পছন্দের কিছু ফটোগ্রাফি!
আশা করি, সকলে ভালো আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আপনাদের সাথে কিছু ফটোগ্রাফি ও তার পেছনের গল্প শেয়ার করবো।
আমাদের ফোনের গ্যালারিতে থাকা একেকটা ফটোগ্রাফি যেন আমাদের স্মৃতির অংশ। সেগুলো যখন চোখে তখন কত লুকিয়ে থাকা আনন্দ, বেদনাই না মনে পড়ে, তাই না! প্রতিটি ছবির সাথে ভিন্ন ভিন্ন অনুভূতি জড়িয়ে থাকে।
এই যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন এটা ২০২৩ সালের ছবি। তিলডাঙ্গাতে প্রতি বছর শ্মশান কালী মায়ের পূজা অনুষ্ঠিত হয় বেশ বড় আকারে।
দূর দুরান্ত থেকে অনেক লোক আসেন মায়ের পূজা সচক্ষে দর্শন করার জন্য। আমি প্রথম বার গিয়েছিলাম ২০১৮ সালে, তারপর থেকে প্রতি বছর বন্ধুদের সাথে পূজায় যাই। তবে বিগত বছর ও এবছর কিছু কারনে যাওয়া হয় নি।
এত লোকের ভীড়ে মন্দিরে মায়ের সামনে যাওয়াটা খুব মুশকিল তবে আমরা হয়ত ঢেলে ঢুলে যেতে পারি কিন্তু বয়স্কদের জন্য খুব কষ্টকর। তবে এই বিষয়টাকে খারাপ কাজে ব্যবহার করে কিছু মানুষ, ভীড়ের মধ্যে তারা লোকের ফোন, মানিব্যাগ চুরি করা এসবই তাদের কাজ। পূজায় গিয়েও তাদের মন পবিত্র নয়।
এজন্যই হয়ত লোকে বলে, মন পবিত্র করার জন্য মন্দিরে যাওয়ার আগে সৎ চিন্তা করা উচিত! নিজে না চাইলে তীর্থে গিয়েও মন পবিত্র করা সম্ভব নয়!
মন্দিরের চারপাশে পর্দার মাধ্যমে মাকে দেখার সুযোগ করে হয় সবাইকে। এট বেশ ভালো লেগেছে আমার কাছে! এবছর যেতে চেয়েছিলাম তবে পরবর্তীতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আর মন চাইলো না!
একটা সময় ছিলো যখন প্রতিদিন শীতলাবাড়ি মন্দিরে না গেলে দিনটা যেন পূর্নতা পেতো না। তবে যবে থেকে খুলনা থেকে বাড়িতে চলে এসেছি তখন যেন সেই রুটিন পরিবর্তন হয়ে গেছে।
এখন মন চাইলেও আগের মতো প্রতিদিন সন্ধ্যাবেলায় মন্দিরে যাওয়া হয় না। এই ছবিগুলো তুলেছিলাম, বিগত বছর দূর্গা পূজা শুরুর আগে। তখন মন্দিরে ডেকোরেশনের কাজ করছিলো।
যেকোনো অনুষ্ঠানের আগে মন্দির সজ্জিত করা কাজ হয় আর সেই সময়টা প্রতিদিন মন্দিরে গিয়ে সেগুলো উপভোগ করতাম। সেদিনও সন্ধ্যাবেলায় সবাই মিলে মন্দিরে গিয়েছিলাম।
সত্যি বলতে, মন্দিরে গেলে আমার আর বাসায় ফিরতে মন চাইতো না, সময় যে এত দ্রুত পার হয়ে যেত বুঝতেই পারতাম না। যাই হোক, আজকের মতো এখানেই বিদায় নিচ্ছি, সকলে ভালো থাকবেন।
আমার কাছে কি মনে হয় জানেন ছবি কথা বলে মাঝে মাঝে এমন কিছু ছবি আমাদের ফোনের গ্যালারিতে থাকে সেটা দেখার পর পুরনো স্মৃতিগুলো আমাদের মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে আর ইচ্ছা করে যদি এই মুহূর্তগুলোতে আবারো ফিরে যেতে পারতাম তাহলে কতই না ভালো হতো আজকে আপনি আপনার ফোনের গ্যালারিতে থাকা বেশ কিছু ফটোগ্রাফি এবং তার স্মৃতি সম্পর্কে আমাদের সাথে আলোচনা করেছেন ধন্যবাদ ভাল থাকবেন।