বড়ই ভর্তা তৈরি করার পদ্ধতি
হ্যালো স্টিমিট বন্ধুরা |
|---|
কেমন আছেন সবাই, প্রতিদিনের ন্যায় আজ ও চলে আসছি। কিছু একটা শেয়ার করবো বলে। তো ভাবছি আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো, বড়ই ভর্তা বানানোর পদ্ধতি। এখন শীতকাল, তাই বাজারে অনেক বড়ই পাওয়া যায়। টক মিষ্টি দুটোই পাওয়া যায়। তবে আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব, টক বড়ই দিয়ে কিভাবে ভর্তা বানানো যায় অথ্যাৎ আমি কিভাবে এই বড়ই দিয়ে বর্তা বানাই তা এখন আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করছি। আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
এটি বানানো খুব সহজ। তাই ইচ্ছে করলেই যে কেউ, ঝটপট বানিয়ে ফেলতে পারবেন এই ভর্তা টি। আমার কাছে তো খুব ভালো লাগে এই ভর্তা টি। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করার ইচ্ছে পোষণ করলাম।তাছাড়া বড়ই কিন্তু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। তাই ভিটামিন সি এর ঘাটতি পূরণ করতে টক বড়ইয়ের বিকল্প নেই।
চলুন আমি কিভাবে ভর্তা টি বানিয়েছি তাই আপনাদের সাথে এখন শেয়ার করি। এই ভর্তার মূল উপকরণ হলো টক বড়ই। আর সাথে যেসব উপকরণ ব্যবহার করেছি তা হল, ধনেপাতা, কাঁচা মরিচ ,লবণ ও গুড় । আমি এখানে খেজুরের গুড় ব্যবহার করেছি, তবে আপনারা চাইলে আখের গুড় বা চিনি ও ব্যবহার করতে পারেন।
প্রস্তুত প্রণালী |
|---|
| উপকরণ সমূহ ও | পরিমাপ |
|---|---|
| টক বড়ই | হাফ কেজি |
| ধনিয়া পাতা | পরিমাণ মতো |
| কাঁচা মরিচ | চার-পাঁচটা |
| লবণ | পরিমাণ মত |
| গুড় | পরিমাণ মতো |
প্রথম ধাপ |
|---|
আমি প্রথমে যে কাজটি করেছি তা হলো খুব ভালো মতো করে এগুলোকে ধুয়ে নিয়েছি। এবং বড়ই যে বোঁটা গুলো ছিল তা বেছে নিয়েছি। এখন একটি জুড়িতে রেখে পানি ঝরিয়ে নিয়েছি। পানি ঝরে যাওয়ার পর কাঠের ওকলি এর উপরে রেখে দিয়েছি। এবং ভালোমতো থেঁতলে নিয়েছি।
দ্বিতীয় ধাপ |
|---|
এই পর্যায়ে এসে ওকলি থেকে একটি পাত্রে ভর্তা টা নিয়ে নিয়েছি। এখন ধনেপাতা ও কাঁচা মরিচ গুলোকে কুচি কুচি করে কেটে নিয়েছি।এই থেঁতলে নেওয়া বড়ই গুলোর সাথে আগে থেকে কুচি করে নেওয়া ধনেপাতা কাঁচা মরিচ দিয়ে দিয়েছি। তারপর লবণ ও গুড় একসাথে মিশিয়ে নিয়েছি।
তৃতীয় ধাপ |
|---|
এখন একটি বাটিতে নিয়ে সবগুলো উপকরণ খুব ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। তারপর একটু লবণ দিয়ে দিতে হবে এবং লবণ ছেকে নিতে হবে। কোথায় আছে না লবণ ছাড়া ঘি ও মাটি। আমার জানি লবণ যে কোন খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। তাই সব কিছু রান্না করার পর বা কোন ভর্তা বানানোর পর অবশ্যই লবণ ছেঁকে নিতে হবে। তা না হলে আপনার পরিশ্রম ই বৃথা যাবে। খাবার খেয়ে কেউ প্রশংসা না করলে ভালো লাগে না। প্রশংসা পেতে হলে খাবারটির সবকিছু ঠিকঠাক হতে হবে।
তো হয়ে গেল আমার বড়ই ভর্তা বানানো। সবাই মিলে ভর্তা খেয়ে নিলাম। আমি অবশ্য এ বছর আজ ই প্রথম খেলাম এই ভর্তা। আমি বর্তা খেয়ে ছাদে চলে গেলাম। দুপুরে আমি রোদ থাকলে ছাদে চলে আসি। তাই ছাদে বসে বসে চুল শুকিয়ে ফেললাম আর এই সুস্বাদু ভর্তা টা বানানো পদ্ধতি টি আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য পোষ্ট লিখে ফেললাম।
আমার ছাদের চারপাশ দিয়ে বড় বড় গাছ। তাই ছাদে অনায়াসে বসে থাকা যায়। তো কেমন লাগলো আমার এই ভর্তা বানানো পদ্ধতি টি তা অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। আপনাদের মজার মজার কমেন্টের অপেক্ষায় রইলাম।
তো সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন, আর আমার এই পোস্টটি সময় ও ধৈর্য নিয়ে পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
আল্লা হাফেজ।
আপু একদম লোভ লাগিয়ে দিয়েছেন তো,
বড়ই আমি খুব পছন্দ করি, যদি এ বছর এখনো খাওয়া হয়নি। তবে যখনি খাব আপনার এই বড়ই ভর্তার পদ্ধতিটা অবশ্যই অবলম্বন করব। ধন্যবাদ খুব সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
বর্তমান সময়ে বড়ই গাছে বড়ই ফল ধরে থাকে ৷ আর বড়ই খেতে বেশ ভালোই লাগে বিশেষ করে বড়ই ভর্তা খেতে বেশ সুস্বাদু লাগে ৷ কাচা বড়ই গুলো গাছ থেকে পেড়ে ভর্তা করে খাওয়া যায় ৷ যেমন টা আজকে আপনি বড়ই ভর্তা করেছেন ৷
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
*হ্যাঁ এখন বড়ইয়ের সিজন তাই তাই বাজারে অনেক ধরনের বড়ই পাওয়া যায়। টক বড়ই গাছ থেকে পেড়ে লবন মরিচ দেখে তো খুব মজা। আপনি ঠিকই বলেছেন বড়ই এর ভর্তা খুবই
সুস্বাদু। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
বর্তমান সময়ে বরই এর সময়। আর এই সময়ে অনেকর গাছে বরই অনেক বড় বড় হয়ে গেছে। আমি দুই তিন আগে বাজারে গিয়ে দেখলাম সেখানে বরই বিক্রি করা হচ্ছে। যাইহোক আপু আপনি খুবই সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখেছেন যে, কীভাবে বড়ই ভর্তা করতে হয়?
*জেনে ভালো লাগলো আমার এই ভর্তা বানানোর পদ্ধতিটি আপনার কাছে ভালো লেগেছে। হ্যাঁ ভাইয়া অনেক বড়ই পাওয়া যায়
বাজারে। আর আমার কাছে টক টা ই বেশি
ভালো লাগে খেতে। আমি লবণ মরিচ দিয়ে বসে বসে খাই। ধন্যবাদ আপনাকে আমার পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ে পোস্ট রিলেটেড এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
বড়ই ভর্তা আপনি খুব সুন্দর ভাবেই বানিয়েছেন, ছবি থেকেই তা স্পষ্ট। আপনার পোস্ট পড়ে যা জানতে পারছি বড়ই ভর্তা বানানো যথেষ্ট সহজ। আমাদের এখানে বাজারে বড়ই এখনো ঠিকমত ওঠেনি। যখন পাওয়া যাবে তখন একবার অবশ্যই বড়ই ভর্তা বানিয়ে খাওয়ার ইচ্ছে রইলো।
টক বড়ই টা ই ভালো লাগে। একদিন বানিয়ে খেয়ে দেখবেন। আমার খুব পছন্দের একটি খাবার এটি। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
!invest_vote
অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্ট টি পরিদর্শন করে ভোট দেওয়ার জন্য।
এবছর এখনো বড়ই খাই নাই । আপানার লেখার ক্যাপশন দেখেই মুখ পানিতে ভরে গেছে। চমৎকার এই রেসেপিটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
*হাহাহা দারুন মন্তব্য করেছেন তো আপনি। একেবারে ১০০% সঠিক। টক দেখলেই জিভে জল চলে আসে। আর ভর্তাটা তো আপু দারুন
লেগেছিল। চটপট খেয়ে ফেলুন। আপনার ওখানে অনেক বেশ ভালো বড়ই পাওয়া যায়। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
আপনার বড়ই ঘরটা তৈরি করার রেসিপি এবং ফটোগ্রাফি দেখে সত্যিই জিভে জল চলে আসলো। টক জিনিস দেখলে সবারই খেতে ইচ্ছে করে। আমি নিজেও ঠিক একইভাবে বড়ই ভর্তা তৈরি করে থাকি। তবে আমি প্রচুর পরিমাণে মরিচের গুঁড়া দিয়ে খেতে অনেক বেশি পছন্দ করি। ধন্যবাদ আপনাকে, চমৎকার ভর্তা তৈরি করার পদ্ধতি, আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ভালো থাকবেন।
বড়ই আমি খুব পছন্দ করি কিন্তু কোন সময় এরকম বড়ই ভর্তা করে খাইনি। আপনার বড়ই ভর্তাটি দেখে জিভে জল এসে গেল। তবে একদিন চেষ্টা করব আপনার পোস্টি ফলো করে এরকম বড়ই ভর্তা বানানোর।
থ্যাঙ্ক ইউ খুব চমৎকার একটি বড়ই ভর্তা রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করছেন।
হ্যাঁ তবে ঠিক সময় পেলে একবার আপনার মত এরকম করে লবন মরিচ মসলা দিয়ে খাব। তবে ভর্তাটি দেখতে বেশ লবণীয় মনে হচ্ছিল আমার। থ্যাঙ্ক ইউ খুব সুন্দর একটি রিপ্লাই দেওয়ার জন্য।
শীতের দিনের বড়ই ভর্তা করার পদ্ধতি খুব সুন্দরভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। বড়ই বছরে একবারই হয় এরকম শীতকালীন সময়ে। আর বড়ই ভর্তার পদ্ধতি দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে ।