প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে একটু বাহিরে যাওয়া
হ্যালো স্টিমিট বন্ধুরা
সবাই ভালো আছেন, সেই প্রত্যাশা রেখেই আজকের লিখা শুরু করছি। আপনারা তো আমার আত্নার আত্বীয় হয়ে উঠেছেন।তা না হলে যাবতীয় সব বিষয়
নিয়ে শেয়ার করার ইচ্ছে পোষণ করতাম না।
একে বারে সাধারণ বিষয় গুলো নিয়ে ও চলে আসি
আপনাদের সাথে। নিজের ভালো লাগা, মন্দ লাগা
প্রায় সব কিছুই তো অকপটে বলে ফেলি আপনাদের সাথে।সেই দিক বিবেচনায় এই প্লাটফর্মে সাথে তথা এই কমিউনিটির সাথে একটি বন্ধনে লিপ্ত হয়ে গেছি,
মনের অজান্তেই।
উদাহরণ স্বরূপ একটি কথা শেয়ার করেই আমি আমার আজকের পর্বে প্রবেশ করতে চাই বন্ধুরা।গত বৃহস্পতিবার বার আমি ঢাকায় গিয়েছিলাম। আমার
একটি জরুরি কাজ ছিল তাই,সে কথা ইতিমধ্যে আপনাদের সাথে শেয়ার করেই ফেলেছি।
তাই নয় কি বন্ধুরা। বন্ধ বলে কথা,
যাদের সাথে কোন
বিষয় নিঃদ্ধিধায় শেয়ার করা যায়, তাঁরাই তো বন্ধ।
তাই তো আমি আপনাদের সাথে কোন বিষয় শেয়ার করতে ও খুব একটা দ্ধিধা বোধ করি না।
ওহ ,যা বলতে নিয়েছিলাম,আমি ১৬ তারিখের পোস্টটি ট্রেনে বসে লিখেছি এমনকি, ট্রেনে বসেই পোস্ট করেছি। আমি মনে হয় কোন একটি পোস্টে উল্লেখ ও করেছিলাম যে, আমি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ছবি তোলে রেখে দেই।আর সময় সুযোগ পেলেই তার উপর ভিত্তি করে রেন্ডম কন্টেন্ট তৈরি করে , আপনাদের সাথে শেয়ার করি।
১৬ তারিখ ও সেই কাজ টি ই করেছিলাম। আমি ওয়াই ফাই ব্যবহার করি,এখন তো ট্রেনে স্বাভাবিক ভাবেই তো নেট নেই। তাই এম,বি কিনে পোস্ট করেছি। পুরো কাজ টাই ভালো লাগার জায়গা থেকে ই করেছি বন্ধুরা।
এখন আসি মূল পর্বে।বাসার ইস্তিরি টা হঠাৎ করেই নস্ট হয়ে গেছে,তাই একটি নতুন ইস্তিরি কিনতে মায়ের সাথে আশুগঞ্জ বাজারে গিয়েছিলাম। ওখানে গিয়ে দেখা পেলাম এক ফুটফুটে বেবির।আমার মায়ের বেবি দেখলেই মাথা নষ্ট হয়ে যায়। তাই সে ভাব
জমিয়ে বসল তার মায়ের সাথে।
এক পর্যায়ে আমরা মা ঐ বেবির মায়ের কাছ থেকে বেবি টা কে কোলে তোলে নিল, অবশ্য অনুমতি সাপেক্ষে ই নিয়েছিল।অন্যের বাচ্চাঁকে তো আর অনুমতি ছাড়া কোলে নেওয়া যায় না।
আর এখন যে দিন কাল পড়েছে,এতে করে কারো ই
বিশ্বাস করা যায় না। আমি আন্টিকে জিজ্ঞেস করলাম যে, বেবির যদি ছবি তোলতে চাই, তাহলে কোন আপত্তি আছে কিনা।আন্টি একটু মুচকি হেসে বলল, না না কোন সমস্যা নেই। তাই আমি ওর কয়েকটি ছবি তোলে নিলাম।
এই ফাঁকে ইস্তিরি টা ও ১৪৯০ টাকা দিয়ে কিনা হয়ে গেল।আসার পথে
হলুদ বর্ণের একটি শাড়ি কিনতে দোকানে ঢুকলাম।
শাড়িটা অবশ্য পরিধানের জন্য কিনা হয় নি। কাঁথা সেলাই করতে কিনেছি।
বাসায় একটি এই রকমের শাড়ি পড়ে আছে,তাই মা আরেকটি কিনে নিয়েছে,যাতে করে দুটো মিলিয়ে একটি কাঁথা সেলাই করা যায়। নতুন কাপড় দিয়ে সেলাই করলে, অনেক দিন টিকে কাঁথা। তাই মা নতুন কাপড় দিয়েই কাঁথা সেলাই করতে দিবে। তাছাড়া এখন তো সবাই থ্রি পিস ই পড়ে,তাই স্বাভাবিক ভাবেই কাঁথা সেলাই করার মতো পুরোনো কাপড় ও পাওয়া যায় না।শাড়ির
দামটা তো বলা ই হলো না। ৩৫০টাকা নিয়েছিল।
সামনে ডিসেম্বর মাস। ছেলে মেয়েদের স্কুল বন্ধ, তাছাড়া ডিসেম্বর থেকে ই শুরু হয় বিয়ে সহ নানা ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানের তাই, দোকানে ও ছিল অনেক ধরনের হলুদের শাড়ি।
আধুনিকতার ছোঁয়ায়,আমরা আধুনিক হয়েছি ঠিক ই,
কিন্তূ এর কারনে আমরা কিছু অসুবিধায় ও পড়ছি
তা অস্বীকার করার কোন অবকাশ নেই।
কেনাকাটা শেষ করে আমলকি কিনে নিলাম এবং ফুসকা পার্সেল করে নিয়ে আসলাম। বাসায় বসে ফুসকা খেয়ে,মন প্রফুল্ল করে লিখতে বসে গেলাম। সত্যি কথা বলতে কি বন্ধুরা।ফুসকা খেয়ে না মনের মধ্যে একটা ভাব কাজ করছিল। তাই লিখা ও খানিকটা বড় হয়ে গেল।
তো আজ এই পর্যন্তই থাক। কেমন বন্ধুরা।
ওহ, কারো কী খুব ফুসকা খেতে ইচ্ছে করছে
আমার ফুসকার ছবি দেখে। তো বন্ধুরা একটু কস্ট করে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।কাল না হয় সময় করে খেয়ে নিবেন। এখন তো তাহলে ফুসকার দাম টা ও শেয়ার করতে হয়।
প্রতি প্লেটের দাম ছিল ৩০টাকা করে । আসলেই আমরা মতো যারা ফুসকা প্রেমিকা তাদের তো মাথা নষ্ট হয়ে যাওয়ার ই
কথা।
খুব মজা করলাম। ভালো থাকবেন সবসময় বন্ধুরা।
আপনাদের ভালো থাকা, আমাকে ও ভালো থাকতে
সাহায্য করবে।
পরিশেষে একটি ইচ্ছের কথা বলেই, লিখার সমাপ্তি টানতে চাই তা হলো,এই কমিউনিটির হাত ধরে বহু দূর
এগিয়ে যেতে চাই। সবার আর্শিবাদ যেন থাকে আমার
সাথে।
আপনার পোস্টটি পড়ে বুঝতে পারলাম আপনি আজ অত্যন্ত চমৎকার একটি দিন কাটিয়েছেন। বাসার ইস্তিরি টাও কাজের মধ্যে কিনে নিয়েছেন।আপনি একটা পয়েন্ট উল্লেখ করেছেন যে, কাথা সেলাই এখন কম দেখা যায় কারণ পুরাতন কাপড়েরই বড্ড অভাব।কারণ এখন সবাই শাড়ির বদলে থ্রিপিস পরে।সর্বোপরি আপনার সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।।
আপনাকে অসংখ্য ভাইয়া। আমার পোস্ট টি আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে পড়ে এমন সুন্দর করে গুছিয়ে মন্তব্য করার জন্য। ভালো লাগলো। ভালো থাকবেন সবসময় ভাইয়া।
আমি আপনার সম্পূর্ণ লেখাটি পড়লাম। আপনি আজকে খুবই সুন্দর একটা দিন পার করেছেন। আপনি আপনার পোস্টের মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র কেনার কথা উল্লেখ করেছেন। সাথে আপনার এই দিনের অন্যান্য কথাও উল্লেখ করেছেন।
যাইহোক আপু আপনার পোস্টটা পড়ে অনেক ভালো লাগল। আপনার পরবর্তী আকর্ষণীয় পোস্ট পড়েছে জন্য অপেক্ষায় থাকলাম ভালো থাকবেন আপনি সবসময় সেই কামনা করি।
ধন্যবাদ আপনাকে। আমার পোস্টটি সময় ও ধৈর্য নিয়ে পড়ার জন্য। আপনিও ভালো থাকবেন সবসময় ভাইয়া।
আপনিও ভালো থাকবেন আপু।
আপনিও ভালো থাকবেন ভাইয়া।
নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনাকাটা আমাদের জীবনের একটি পাঠ আমরা প্রতিদিন কোন না জিনিস কেনাকাটা করি। তেমনি ভাবে আপনি যেগুলো জিনিস কেনাকাটা করছেন তার অভিজ্ঞতা আমরাও পেলাম । এজন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনাকে ও অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার পোস্ট টি সময় ও ধৈর্য্য নিয়ে পড়ার জন্য।হে ভাইয়া আমরা প্রায় প্রতিদিন ই কিছু না কিছু কেনাকাটা করে থাকি।এটি আমাদের জীবনের একটি অংশ।
আপনার বাসার কেনাকাটা করার জন্য আপনার মায়ের সাথে আপনি বাজারে গিয়েছেন। সেখানে গিয়ে আপনার মা একটা ফুটফুটে বাচ্চা দেখেছে। বাচ্চা আপনার মা খুবই পছন্দ করে। তাই জমিয়ে বাচ্চাটার সাথে খেলতে লাগলো। একটা পর্যায়ে বাচ্চার মায়ের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে, বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে আদর করতে লাগলো।
আপনার মা কাঁথা সেলাই করার জন্য দুইটা কাপড় কিনে নিয়েছে। সেই সাথে অমলকি নিয়েছেন এবং ফুচকা নিয়েছেন। আসলে আমাদের মেয়েদের একটা দুর্বল জায়গা হচ্ছে ফুচকা খাওয়া। ফুচকা খেতে এতটা ভালো লাগে যেটা হয়তোবা বলে বোঝাতে পারবো না। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আপনার মায়ের সাথে কেনাকাটার মুহূর্তটা আমাদের সাথে উপস্থাপন করার জন্য। ভালো থাকবেন।
আপু আজ আপনি অনেক কেনাকাটা করেছেন আর আপনার এই কেনাকাটা দেখে মন চাচ্ছে আমিও করি তার কারণ হচ্ছে আমার আইরন মেশিনটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে তাই নতুন একটা কিনতে হবে তাছাড়া আরো জানতে পারলাম নকশি কাঁথা সেলাই করার জন্য
আপনি নতুন কাপড় কিনেছেন হ্যাঁ আপনার মা ঠিকই বলেছে খাতা সেলাই করার জন্য নতুন কাপড় হলে বেশি দিন ব্যবহার করা যায় ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রথমেই অপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্ট টি পড়ে এমন সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য। ভালো থাকবেন সবসময় আপু।
Welcome 🙂