স্মার্টফোন আসক্তির কারনে ভয়াবহ বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমরা।
সমস্ত পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রিয়জনের সাথে যুক্ত রাখার ক্ষেত্রে এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে।এটা শুধু প্রিয় জনের সাথেই যুক্ত রাখে না এর মাধ্যমে আমরা ব্যবসা,পড়শোনার মতো অনেক কিছুই করে থাকি।
এর ব্যবহার বৃদ্ধি একদিকে যেমন আমাদের আর্থিক সক্ষমতার পরিচয় বহন করে অপর দিকে আমাদেরকে আসক্ত করে তুলছে এতে।
একসময় আমি নিজেও আসক্ত ছিলাম এতে। বর্তমানে আমরা এর সাথে এমন ভাবে যুক্ত হয়ে গেছি যে কিছু সময়ের জন্য আমরা এটা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকলেই মনে হয় যে,এইবুঝি অনেক কিছু মিস হয়ে গেল।আর একারণেই নোটিফিকেশন ছাড়াও কিছু সময় পর পর ফোন চেক করা আমাদের অনেকেরই স্বভাবে পরিনত হয়ে গেছে। তবে অভ্যাস ও আসক্তি এক জিনিস না। আসক্তি জিনিসটা হলো এটা আমাদেরকে যেকোনো জিনিসের প্রতি নির্ভরশীল করে তুলে।
দিনে কতক্ষন ফোন ব্যবহার করলে সেটাকে আসক্তি বলা যাবে এটা এখনো জানা না গেলেও পাঁচঘন্টার ওপরে হলে সেটাকে বাড়াবাড়ি পর্যায় বলা যায়।
তবে কেউ আসক্ত কিনা এটা বুঝার সবচেয়ে সহজ হলো, কেউ যখন ক্রমশ তেমন কোন কারন ছাড়াই ফোন ব্যবহারের সময় বাড়াতে থাকেন তখনি বুঝতে সে আসক্তির দিকে এগোচ্ছে। আর যখন কারো হাতে ফোন না থাকলে বা নাগালের বাইরে থাকলে অস্থিরবোধ করতে থাকেন বা অনিয়ন্ত্রিত প্রতিক্রিয়া দেখান তখন বুঝতে হবে সে এতে আসক্ত হয়ে পরেছে।
আর এই আসক্তি কারনে মানুষের শারিরীক, মানসিক ও সামাজিক জীবনে প্রভাব পরছে।
বিশেষ করে শিশু ও তরুন সমাজই বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।আগে দেখা যেত তারা জ্বর, সর্দি,ডাইরিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হতো কিন্তু এখন মাথাব্যথা, চোখের সমস্যা, বিষনতা, ঘুনের সমস্যার, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে তারা।
এসব কারনেই আমাদের সচেতন হবার এখনই সময় । বিশেষ করে শিশু কিশোরেরা কতটা সময় ফোনের পেছনে ব্যায় করছে এবিষয়ে সবার আগে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। তারা এবং নিজেরা যাতে আসক্ত না হয়ে পরে এদিকে খেয়াল রাখতে হবে।এই আসক্তি থেকে আামদের মুক্তি পেতে হবে নিজেদেরকে ভালো রাখার জন্যই।
◦•●◉✿ Thanks Everyone ✿◉●•◦
◦•●◉✿ Thanks Everyone ✿◉●•◦
আজকে আপনি অনেক সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। বর্তমান সময়ে আমরা এই ফোনের অপব্যবহার নিয়ে খুবই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি।
বর্তমান সময়ে এই ফোন যতটা কাজের ক্ষেত্রে সহজ করে দিয়েছে,, ততটাই মানুষকে বিভিন্ন নেশায় আসক্ত করে দিয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো ফ্রী ফায়ার, পাবজি গেমস। আমি রাস্তায় বের হলে দেখি ছোট ছোট ছেলেরা এই আসক্তই ডুবে আছে।
আপনি আরো অনেক বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ।খুবই ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি পড়ে,, ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে পোস্ট করার জন্য।
@sabus(60)
ধন্যবাদ আপনাকে আমার পোস্ট পড়ে মন্তব্য করার জন্য। ভালো থাকবেন
জি আপু আপনিও ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
বর্তমান সময়ে মোবাইলের প্রতি আমরা এমন ভাবে আসক্ত হয়ে পড়ছি। যার কারণে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে ডাক্তারের কাছে মাঝেমধ্যে যখন আমরা কোন অসুস্থতার কারণ নিয়ে যাই। তখন তারা আমাদেরকে বলে,, বাচ্চাদেরকে এবং আপনারা নিজেও মোবাইল কম ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন।
আমার ক্ষেত্রে যদি বলি,,, তাহলে কিছু কাজ করার খাতিরে আমি মোবাইলটা একটু বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেহেতু অনলাইনে কাজ করি,, সেজন্য মোবাইলে একটু সময় বেশি দিতে হয়। তবে অতিরিক্ত মোবাইল দেখার মত সময় আমার কাছে মোটেও নেই। আজকে আপনি তরুণ সমাজের কথা বলেছেন,, রাস্তা দিয়ে যখন আমরা কোথাও যাই তখন দেখতে পাই। রাস্তার পাশে বসে তরুণ সমাজ কিভাবে মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছে।
এই মোবাইলের প্রতি আসক্ত হওয়ার কারণে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কতটা খারাপ হবে। সেটা হয়তোবা আমরা কিছুটা হলেও অনুমান করতে পারি। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে,, এত সুন্দর একটা টপিক নিয়ে আমাদের সাথে আলোচনা করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ভালো থাকবেন।
@rubina203(66)
আমার পোস্ট পড়ে সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভাল আর সুস্থ থাকবেন সবসময় এই শুভকামনা রইলো আপনার জন্য
খুবই সুন্দর একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। সত্যি বলতে বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন মানুষের জীবনের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। মানুষ স্মার্টফোন ছাড়া একটা মূহুর্ত চলা দায়। তবে এর উপকারিতার সাথে অনেক অপকারিতাও রয়েছে।
@shasan705(61)
আমার পোস্ট পড়ে সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভাল আর সুস্থ থাকবেন সবসময় এই শুভকামনা রইলো আপনার জন্য