শের-ই-পাঞ্জাব ধাবাতে
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।গত সপ্তাহের একটি পর্বে আমি বলেছিলাম যে বোনকে আনতে আমি আর ব্ল্যাকস কোলাঘাট গিয়েছিলাম ।আজ আমি আপনাদের সাথে কোলাঘাট যাওয়ার পরে যে ধাবাটিতে খেতে গিয়েছিলাম, তার কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নিলাম ।আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
কোলাঘাট যাওয়ার জন্য আমরা বেরিয়েছিলাম সকাল সাড়ে সাতটার সময় ।আর নটার সময় আমরা কোলাঘাট পৌঁছে গিয়েছিলাম। যেহেতু আমরা সকাল সকাল বেরিয়ে গিয়েছিলাম তাই একেবারেই না খাওয়া ছিলাম তাই জন্য আমরা কোলাঘাট যাওয়ার পথে রাস্তায় একটি জায়গাতে চা খাওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলাম ।চা নেওয়ার পর বুঝতেই পারলাম না ওটা চা খাচ্ছি না কি খাচ্ছি! না চা পাতার কোনো টেস্ট পেলাম ,না যে জল দিয়ে চা করা হয়েছে সেটার টেস্ট রয়েছে যথারীতি এক চুমুক দেওয়ার পরই আমি ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। কারণ আমার কাছে চা একেবারেই ভালো লাগেনি ।কোনো কথা না বাড়িয়া কিছুক্ষণের মধ্যে বোনের কলেজে এসে পৌঁছালাম । কলেজের ক্যাম্পাসটা ব্ল্যাকস কে ঘুরিয়ে কলেজের উল্টোদিকে শেরে পাঞ্জাব ধাবাতে গেলাম ।
এই শেরে পাঞ্জাব ধাবাটি এমন একটি জায়গায় যেটা দীঘা সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার একদম মাঝখানে এই ধাবাটি । তাই যখনই কেউ গাড়ি নিয়ে দীঘা ঘুরতে যায় তখনই কিন্তু এখান থেকেই সবাই ব্রেকফাস্ট করে যায় । তাছাড়া ও এই ধাবাটি খুব নামকরা। এখানে প্রত্যেকটি খাবারের টেস্ট খুবই ভালো তার সাথে লোকেশনটা ও ভীষণ সুন্দর একটি জায়গায় এবং এখান থেকে ভিউ টাও খুব সুন্দর ।আর এখানে অনেকটা সময় কাটানোর জন্য খুব সুন্দর একটি জায়গা ।বহু মানুষ এখানে এই ধাবাতে খাওয়ার জন্য এসে ভিড় করে ।আর আমার এই নিয়ে এখানে ৪-৫ বার আসা হলেও কিন্তু এই ধাবাটির পাশাপাশি জায়গা এই বছর এসে দেখলাম পুরোপুরি বদলে গেছে। মানে এত সুন্দর রাস্তাঘাট সাজানো হয়েছে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না ।
তাছাড়া আশেপাশে প্রচুর হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট হয়েছে ।কিন্তু যতই হোটেল আর রেস্টুরেন্ট পাশাপাশি হোক না কেন এই ধাবাটিতে যাওয়ার একটা আলাদাই ব্যাপার রয়েছে যাই হোক আমরা এখানে পৌঁছানোর পর সবার প্রথমে দু কাপ চা , চিকেন স্যান্ডউইচ আলু পরোটা আর এগ দো পেঁয়াজা অর্ডার করলাম ।খুব তাড়াতাড়ি খাবার চলে এসেছিল ।আর প্রত্যেকটা খাবারের টেস্ট খুব ভালো ছিল। যেহেতু অনেক বেলা হয়ে গেছিল খেতে তাই খুব তাড়াতাড়ি খাওয়া হয়ে গেছিল। খাওয়া দাওয়া করে আমরা আশেপাশে জায়গাটা একটুখানি ঘুরে দেখছিলাম। ভীষণ সুন্দর জায়গাটি হয়েছে ।তারও কিছু ছবি আমি আপনাদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছি ।প্রায় কুড়ি পঁচিশ মিনিট আশেপাশে ঘোরার পর আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

২০ মিনিট সময় হলে এমন জায়গা মোটামুটি ঘুরে দেখার জন্য যথেষ্ট। তবে মাটির কাপে দুধ চা দেওয়া এই বিষয়টি বেশ ইউনিক লেগেছে দিদি।
মাঝে মাঝে আমার সঙ্গেও এমন হয়ে থাকে। বাইরে কোন স্টল থেকে চা খেতে গেলে দেখি তারা চায়ের কিছুই জানে না মনে হয়। এতটা খারাপ চা বানিয়ে দেয় কী বলব। হোটেল শেরে পাঞ্জাব যে একটি ঐতিহ্যবাহী হোটেল এবং বেশ জনপ্রিয় সেটা আপনার পোস্ট থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। সুন্দর ছিল দিদি সম্পূর্ণ পোস্ট টা।।
এর আগে আমি যখন দীঘা গেছিলাম তখন গাড়ি থামিয়ে শের-ই-পাঞ্জাব রেস্টুরেন্টে খেয়েছিলাম। খাবারের কোয়ালিটি মোটামুটি বেশ ভালোই করে। তবে সব থেকে বেশি এখানকার পরিবেশটা আমার কাছে ভালো লেগেছিল। খেয়ে দেয়ে আশপাশটা ঘুরে দেখছিলাম, বেশ ভালো জায়গা। অনেকদিন পর আবার সেই কথা মনে পড়ে গেল তোমার এই পোস্ট পড়ে।
দিদি, শের-ই-পাঞ্জাব ধাপাতে কিছুটা সময় ঘুরেফিরে খাবার খেয়েছেন। আর সেই খাবারের মধ্যে থাকা মাটির পেয়ালায় চা দেখে আমি তো লোভে পড়ে গেলাম। কেননা আমাকে সবাই চা খোর বলেই ডাকে, চা খেতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। আর আপনার পোস্টে চায়ের পেয়ালাটি দেখে মনে হচ্ছে চা খেতে খুব খুব ইয়াম্মি হয়েছে। সেই সাথে খাবার গুলো খুবই লোভনীয় দেখাচ্ছে।যাই হোক আপু, শের-ই- পাঞ্জাব ধাবাতে আপনাদের কাটানো সময়টুকু আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আচ্ছা দিদি, ওটা কি ছিলো তাহলে চা’র নামে গরম পানি? সত্যি মাঝে মাঝে এই রকম হয়, হুট করে কোথায় খেতে গিয়ে দেখি খাবারের মান একদম যা তা। কিন্তু পরের দৃশ্যগুলো দেখে বুঝলাম শুরুর ঘটনাটা একদমই ভুলে গেছেন, হ্যা, চমৎকার ডেকোরেশন রয়েছে চারপাশে আর দেখেই বুঝা যাচ্ছে খাবারের মান বেশ ভালো ছিলো।
আমরা তো লিকার চা নিয়েছিলাম। জলের টেস্টটাও কেমন যেন ছিল 🥴কি জানি কি দিয়েছিল।
শেরে - ই পাঞ্জাব থাবাতে ঘুরে ফিরে খাওয়া দাওয়া করলেন।ফটোগ্রাফিতে জায়গাটা খুব সুন্দর লাগলো । আর কলকাতায় সব জায়গাতেই মাটির কাপে চা দেয় এটা খুব ভাল লাগে। ধন্যবাদ দিদি শেয়ার করার জন্য।
জী দিদি ব্ল্যাকাস দাদার সাথে আপনার ছোট বোনকে আনতে গিয়েছিলেন সেই পোষ্টি আমিপড়েছিলাম। খুব সুন্দর ভাবে যাওয়ার বর্ণনা দিয়ে ছিলেন। আজকে শের-ই-পাঞ্জাব ধাবাতে যাওয়া,খাওয়া ও ঘুরাঘুরির বর্ণনা পড়েও অনেক ভাল লাগলো। জায়গাটি সত্যিই অনেক সুন্দর। ধন্যবাদ দিদি।
দিদিমনি শের-ই-পাঞ্জাব ধাবাতে বোনকে আনতে যাওয়ার অনুভূতি আমার কাছে দারুণ লেগেছিল। যেহেতু সঙ্গে ছিল আমাদের ব্লাক্স দাদা। তবে আপনার বোন কিন্তু আপনার মতই অনেক মিষ্টি দেখতে।আর প্রতিটি ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে।কখনো কখনো চায়ের টেস্ট এমন লাগে চা খাচ্ছি নাকি কি খাচ্ছি এটা আসলেই বোঝাই যায়না।আমার বেলায় ও এমন টা হয়েছে, বেশ কয়েকবার। সুন্দর একটি মুহূর্ত সুন্দর একটি জায়গার বর্ণনা শুনে খুব ভালো লাগলো।♥♥
দিদি আমি কোলাঘাটে অনেকবার গেছি কিন্তু এই ধাবাতে একবারও যাওয়া হয় নি। তোমার এই পোস্টটি দেখে এবার কোলাঘাটে গেলে অবশ্যই শেরে পাঞ্জাবে চা খেতে যাবো।
সবাই মিলে চলো একদিন ঘুরে আসি 😍
হ্যাঁ দিদি। সবাই মিলে গেলে খুব মজা হবে।
খুব তাড়াতাড়ি প্ল্যান করছি🫣🤭
আমাকে বাদ দেওয়া হলো😭