ধন্যবাদ আপু। এবার তো ঠিক আছে আপু।
হাহা! এই ধরণের ছোটখাটো কৌতুকগুলো পড়ে বেশ সুন্দর মজা পাওয়া যায় হাস্যরসের জন্য সব সময় নোংরা ইঙ্গিত, খারাপ ভাষা,নোংরা কথার প্রয়োজন হয় না। বরং সাধারণ জীবনযাত্রা থেকেও হাস্য কৌতুক বার করে আনা যায়। আজ সেটা আপনি প্রমাণ করলেন দাদা। ধন্যবাদ। ☺
অসংখ্য ধন্যবাদ দিদি, এত সুন্দর করে উৎসাহমূলক মন্তব্যের মাধ্যমে আমাকে উৎসাহিত করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল দিদি।