ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ের মেলা
প্রিয় পাঠক/পাঠিকাঃ
আসসালামু আলাইকুম,কেমন আছেন সবাই...?আশা করছি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি।আমার নতুন আরেকটি লেখায় আপনাকে স্বাগতম।
[ছবিটি InShot App দ্বারা সম্পাদন করা হয়েছে]
পুণ্ড্র জনপদে করতোয়া নদীর তীরে গড়ে ওঠা একটি স্থানের নাম মহাস্থানগড়।উত্তরবঙ্গের বগুড়া জেলায় এটি অবস্থিত।এটি বিশ্ব ঐতিহ্যে স্থান পাওয়া একটি জায়গা।মহাস্থানগড় একাধারে সাংস্কৃতিক এবং পর্যটন এলাকা।ইতিহাস পড়ে জানতে পেয়েছি,বহুকাল আগে সেখানে একজন ইসলামিক সাধু এসেছিল ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে এবং একজন অত্যাচারি শাসক রাজাকে হটানোর জন্য। পরবর্তীতে সেই রাজাকে হটিয়ে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয়ছিলেন তিনি।তাকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে বর্তমানের মহাস্থানগড়।
এই মহাস্থানগড়ের নাম ডাক পুরো দেশে এমনকি দেশের বাহিরেও। কারণ,এটি একটি পর্যটন এলাকা হওয়ায় এখানে প্রতিবছর বহু দর্শনার্থী আসে।এখানে একটি জাদুঘরও রয়েছে,যেখানে রাজাদের আমলের কিছু পুরাকৃত্তি রাখা হয়েছে।
এই মহাস্থানগড়ে প্রতিবছর বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার একটি মেলা হয়।স্থানীয়রা যে মেলার নাম দিয়েছে পাগলা পাগলীর মেলা।এই মেলার ভক্ত অনেক মানুষ। অনেক দুর দুরান্ত থেকে বহু মানুষ এখানে এসে জমায়েত হয় এবং মেলা উদযাপন করে।
এই মেলার প্রতি কৌতুহল আমার সেই ছোটবেলা থেকেই।কি হয় এই মেলায়...?সেটাই জানার আগ্রহ ছিলো প্রচুর। আর তাই সময় সুযোগ ও থাকায় গিয়েছিলাম সেই ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে। অনেক প্রতীক্ষার পর আমরা যখন সেখানে পৌছালাম,দেখলাম মানুষের প্রচন্ড ভীড়। ভীড় ঠেলে সামনে যাওয়াই মুশকিল হয়ে দাড়িয়েছিলো আমাদের পক্ষে।
তবুও গুটি গুটি পায়ে এগোনোর চেষ্টা করলাম।যতই এগুই ততই মানুষের ভীড়। আবার সামনে এগোনোর চেষ্টা।তারপর খোঁজা শুরু সেই তথাকথিত পাগলা-পাগলীকে।কিন্তু তেমন কোনো পাগলা-পাগলী পরিলক্ষিত হলো না।আসলে মেলায় যাদেরকে দেখতে পেয়েছি তারা সবাই সুস্থ সবল।পাগলা-পাগলীর মেলা আসলে শুধু একটা নাম মাত্র।ঐ মেলায় যাওয়ার পর আমার একটি বিষয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে,সেটা গোপনই রাখলাম। আমি ভেবেছিলাম মেলা যেহেতু একটি সাংস্কৃতিক বিষয় সেখানে হয়তো শিক্ষানীয় কিছু থাকবে।কিন্তু আমার ধারনা পুরোই ভিন্ন।
যাইহোক,সেই মেলায় অনেক দোকান বসেছে।এই দোকানগুলোতে তেমন কোনো ভীড় পরিলক্ষিত হয়নি৷দেখলাম,মানুষ শুধু সামনের দিকে এগুতেই ব্যস্ত।তবে একটি পণ্যের দোকানে সবসময়ই ভীড় পরিলক্ষিত হয়েছে।আর সেটি হলো মহাস্থানের বিখ্যাত কটকটির দোকান।
মহাস্থানের এই কটকটি সারা বাংলাদেশে নামকরা। এখানকার কটকটি অত্যান্ত মুখরোচক খাদ্য হওয়ায় সব বয়সের মানুষই এটি পছন্দ করে।সুযোগ হলে একবার মহাস্থানের এই বিখ্যাত কটকটির স্বাদগ্রহণের জন্য আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের মতো এখানেই শেষ করছি।
ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ের মেলা ঘুরতে গেছেন ৷ সেখানে অনেক নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস নানা ধরনের দোকান পাট বসেছে ৷ এবং কি অনেক খাবারের জিনিস আমাদের মাঝে শেয়ার করেছন ৷
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
আপনার পোস্ট থেকে,, মহাস্থানগড়ের পাগলা পাগলীর মেলা সম্পর্কে জানতে পারলাম! আসলে আমরা মানুষেরা অনেকেই অনেক জায়গা সম্পর্কে ততটা অবগত নয়! যেমনটা আমি মহাস্থানগড়ের নাম শুনেছি! কিন্তু এই মেলা সম্পর্কে আমি কখনোই জানতাম না! যেটা আপনার পোস্ট পড়ে জানতে পারলাম।
আপনি আমাদের মাঝে,,, মেলার ঘোরাঘুরি করার সৌন্দর্যতা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন! এবং কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন! তার মধ্যে একটা করেছেন কটকটি! আসলে আপনার এই কটকটির ফটোগ্রাফি টা দেখে! আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল! ছোটবেলায় আমরা অনেক খেতাম।
অসংখ্য ধন্যবাদ,,,, এই মেলা সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য! এবং মেলার সৌন্দর্যটা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমাদের সাথে তুলে ধরার জন্য! আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল! সৃষ্টিকর্তা আপনাকে সবসময় ভালো রাখুক সুস্থ রাখুক! ভালো থাকবেন।