আমার আঁকা গোলাপ ফুল
প্রিয়,
বন্ধুরা,
আশা করছি আপনারা নিশ্চয়ই খুব ভালো আছেন। আর আজকের দিনটা সুখময় কাটিয়েছেন।
গতকাল আমি একটি কানের দুল বানিয়ে ছিলাম, সেটা আপনাদের সকলের খুব ভালো লেগেছে। তারজন্য আমি আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এভাবেই আমাকে উৎসাহিত করবেন যাতে অনেক নতুন নতুন হাতের কাজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারি।
আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আমার আঁকা গোলাপ ফুলের ছবি। আজ আমি ছবিটি কালো বর্ডার পেনসিল দিয়ে সেগ করে এঁকেছি। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।
তাহলে আসুন আপনাদের বলি আমি কিভাবে ছবিটা আঁকলাম এবং কি কি ব্যবহার করে আঁকলাম।
-:আঁকার সরঞ্জাম:- |
|---|
১) আঁকার কার্টিস পেপার খাতা
২) ফোর বি পেনসিল।
৩) রবার।
৪) ব্লাক বর্ডার পেনসিল।
৫) পেনসিল কাটার।
-:আঁকারপদ্ধতি:- |
|---|
|
|---|
প্রথমে বড়ো গোলাপ ফুলের ভেতরের পাপড়ি গুলো আঁকতে শুরু করলাম।
তারপর একটা একটা করে পাপড়ি গুলো আঁকা শুরু করলাম।
এরপর ফুলটা সম্পুর্ন ভাবে এঁকে নিলাম।
|
|---|
তারপর ঠিক আগের গোলাপ ফুলটার মতোই ফুলের ভেতরের অংশ এঁকে নিলাম।
এরপর একে একে পাপড়ি গুলো এঁকে নিয়েছি।
তারপর ফুলের সাথে ফুলের ডান্টি এঁকে নিলাম।
|
|---|
এরপর ফুলের কড়ি আঁকার জন্য ফুলের ভেতরট এঁকে নিলাম।
তারপর ফুলের ডান্টি এঁকে নিয়েছি।
এরপর ফুলটা সম্পুর্ন ভাবে এঁকে নিয়েছি।
|
|---|
তারপর পাতা আঁকতে শুরু করে দিলাম।
এরপর সব কটা পাতা এঁকে নিয়েছি।
এবং পাতা গায়ে কাটা এবং পাতার ভেতরে থাকা শীরা এঁকে দিলাম।
|
|---|
এরপর তিনটে ফুল কালো বর্ডার পেনসিল দিয়ে বর্ডার দিয়ে নিলাম।
এরপর উপরের দুটি ফুলের ডান্টি বর্ডার দিয়ে নিলাম।
তারপর ফুলের পাতা গুলো কালো বর্ডার পেনসিল দিয়ে বর্ডার দিয়ে দিলাম।
এরপর পাতার ভেতরে থাকা শীরা বর্ডার দিয়ে নিলাম।
|
|---|
এরপরে বড়ো ফুল কালো বর্ডার পেনসিল দিয়ে সেড করতে শুরু করলাম, এবং পুরো ফুলটা কালো বর্ডার পেনসিল দিয়ে সেড করে নিলাম।
তারপর দ্বিতীয় ফুলটা সেড করে দিলাম।
- এরপর ছোটো গোলাপের কড়ি সেড করে নিলাম।
|
|---|
- এরপর পাতা গুলো কালো বর্ডার পেনসিল দিয়ে সেড করে, তার ভেতরে শিরা গুলো কালো বর্ডার পেনসিল দিয়ে এঁকে নিলাম।
-:বৈশিষ্ট্য:- |
|---|
গোলাপ হল 'রোজাই' পরিবারের রোজা গণের এক প্রকারের বহুবর্ষজীবী ফুল গাছ। এখানে তিন শতাধিক প্রজাতি এবং কয়েক হাজার হাজার ফুলের জাত রয়েছে। এগুলো এমন এক ধরনের গাছপালা গঠন করে যা ডালপালা খাড়া করে উঠতে বা পিছনে যেতে পারে। ডালপালা গুলির সাথে প্রায়শই তীক্ষ্ন কাটা সজ্জ্বিত থাকে।ফুল আকার এবং আকারে পৃথক হয়ে থাকে। সাধারণত শোভাকর হয়ে থাকে, সাদা থেকে হলদে এবং লাল রঙের হয়ে থাকে।
বেশিরভাগ প্রজাতি এশিয়ার স্থানীয়, এছাড়াও ইউরোপ, উওর আমেরিকা এবং উওর পশ্চিম আফ্রিকার সল্প সংখ্যক দেশীয় প্রজাতির দেখা যায়। প্রজাতি, জাত এবং হাইব্রিড তাদের সৌন্দর্যের জন্য ব্যপকভাবে জন্মানো হয় ও প্রায়শই সুগন্ধযুক্ত হয়ে থাকে। গোলাপ বহু সমাজের সাংস্কতিকভাবে তাৎপর্য অর্জন করে থাকে।
তারপর আমার গোলাপ ফুল আঁকা হয়ে গেলো।আজ তবে এখানেই শেষ করলা। আমাকে অবশ্যই জানাবেন আমার আঁকা গোলাপ ফুলের ছবি আপনাদের কেমন লাগলো।
আপনারা সকলেই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন।
শুভ রাএি।
@swetab97 আমাদের জিবনটা সাদা কালো দিয়ে ভরা। রঙের অনেক অভাব । আপনার আঁকা গুলোতে একটু রঙ দেবেন আমার মনে হয় সেটা দেখতে আরও ভালো লাগবে।
পেন্সিল স্কেচ এর চাইতে গোলাপের সৌন্দর্য্য আমার মনে হয় রঙের মাধ্যমে বেশি খোলে, কারণ গোলাপ তার গন্ধের পাশাপশি আকর্ষক রঙের দ্বারাও আকৃষ্ট করে নিজেকে।
আমার মনে হয় গোলাপ গুলো রং করলে বেশি ফুটতো।আঁকাটা সুন্দর হয়েছে।
আপনার আঁকা নিয়ে কোনো কথা হবে না, আপনার আঁকার হাত ভালো সেটা নিয়ে একেবারেই সন্দিহান নয়, কেবল আপনার মন্তব্য আজকাল আর চোখে বিশেষ পড়ছে না।