তাই ঘড়িটা অপ্রয়োজনীয় হয়ে গেছে।
ঘড়িটা যার প্রয়োজন ছিলো তার জীবনের সময় ফুরিয়ে গেছে ৮ বছর আগে!
আপনার লেখা টাইটেল ও শেষের এই দুই লাইন হৃদয় ছুঁয়ে গেলো। আপনার দাদুর গল্প পড়তে পড়তে মনের মধ্যে নিজের ঠাকুমার সাথে কাটানো ছোটবেলার বহু স্মৃতি ভেসে উঠলো। এই মানুষগুলো আমাদের সকলের জীবনে বটগাছের ছায়ার মতো ছিলো। বেঁচে থাকতে কতখানি মূল্য দিয়েছে সত্যিই জানিনা, তবে তাদের মৃত্যু আমাদের জীবনে তাদের কতখানি গুরুত্ব ছিল তা খুব ভালোভাবে বুঝিয়েছে।
আমার ঠাকুরমা ঘড়ি দেখতে পারত না তবে সূর্যের আলো দেখে যখন সময় বলতো,তখনই ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখতাম সঠিক সময় বলছে। বিষয়টা নিয়ে বেশ অবাক হয়েছি অনেকবার। আপনার দাদুকে ব্যক্তিগতভাবে দেখার সুযোগ না হলেও, তার সাহচার্য্যে বেড়ে ওঠা আপনাকে যতটুকু চিনেছি, তাতে এ কথা বলতে পারি মানুষ হিসেবে তিনি সকলের অনেক প্রিয় ছিলেন। তার থেকে শেখা প্রতিটি জিনিস নিজের জীবনে সঠিকভাবে কাজে লাগান, তাহলে মানুষ হিসেবে আপনার জীবন সার্থক হবে। দাদুকে যে শেষ পর্যন্ত দেখতে পেয়েছিলেন, জেনে ভালো লাগলো। আমি আমার ঠাকুরমাকে শেষ দেখা দেখতে পাইনি। আর এই কষ্ট ঠিক কতখানি তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। নিজের দাদুর প্রতি আপনার অনুভূতি এতো সুন্দর ভাবে ব্যক্ত করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।