আমার নিজ বাসার কিছু ফলের গাছ এবং পাখির ফটোগ্রাফি। ২৯.০৪.২০২৫
আশা করছি, আপনারা সকলেই আল্লাহর রহমতের মাধ্যমে ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর দয়া এবং আপনার দোয়ার কারণে, আমি ও সুস্থ আছি। দীর্ঘ সময় ধরে আমি পোস্ট করিনি। প্ল্যাটফর্মে যোগ দেওয়ার পর থেকে আমার দৈনন্দিন জীবন এবং কাজকর্মে প্রচুর ব্যস্ততা বেড়ে গিয়েছে। তবে স্টিমিটে কাজ করা আমার কাছে বেশ উপভোগ্য। বর্তমানে আমি একজন শিক্ষিকা। এর পাশাপাশি আমি কম্পিউটার বেসিক কোর্স সম্পন্ন করেছি। এবং অবসর সময়গুলোতে স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে কাজ করে যাচ্ছি। সব মিলিয়ে দিনগুলো বেশ ভালো কাটছে। অনেক দিন পরে এখানে পোস্ট করছি। তো আর কথা না বাড়িয়ে আমি শুরু করছি আমার পোস্টটি|
তবে, আজ আমার ভালো লাগছে না। বলতে গেলে, অজানা কারণে আজ আমার মেজাজ বেশ খারাপ। এজন্য আমি আমার বাড়ির উঠোনে বেশিরভাগ সময় কাটাই। উল্লেখ্য, আমি বর্তমানে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছি। বাইরে সময় কাটাতে কাটাতে আমি নিজের বাড়ির কিছু ছবিও তুলেছি। তাই আমি ভাবলাম আজ আপনাদের সাথে আমার বাড়ির কিছু ছবি শেয়ার করবো। আজ দুপুরে রান্না শেষ করে আমি উঠোনে গেলাম। এরপর কিছুক্ষণ হাঁটার পর, আমি আনারস গাছের সামনে গিয়ে তার যত্ন নিলাম। এই আনারস গাছটি আমাকে দুই বছর আগে আমার বান্ধবী দিয়েছিল। দীর্ঘ দুই বছরের পরে, এই আনারস গাছটি মাস খানেক আগে প্রথমবারের মতো ফল দিয়েছে। কেবল এক মাসে আনারসটি বড় হয়েছে, মাশআল্লাহ।
| আনারস টি গাছে ধরার সপ্তম দিনের ছবি ছিল এটা |
|---|
এই একমাসে আনারসটি এত বড় হয়েছে। বাহিরে বের হলে আমি আনারস গাছটিকে পরিচর্যা করি এবং পর্যবেক্ষণ করে থাকি। আমাদের এদিকে বাসা বাড়িগুলোতে খুব কমসংখ্যক মানুষ ই আনারস গাছ লাগিয়ে থাকে,এজন্য যখনই কোন প্রতিবেশী আসে এবং আমার বাসায় আনারস গাছটি দেখে তারা খুব প্রশংসা করে থাকে। আমি আনারস খেতে খুবই পছন্দ করি। তবে গরম কালে আনারস ফলন বেশি হয়ে থাকে। আনারসে অনেক পুষ্টিগুণ বিদ্যমান রয়েছে।
একটু পরে, আমি আমাদের বাড়ির কাছে গেলাম যেখানে পেপে গাছগুলো দীর্ঘ সারিতে স্থাপন করা ছিল। তিন বা চারটি গাছ ভর্তি ছিল পেপে, আলহামদুলিল্লাহ। এই রমজান মাসে, আমরা বেশ কিছু পাকানো পেপে খেয়েছি। আমাদের নিজেদের গাছের ফল দেখলে মনে শান্তি আসে, এবং গাছ থেকে ফল তোলার অনুভূতিও খুব আনন্দদায়ক। এই সময়, আমাদের গাছ থেকে পেপের ফলন খুব ভালো হয়েছে। যদিও আমি বিশেষভাবে পেপে খেতে পারি না, তবে মাঝে মাঝে যখন ইচ্ছা হয়, তখন খাই।
আমাদের বাড়ির ছাদে অনেক অনেক কবুতর ছিল। রোজার মাসে আমাদের কবুতরগুলোকে খাওয়ানো কঠিন হয়ে পড়েছিল কারণ তারা চালের উপরে বসে থাকতো। তাই, কবুতরগুলোকে নামিয়ে এনে উঠোনের একটি কোণায় রাখা হয় এবং আমার ছোট ভাই সেগুলোর যত্ন নেয়। সম্প্রতি, এদের সংখ্যা কমেছে, আর এখন শুধু কয়েকটি বেঁচে আছে। কবুতরগুলো খুব শান্ত এবং কোমল পাখি। আমরা সত্যিই বাড়িতে এই ধরনের পাখি পালন করতে বেশ উপভোগ করি। সূর্যডুবির আগে, আমি কবুতর গুলোর কাছে গিয়েছিলাম তাদের দেখার জন্য যাতে তারা ভালো আছে কিনা। তারপর আমি তাদের একটি ছবি তুললাম। সাদা পায়রা কে শান্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য গাছপালা, পশু-পাখি সবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রত্যেকের উচিত গাছপালার যত্ন নেওয়া এবং বেশি বেশি করে গাছ লাগানো। গাছপালা আমাদের পরম বন্ধু। মানুষ হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই প্রকৃতির সৃষ্টিগুলোকে রক্ষা করার দায়িত্ব ও কর্তব্য। বিনা কারণে গাছপালা কাটা থেকে বিরত থাকা উচিত। আজকে এখানেই শেষ করছি, বন্ধুরা। সকলের সুস্থতা কামনা করছি। আবারো দেখা হবে নতুন কোন একটি পোস্টে। আল্লাহ হাফেজ।
| Post category | Some random photography |
|---|---|
| Device | RealmeC63 |
| Photographer | Me @saniya9 |
| Location | Dhaka,Bangladesh |
| Community | Incredible India |
X shared link
https://x.com/EmaEm21101/status/1917095028398387371
আজকে আপনি আপনার বাগানের কিছু ফলের গাছ ছবি শেয়ার করেছেন। বাগানে গাছ লাগাতে আমিও ভীষণ পছন্দ করি। আমার বাগানেও বেশ কয়েক রকমের ফল গাছ রয়েছে। আনারস গাছ কখনো সেভাবে কাছে থেকে দেখা হয়নি। আপনার আনারসের প্রথম ছবিটা দেখে আমি প্রথমে বুঝতেই পারিনি। আনারস খেতে আমি ভীষণ পছন্দ করি। আপনার পোষ্টের মাধ্যমে আনারস গেছে ছবি দেখার সুযোগ হলো। এরপরে পেঁপে গাছ পেঁপে গাছ আমাদের বাড়িতেও প্রচুর ছিল পেঁপে খেতেও আমি ভীষণ ভালোবাসি পেপে খাওয়া শরীরের পক্ষে অনেক উপকার বাড়িতে এরকম গাছ লাগালে পরিবেশ অনেকটাই ভালো থাকে। বাগানের সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।