এলোমেলো ফটোগ্রাফি!
Hello Everyone,,,
সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দৌঁড়ানো কখনওই সম্ভব নয়। সময় কত দুর পার হয়ে যায়। অতীতের দিকে ফিরে তাকালে মনে হয়, ক'দিন আগেই তো এই দিনগুলো ফেলে আসলাম, এতটা সময় কবে পার হয়ে গেলো?
সব কিছু স্বপ্নের মতো মনে হয়। মনে হয়, কেউ যদি একটু চিমটি কাটে তাহলে হয়ত ঘোর কেটে যাবে।
তবে এটা কোনো স্বপ্ন নয়, আসলেই সময়গুলো ফেলে এসেছি বহু আগে। ফোনের গ্যালারিতে যখন পুরানো ছবিগুলো দেখি তখন অতীতের কথাগুলো, মুহুর্ত মনে পড়ে।
আজ আমি আপনাদের সাথে কিছু এলোমেলো ফটোগ্রাফি শেয়ার করবো, যেগুলো ভিন্ন ভিন্ন সময়ে কাছে থাকা মোবাইলে ধারন করেছি আমি।
নিজের সুন্দর মুহুর্তগুলো ধরে রাখার জন্য ফটোগ্রাফি সব থেকে ভালো মাধ্যম।
এই গাছটার নাম আমার সঠিক জানা নেই। তবে গুগলে সার্চ করে দেখলাম এটাকে নাকি প্যানচিটিয়া গাছ বলে। এর অন্য কোনো নাম আছে কিনা সঠিক জানি।
গাছে কোনো ফুল ফোটে না বরং পাতাগুলোর এমন রং ই গাছটার সৌন্দর্যের ভিত্তি। ফুল না ফুটলেও গাছটা দেখতে কিন্তু খুব সুন্দর লাগছে। আমি বিগত বছর যখন আমাদের গ্রামের নাম যজ্ঞের কালেকশনে গিয়েছিলাম তখন ঘুরতে ঘুরতে একটা বাড়িতে এই গাছের দেখা পাই।
এই ছবিটা আমাদের গ্রামের মাটির রাস্তার ছবিটা। ছবিটা অনেক আগে তুলেছিলাম। এমন মাটির রাস্তাগুলো আগে গ্রামের যেদিক চোখ যেতো সেদিকেই দেখা মিলতো।
তবে এখন, সব রাস্তাগুলো পাকা হয়ে গেছে। এই ছবিটা যখন তুলেছিলাম তখন রাস্তায় নতুন করে মেরামতেরকাজ চলছিলো।
বৃষ্টির সময় এই রাস্তায় হাঁটু পর্যন্ত কাদা হতো, মানুষের যাতায়াত করতে ভীষণ সমস্যা হতো। তাই রাস্তাটা নতুন করে তৈরি করা হয়েছে। রাস্তাটা হারিয়ে ফেলেছে তার পুরাতন রূপ, পেয়েছে নতুন সৌন্দর্য।
উপরের ফটোগ্রাফি দেখে তো আপনারা সকলে চিনতে পেরেছেন আশা করি। কাগজ ফুল গাছ আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। বাড়ির গেট বা বাড়ির সামনে এই গাছ লাগালে খুব সুন্দর লাগে।
কাগজ ফুল গাছের বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে, পার্থক্য শুধুই রঙের। আমি ভিন্ন ভিন্ন দুই কালারের কাগজ ফুলের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছি।
কাগজ ফুল গাছ আমাদের বাড়িতে নেই তবে যখন আমার এক প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে এই ফটোগ্রাফি করেছিলাম। সবুজ ডালপালার মধ্যে এমন রংবেরঙের ফুলগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে।
আশা করি, আপনাদের আমার ফটোগ্রাফিগুলো ভালো লেগেছেন। ভালো থাকবেন সবাই।
Thank you very much for your support.