ঔষধি গাছ আকন্দের উপকারিতা ও চাষাবাদ করার নিয়ম
কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই মহান সৃষ্টিকর্তা দয়ায় ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ও সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভালো আছি। বন্ধুরা আমার আজকের পোস্ট এর বিষয় হলো, ঔষধি গাছ আকন্দ নিয়ে।
কালকের বিকেলে আমি বাজারে হাঁটার সময় চোখ পড়ে আকন্দ গাছের উপরে।আর আমাদের বাজার টি হলো সুবিদখালী। আমার চোখ পড়ার পরে চিন্তা করি আকন্দ গাছের তো অনেক উপকারিতা আছে।আর আমি তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আকন্দ গাছের কয়েকটি ফটোগ্রাফি করলাম। আর আজকের বিকাল বেলা পোস্ট টি লেখা শুরু করি।
" আমার পোস্ট টি সম্পূর্ণ পড়ার চেষ্টা করবেন, আশা করি কিছু জানতে পারবেন "
আকন্দ গাছের ব্যবহারকারী অংশ হলো: ফুল, ফল, পাতা, শিকড়, আঠা।আকন্দ গাছটি হলো একটি ঔষধি সম্পূর্ণ গাছ।এই গাছটিতে সাদা বা বেগুনি রঙের ফুল হয়ে থাকে। আর আকন্দ গাছের পাতা ও শাখা ভাঙলে দুধের মত সাদা আঠা বের হয়।গাছটি ৭-৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।আর পাতা ৪-৫ ফুট লম্বা হয়।গাছটি রাস্তার আশেপাশে দেখা যায়।আকন্দ গাছটি যত্নবিহীন গাছ।গাছটি আমার জানা মতে বাংলাদেশে জন্ম হয়ে থাকে। আর কোন ও দেশে আকন্দ গাছের জন্ম হয় নাকি আপনারা কমেন্ট করে জানাবেন।
➤ খোসা পাচড়া বা একজিমার ক্ষেত্রে আকন্দ গাছের কস বা আঠার সাথে সরিষার তেল গরম করে ব্যবহার করলে সৃষ্টিকর্তার রহমতে মুক্তি পাওয়া যায়।
➤ আকন্দ গাছের পাতা সেবন করলে হাঁপানি রোগ কে দমন করা যায়।
➤ আকন্দ গাছের কস দাঁতে ব্যথা কমিয়ে দেয়।
➤ যে কোন ও ধরনের ফোলাজনিত জায়গায় আকন্দ গাছের পাতা বেঁধে রাখলে ফোলা কমে যায়।আর আমাদের এলাকায় আকন্দ পাতা এই ফোলা কমানোর জন্য বেশি ব্যবহার করা হয়।
➤ আকন্দ গাছ চুল পড়া রোগের জন্য বিশেষ কার্যকরী।
➤ আকন্দ পাতা দিয়ে ব্রন ফাটানো অনেক সহজ যেমন: আকন্দ গাছের পাতা দিয়ে ব্রন টিকে শক্ত করে বেঁধে রাখলে কিছু সময় এর ভিতরে ব্রন ফেটে যায়।
➤ আকন্দ গাছের শিকড়ের ছাল নিয়ে শুকিয়ে চুরুট বানিয়ে পান করলে শ্বাসকষ্ট ভালো হয়।
➤ আকন্দ গাছের সোজা একটি ডাল নিয়ে তার মাথায় ঘি লাগিয়ে ব্যথার স্থানে লাগালে ব্যথা কমে যায়।
➤ শরীরের কোন স্থানে ক্ষত হলে সেখানে পুঁজ জমে।আর এই পুঁজ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আকন্দ গাছের পাতা সেদ্ধ করার পানি দিয়ে জায়গাটিকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে রাখতে হবে।
আকন্দ গাছটি মে- জুন মাসের ভিতরে রোপন করা ভালো কারন এই মাসের ভিতরে আকন্দ গাছের ফল ফেটে বীজ বাতাস এর সাথে ঘুরে বেড়ায়।আকন্দ গাছটি ৩-৪ ফুট দূরত্বে রোপণ করা উচিত।আর এটির ডাল দিয়ে ও গাছ তৈরি করা সম্ভব।
তো বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই আশা করি সবার এই পোস্ট টি ভালো লাগবে। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
আকন্দ গাছের অনেক উপকারিতা আপনি আমাদের মাঝে উপাস্থাপন করেছেন ৷ আপনার পোস্ট না পড়লে হয়তো এই সব উপকারিতা আমাদের অজানা থেকে যেতো ৷
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্ট টি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য এবং এতো সুন্দর একটি কমেন্ট করার জন্য।