আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা এবং অসুবিধার কিছু দিক।

in Incredible India3 years ago
20230807_000018_0000.png

গতকাল আমার curation day ছিল। সকাল ৯টা থেকে কাজ শুরু করবার কথা। এই curation এর কাজটি যথেষ্ট দায়িত্বের সাথে পালন করতে হয় এবং দিনশেষে হিসেব জমা দিতে হয় রিপোর্ট সহ।

এবার, ধরুন একদিনে কমপক্ষে যদি কেউ কুড়িটা পোস্ট এ সমর্থন দিয়ে থাকে, তাহলে তাকে স্টিমিটের নিয়ম অনুসারে সব পোস্টের চৌর্যবৃত্তি সহ, ক্লাব, নকল বুদ্ধিমত্তা, বট ইত্যাদি অন্যান্য দিক দেখে, তবেই সমর্থন দেওয়া হয়ে থেকে।

অনেকেই হয়তো বলবেন, বিভিন্ন লিংকের সহায়তায় কতই বা সময় লাগে?

তাহলে জেনে রাখুন ভাষার তারতম্য সহ নিজের বুদ্ধিমত্তা ছাড়া যারা কেবলমাত্র প্রযুক্তির ভরসা নিয়ে এই কাজ করেন, তারা সঠিক এর তুলনায় ভুল কাজ বেশি করে থাকেন।

তাই আজ ভাবলাম আপনাদের সাথে আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা ও অসুবিধার দিকগুলো নিয়ে নিজের অভিমত প্রকাশ করি।

প্রথমে সুবিধা গুলির দিকেই চোখ রাখা যাক:-
map-of-the-world-2345870_1280.jpg

Pixabay

সকালে ঘুম থেকে ওঠার থেকে রাত্রে ঘুমোতে যাওয়া।
আজকের সময় দাড়িয়ে ৯৯% কাজের ক্ষেত্রে আমরা প্রযুক্তি নির্ভরশীল। এখন মানুষ সময় বাঁচাতে গিয়ে, শ্রম বাঁচাতে দৈনন্দিন সকল কাজেই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে থাকেন।

আধুনিক প্রযুক্তি মানুষকে যেমন কাজকে সহজে সম্পন্ন করতে সহায়ক, তেমনি যদি আধুনিক প্রযুক্তিকে সঠিক ভাবে পরিচালনা করা যায়, তাহলে এটি প্রতিটি দেশকে উন্নতি করতে এবং এগিয়ে রাখতে সক্ষম।

সাধারণ উদাহরণস্বরূপ নিজের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার কথাই যদি ভাগ করতে হয়, তাহলে বলবো, এই যে দুটো দিন অসুস্থতা নিয়ে কাজ করেছি, শরীরের সক্ষমতা যেখানে তলানিতে ছিল, আজকের এই অনলাইন সুবিধার কারণে, প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসের আমদানি ঘরে বসে করতে পেরেছি।

এমনকি, কিছু সময় ওষুধ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সবকিছুই এখন ঘরে বসে পাওয়া সম্ভব। এটা সম্ভব হয়েছে এই আধুনিক প্রযুক্তির জন্য।

আগে যেখানে বাড়ির মানুষ বাইরে গেলে দুশ্চিন্তা হতো ফিরতে দেরি হলে, এখন একটা নম্বর ডায়াল করেই তার অবস্থান জানা সম্ভব।

এছাড়াও ঘরের ফ্যান থেকে লাইট, রেফ্রিজারেটর থেকে গ্যাস সবটাতেই এখন আমরা অভ্যস্থ।

যাইহোক, সুবিধা গুলো নেওয়াতে আমার কোনো আপত্তি নেই, যেটা খারাপ লাগে সেটা হচ্ছে এই প্রযুক্তির অপব্যবহার।

আজকে কেনো জানা বিষয় বলছি তার পিছনে যথেষ্ট কারণ আছে।

গতকাল কিছুটা পোস্ট সমর্থনের পরে মনে হলো, স্নান সেরে পুজো দিয়ে আবার কিছু পোস্ট পড়ে দেখে রাখবো, কারণ এখানের কাজে আমি কখনোই পুরোপুরি লিংকের ভরসা করি না, তাই আমার অন্যান্যদের চাইতে সময় বেশি ব্যয় হয়।

আধুনিক প্রযুক্তির অসুবিধার দিকগুলো:-
brain-7033148_1280.webp

Pixabay

আমাদের মধ্যে একাংশ ভুলে গেছেন যে, মানুষ প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন, প্রযুক্তি মানুষ নয়! ফলস্বরূপ নিজেদেরকে সেই প্রযুক্তিতে আসক্ত করে;
বিভিন্ন অসৎ উপায় খুঁজে বের করে অর্থ উপার্জনের প্রচেষ্টায় তারা অনেক এমন ফাঁদে পা দিয়ে ফেলেন, যেটা তাদেরকে সর্বশান্ত করে দেয়।

যেকোনো প্রযুক্তি ব্যবহারের পূর্বে, সেই বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা গ্রহণ অন্ত্যন্ত জরুরি।

কেউ কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারলেই তাকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে রটিয়ে অন্যদের আকর্ষিত করে, তাদেরকে বিপদে ফেলার প্রয়াস করে।

জীবনে একটা বিষয় বা শিক্ষা যাই বলুন না কেন, আমি বিশ্বাস করি;
আর সেটা হলো, যে কাজ করতে সময় বা পরিশ্রম প্রয়োজন নেই, সেটা কখনোই সৎ কাজ হতে পারে না।

আজকে হয়তো কাছের মানুষের খোঁজ পাওয়া সহজ হয়েছে, কিন্তু সেই মোবাইলের আসক্তি আজকের প্রজন্মকে শারিরীক এবং মানসিক ভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে দিন দিন।

এছাড়াও এই যে, দু চাকার বাইক এটা যে কোনো অল্প বয়েসী ছেলে মেয়েদের আবদার পূরণ করতে গিয়ে মা, বাবা হামেশাই কিনে দিয়ে থাকেন।

আর সেই দু চাকায় বসে, নিজেদের চলচ্চিত্রের নায়ক নায়িকা ভেবে অধিক গতিতে এই বাহন চালানোর ফলস্বরূপ গতকাল একটি পরিবার তার একমাত্র পুত্র সন্তানকে হারিয়েছেন।

ওই যে বললাম কিছুটা পোস্ট সমর্থনের পরে স্নান করতে যাবো, এমন সময় ফোন বেজে উঠলো, পরিচিত ফোন।

ফোন তুলে যেটা জানলাম, সেটা শোনার পরে, আমার পুরো দিনটা কাল থেকে আজ পর্যন্ত কেবল মাত্র অবসাদে কাটছে।

ভোর পাঁচটায় ছেলেটির বাবা তার দাদাকে ফোন করে বলে ছেলে বাড়ি ঢোকেনি, যে ছেলে সকাল চারটের সময় বাড়ি পৌঁছে যায় নাইট শিফট করে। ছেলেটির বয়স শুনলাম ২৫ বছর ও হয়নি।

দাদা আর ভাই মিলে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দেন, কিন্তু ততদূর যেতে হয়নি, নীলগঞ্জ নামের একটি জায়গায় পৌঁছে, লোকের জটলা চোখে পড়ে, পাশে পড়ে থাকা বাইক নজরে আসতে, তারা দাড়িয়ে যান।

এরপর, নিজের ছেলেকে দেখতে পেয়ে তাকে হসপিটালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়।
যখন দুর্ঘটনা হয়, ছেলেটি বেঁচে ছিলো কিন্তু উপস্থিত জনতা;
না পুলিশ, না অ্যাম্বুলেন্স কাউকেই ডাকার প্রয়োজনীয়তা বোধ করেন নি।

আসলে আমরা ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে ছেলে মেয়েদের আবদার মেটানোর আগে তার কুফল ভেবে দেখি না।

যেকোনো কিছু, আমরা কিভাবে গ্রহণ করবো, সেটা কিন্তু সম্পূর্ণ আমাদের ইচ্ছে শক্তির উপরে নির্ভরশীল।
কাজেই, আমি প্রযুক্তি নয়, তবে কিছুক্ষেত্রে তার প্রয়োগের পদ্ধতির বিপক্ষে।

আমরা কিভাবে, কতটা, কখন, কোন জিনিসটা ব্যবহার করবো আর করবো না;
অথবা করতে দেবো না, এটা অবশ্যই বিবেচনা করে দেখা উচিত।

জীবন একটাই, তাই এটা নিয়ে জুয়া খেলা একেবারেই অনুচিত।
যে চলে যায় আসলে সে বেঁচে যায়, তিল তিল করে মরে বেঁচে থাকা মানুষগুলো প্রতিদিন।

কাজেই যেকোনো কিছুতে আসক্ত হবার আগে সেই বিষয়টি নিয়ে ভাবুন, এবং জ্ঞান সংগ্রহ করুন; কারণ কথাতেই আছে ভাবিয়া করিয়ো কাজ, করিয়া ভাবিও না।

I9Ws6mn5yoT8JYcTf1.gif

3W72119s5BjVs3Hye1oHX44R9EcpQD5C9xXzj68nJaq3CeTntZEMjmNE2ojS3wJkRgH4FAk5wzUJTnRwSJu27LuNnR3DZNbpLAeQCyaNbnKVWTpGhovHtq.gif

Sort:  
 3 years ago 

আজকে হয়তো কাছের মানুষের খোঁজ পাওয়া সহজ হয়েছে, কিন্তু সেই মোবাইলের আসক্তি আজকের প্রজন্মকে শারিরীক এবং মানসিক ভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে দিন দিন।

আপনার পোস্ট থেকে আমি এইটুকু অংশ তুলে নিলাম! আপনি এখানে ঠিকই বলেছেন,,, আসলে বর্তমান সময়ে আমরা জীবনটাকে যত সহজভাবে গ্রহণ করি! জীবনটা আসলে ততটা সহজ নয়! আগে আমরা ছোটবেলায় স্কুল থেকে এসে এক দৌড়ে মাঠে চলে যেতাম খেলার জন্য! কিন্তু এখন ছেলে মেয়েরা স্কুল থেকে এসে বলে,,, আমাদের মোবাইলটা দাও গেমস খেলব,,,, ভিডিও দেখব।

এর কারণে তারা যেমন শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে! ঠিক তেমনি মানসিকভাবে ও তাদের মন মানসিকতা,,, একেবারেই পাল্টে যাচ্ছে।

ছেলে মেয়েদেরকে বাইক কিনে দেওয়ার আগে অবশ্যই চিন্তা ভাবনা করে নেয়া উচিত! আসলে এর ফল কি হতে পারে! আমাদের এখানেও গত বছর একটা ঘটনা ঘটেছিল! যেখানে কিনা তিনটা ছেলে একটা বাইক নিয়ে যাওয়ার সময় এক্সিডেন্ট করে! তিনজন জায়গায় মারা যায়! এটা আমাদের গ্রামের জন্য খুবই বড় একটা ঘটনা ছিল।

কাজেই যেকোনো কিছুতে আসক্ত হবার আগে সেই বিষয়টি নিয়ে ভাবুন, এবং জ্ঞান সংগ্রহ করুন; কারণ কথাতেই আছে ভাবিয়া করিয়ো কাজ, করিয়া ভাবিও না।

কোন কিছুর প্রতি আসক্ত না হয়ে,, কিভাবে কঠোর পরিশ্রম করে এগিয়ে যাওয়া যায়,,, সেই চিন্তা করাটা অনেক বেশি উত্তম! কারণ আমরা যখন কোন কিছু প্রতি আসক্ত হয়ে যাই! তখন কিন্তু আমরা সেখান থেকে বের হয়ে আসতে অনেকটা সময় লাগে! তাই আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত জীবনটাকে খুব সহজভাবে গ্রহণ করে,, সেটাকে ইনজয় করা! কারণ আমাদের জীবন একটা! আমরা যখন সৎ পথে এগিয়ে যাব! তখন কেউ আমাদেরকে আটকে রাখতে পারবে না,,, তখন সৃষ্টিকর্তা আমাদের সঙ্গ দেবে।

ধন্যবাদ দিয়ে কখনোই আমি আপনাকে ছোট করতে চাই না! কিন্তু আপনি আজকে বাস্তব কিছু কথা আমাদের সাথে তুলে ধরেছেন! যেগুলো আমাদের জীবনের সাথে খুব গভীরভাবে জড়িয়ে আছে! অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে,,, আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ভালো থাকবেন।

TEAM 1

Congratulations! This Comment has been upvoted through steemcurator04. We support quality posts, and good comments anywhere with any tags.
Curated by : @sduttaskitchen

Screenshot_20221130-164846_Canva.jpg

Loading...
 3 years ago 

আজকাল মানুষ, প্রযুক্তির উপর বেশি নির্ভরশীল আর এই জন্য দিন দিন মানুষ অলস হয়ে যাচ্ছে।

আপনি একটা কথা বলেছেন, যে কাজ করতে সময় বা পরিশ্রম লাগে না সেটা কখনো সৎ কাজ হতে পারে না। এটা একদম সঠিক কথা, সৎ ভাবে কাজ করতে গেলে, মানুষের অনেক পরিশ্রম করতে হবে সময় ব্যয় করতে হবে, তাহলেই সে সৎভাবে কাজ করতে পারবে।

একটা জিনিস শুনে খুব খারাপ লাগলো যে ছেলেটা মারা গেছে তার জন্য।

আমরা বাবা মা, সন্তানকে বেশি ভালোবেসে তাদের সব আবদার মেটাতে চাই, আর এইসব আবদার মেটাতে যেয়ে, আমরা সন্তানদের বিপদের দিকে নিয়ে যাই।

দিদি, এত সুন্দর একটি, শিক্ষনীয় পোস্ট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আধুনিকতা আমাদের কাজকে যেমন সহজ করেছে তেমনি আমাদেরকে অলস করে ছেড়েছে। আধুনিকতার কারণে অপরাধ কর্ম যেমন বেড়েছে ঠিক তেমনি আধুনিকতার কারণে অপরাধীদের ধরতো সহজ হয়েছে। আধুনিকতার কারণে সারা বিশ্ব আমাদের হাতের মুঠোয় ঠিক তেমনি আধুনিকতা আমাদের ধ্বংসের দিকে ধাবিত করছে। সর্বশেষ কথা যেটা ভালো দিক আছে সেটা খারাপ দিক আছে। আমাদের উচিত ভাল দিকটা গ্রহণ করার আর খারাপ দিকটা অবশ্যই বর্জন করা। এতে আমাদের কল্যান।

 3 years ago 

আধুনিক যুগে আমরা প্রযুক্তির ব্যবহার না করে থাকতে পারবো না।কিন্তু এটা আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে তেমনি আমরা এর নানাবিধ কুফলও ভোগ করছি।

বিশেষ করে টিনএজ ছেলেমেয়েরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।এরা নিজদেরকে অনেক স্মার্ট ভাবলেও এদের অনেক কার্যকলাপ দ্বারা এরা নিজেরাও যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেমনি এদের পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার যেমনি আমাদের জীবনকে সহজ করে দিচ্ছে তেমনি এর অপব্যবহার ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আপনি আলোচনা করেছেন আর সেটা হলো বাইক।কিছুদিন আগে আমার পরিচিত একজন মারা গেছে আর তার ছেলে আহত হয়েছে।

এর কারনে বাইক আমার একটা অপছন্দের জিনিস এ পরিনত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো আর সুস্থ থাকবেন সবসময় এই শুভকামনা রইলো আপনার জন্য

 3 years ago 

আধুনিক প্রযুক্তি কিভাবে ব্যবহার করব তা শুধু নির্ভর করে ব্যক্তির উপরে। একজন ব্যক্তি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভালো কিছু করতে পারে আবার ওই একই ব্যক্তি এই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সে খারাপ কাজে লিপ্ত হতে পারে।
আপনার সাথে সহমত পোষণ করছি,
মোবাইলের আসক্তি আজকের প্রজন্মকে শারিরীক এবং মানসিক ভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে দিন দিন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি কার হলো ভিডিও গেম গুলো যারা একবার এই ভিডিও গেমে আসক্ত হয়ে গেছে তারা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে খুব দ্রুতই। কয়েকদিন আগে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছিল একটি ছেলে সারাক্ষণ ভিডিও গেম খেলার কারণে পাগল হয়ে গেছে ছেলেটির বয়স আনুমানিক ১০ থেকে ১২ বছর হবে।

দিদি আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই,
আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা এবং অসুবিধার কিছু দিক গুলো খুব ভালোভাবে উপস্থাপনা করেছেন আমাদের মাঝে। এ লেখা গুলো পড়ার পরে আমরা অনেক উপকারিতা হতে পারব। এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে পারব। আপনার জন্য শুভকামনা রইল আরো ভালো ভালো বিষয় যেন আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করতে পারেন এই দোয়াই করি। ভালো থাকবেন।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.082
BTC 59951.46
ETH 1580.22
USDT 1.00
SBD 0.42