আমার পছন্দের দু'টো খাবার
হ্যালো স্টিমিট বন্ধুরা |
|---|
কেমন আছেন সবাই ।আশা রাখি খুব ভালো আছেন। আমি ও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি ।আজ আমি আপনাদের সাথে আমার দুটো পছন্দের খাবার নিয়ে শেয়ার করব বলে ভাবছি। একটি হলো মুড়ির মোয়া আরেকটি হল তিলের খাজা।৮০ বা ৯০ দশকের যারা আছেন তারা এটি খুব ভালো মতো করে চিনবেন সবাই খেয়েছেন বলে আমার ধারণা।
আমি অনেক খেয়েছি ছোটবেলায় আর এই খাবারগুলো শীতের দিনে বেশি পাওয়া যায়। আজ যখন বাজার থেকে কিনে এনেছে, দেখেই ছোটবেলার স্মৃতি মনে পড়ে গেল ।এখন আমরা এগুলো কিনে খাই, একটা সময় বাসায় হাতে তৈরি করে খেতাম আমরা। বাসায় তৈরি মুড়ি মোয়া তিলের খাজার সাথে, বাজারের কিনা মুড়ির মোয়া তিলের খাজার মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে ।শীতের দিনে যখন নতুন ধান ঘরে আসতো তখন পিঠাপুলির সাথে মড়িও ভাজা হতো মুড়ির গন্ধে দিক ছেড়ে যেত। আর এই নতুন ভাজা মুড়ি দিয়েই তৈরি করা হতো মুড়ির মোয়া সাথে আখের গুড় সেটিও হাতের তৈরি।
আমাদের পাশের এলাকাতে আখ চাষ করা হতো ওখান থেকে আখের রস এনে বানানো হতো দুটিই হাতের তৈরি তাই খেতেও বেশ ভালো লাগতো।
শীতের রোদে বসে সেই মুড়ির মোয়া ও তিলের খাজা খেতাম। তখনকার সময় টিনের পেট বাটি ব্যবহার করা হতো মিষ্টি রোদে বসে বসে রোদ গায়ে লাগাতাম আর এই মজার খাবার খেতাম ।গোসল করে গায়ে তেল মেখে আবার রোদে বসতাম ।আহ কি মজার স্মৃতিগুলোই না ফেলে রেখে এসেছি। এখন ইট পাথরের বিল্ডিং এ থাকি শীতের সেই আমেজ নেই। নেই হাতের তৈরি মোয়া ,নেই সেই তিলের খাজা ও।
সবই এখন কিনে আনতে হয় বাজার থেকে ।আর এসব কিছু এখন তৈরি করা হয় মেশিন দিয়ে। মেশিনের সাহায্যে তিলের খাজা ও মুড়ির মোয়া তৈরি করা হয় । আগের সেই স্বাদ গন্ধ কিছুই নেই এ সব খাবারে।
সকালবেলা মা নাস্তা বানাতে একটু দেরি হলে আমরা এই মুড়ির মোয়া বা তিলের খাজা খেয়ে পড়তে বসতাম , মায়ের নাস্তা তৈরি হলে ডাক পড়তো খাওয়ার জন্য। চুলার চারপাশে বসে নাস্তা খেতাম সবাই মিলে। মাঝে মাঝে হাত গরম করে মুখে লাগাতাম।এভাবে শরীর গরম করে নিতাম।
পড়তে পড়তে যখন খিদে লেগে যেত তখন একটা দুইটা মোয়া খেয়ে পানি খেয়ে পড়তে বসতাম। এখনকার মতো তো আর নানা ধরনের খাবার বাসায় রেডি থাকত না,যে খেয়ে ফেলবো। মাটির চুলায় রান্না করাটা অনেক কষ্টসাধ্য তাই হুট করে ইচ্ছে করলেই নাস্তা বানাতে পারতো না মা ।এই হালকা পাতলা নাস্তা খেয়ে চলত অনেকটা সময়।
খুব মনে পড়ছিল সেই কালের মধুর স্মৃতিগুলো তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করলাম। এই মুড়ির মোয়া ও তিলের খাজা নিয়ে যদি আপনাদের কারো কোন মজার স্মৃতি থেকে থাকে তাহলে শেয়ার করবেন ।ভালো থাকবেন ,সুস্থ থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ।
আমাদের মাঝে আপনি শেয়ার করেছেন আপনার দুইটি পছন্দের খাবার,, আমি নিজেও অনেক পছন্দ করি। কিন্তু অনেক বছর এই গুলা খাওয়া হয়নি। কিন্তু আপনার খাবারের পিক দেখে এখন খেতে ইচ্ছে করছে। মুড়ি মোয়া আর তিলের খাজা,, এই গুলো আগে বাড়িতে বাড়িতে নিয়ে আসতো, এখন আর এই দিকে দেখা যায় না, ছোট বেলায় আমার দাদা তিলের খাজা নিয়ে আসতো আমাদের ভাই বোনদের জন্য, এখন দাদাকে মিস করি,, আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক আমিন। আপনার পরবর্তী পোস্টের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
হে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিক্রি করতো ঐ গুলো তবে আমার মা খুব মজা করে বানাতো। আমি ও খুব মিস করি আমার মা কে। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
Congratulations, your post has been upvoted by @dsc-r2cornell, which is the curating account for @R2cornell's Discord Community.
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু জানেন আপনার পোস্টটা পড়ছি, সেই সাথে তিলের খাজা খাচ্ছিলাম এবং আপনার লেখা পড়ছিলাম। এটা হল ভাইয়া আজ বিকেলে কিনেছিল তাই এখন খেতেছি, আমার কাছে এই ধরনের খাবার ভরা পেটে দিলেও সমস্যা নাই।
আমার কাছে মুড়ির মা পছন্দ তবে এর থেকে বেশি পছন্দ তিলের খাজাটা মুখে দিলে কেমন যেন মিলিয়ে যায়, আহ খেতে কি যে ভালো লাগে, যেটা স্বাদ মুখে না দিয়ে বোঝার উপায় নেই
তাই দারুন তো তিলের খাঁচা খেতে খেতে তিলের খাজা পোস্টের কমেন্ট করছেন ।অসাধারণ আসলে আমারও খুব ভালো লাগে তিলের খাজা আর মুড়ির মোয়া ।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
Thank you
আজ দুটি দারুন খাবার নিয়ে পোস্ট করলেন। যে দুটি খাবার ভাজা পোড়ার দিকে পড়ে যায়, আমি বেশ ভালো এরকম ভাজা পোড়া খেতে পছন্দ করি। বিশেষ করে তিলের খাজাটা খেতে বেশ ভালো লাগে। আসলেই প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর সবার মনের ইচ্ছা ভাবনা জানতে পারি পোস্টের মাধ্যমে। এবং নিজের গুলো শেয়ার করতে পারি মন খুলে।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ খুব মর্যাদার দুটি খাবার নিয়ে আপনার পোস্টে হাজির হলেন।
এই প্লাটফর্ম আমাদের মনের কথা গুলো শেয়ার করার উত্তম পন্থা। তাছাড়া পছন্দ , অপছন্দ,সবই শেয়ার করতে পারি। তাই আমি মনে করি এই প্লাটফর্ম আমাদের প্রাণের ক্যাম্পাস।
এই দুটি খাবারের সাথে আমার নিত্য দিনের পরিচিত।
এগুলা আসলে মুখরচোখক খাবার। কমবেশি সবাই এগুলো খেতে পছন্দ করে ঠিক আপনার মতো। এগুলো আমার নিত্য দিনের সঙ্গী। আমি যখন দীর্ঘ সময় পড়ি তখন এগুলো পড়ার ফাঁকে ফাঁকে খেয়ে নিই। আলাদা একটা তৃপ্তি পাই। তিলের খাজার কিংবা নাড়ুর তো আলাদা কদর আমার কাছে৷
আসলেই এই সব খাবার কম বেশি সবাই পছন্দ করে।
আমি ও পড়ার ফাঁকে ফাঁকে একটু একটু করে খেয়ে পানি খেয়ে নেই। খুব ভালো লাগে খেতে। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
আমরা মানুষ আর আমাদের প্রতিটি মানুষের পছন্দের কিছু খাবার থাকে এবং আপনারা রয়েছে মুড়ির মোয়া এবং তিলের খাজা।।
আমার বেশ ভালো লাগে। আপনি আখের রস দিয়ে এটি তৈরি করেন। আর পড়তে বসে যখন ক্ষুধা লাগতো তখন আপনি মুড়ির মোয়া খেতেন।
বেশ ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি পড়ে। আর জানতে পারলাম আপনার পছন্দের খাবার সম্পর্কে।।
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর করে গুছিয়ে মন্তব্য করার জন্য।হে খুব সুস্বাদু খেতে।আপনি কি কখনো খেয়েছেন।
নাখেলে একবার খেয়ে দেখবেন। ভালো লাগবে খেতে। ভালো থাকবেন সবসময়।
আমি অনেকবারই খেয়েছি কিন্তু আমার কাছে তিলের খাজা অনেক বেশি মজা লাগে আমি এটাই খেতে অনেক বেশি ভালো বাসি।।
তিলের খাজা আমি দুই একবার খেয়েছি। আমি৷ অবশ্য ছোটবেলা খাইনি কিছুটা বড় হয়ে খেয়েছি।কলেজে যাওয়ার পথে কিনেছিলাম যতটা মনে পরে।খারাপ লাগে নাই খেতে, যতটা মনে পরে।
আর মুড়ির মোয়া আমার মা বানাত।আমি অলস হওয়ার কারনে অবশ্য বানাই না কিনে আনি। তবে এটা আমার বেশ পছন্দের একটা জিনিস।
এরকম দুটো জিনিস নিয়ে লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
হে দুটোর ই পছন্দের তালিকায় থাকা খাবার। অনেকেই কাছে। আমার মা খুব পটু খানাপিনায়। তাই যা একবার দেখে বানিয়ে ই ছাড়বে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই আমার মধ্যে ও কিছু টা ভাব রয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
তিলের খাজা আর মুড়ির নারু আমার ও অনেক পছন্দের খাবার ৷ কখনও বাইরে গেলে তিলের খাজা বিক্রি করে থাকে তখন কিনে নেই অনেক মজা লাগে খেতে ৷ আর মুড়ির নারুও অনেক টেষ্টি অনেক সময় বাড়িতেই মুড়ির নারু তৈরি করে খেয়ে থাকি ৷
যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে আপনার পছন্দের দুটো খাবার আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ৷ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
বাহ্ দারুন তো সবাই কি তাহলে এই খাবার গুলো পছন্দ।
অনেক অনেক ভালো লাগছে জেনে আমারও। সবাই সবার শৈশব স্মৃতি বিজড়িত দিনগুলো ও খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। সবাই কে অনেক অনেক ধন্যবাদ। সাথে আপনাকে ও।
মুড়ির মোয়া এবং তিলের খাজা নিয়ে আজ আপনি পোস্ট করেছেন আমাদের মাঝে এবং এটা জানতে পেরে ভালো লাগলো যে আপনার প্রিয় খাবার এই দুই টি এবং এটা সত্য যে ছোট্টবেলায় আমরা এই খাবার গুলো অনেক খেয়েছি। এখন বিশেষ করে বাংলাদেশে তিলের খাজা দেখা যায় বাসের ভেতরে ফেরি করে নিয়ে আসে। যাইহোক সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ শুভকামনা রইল আপনার।
হে এখন বস ই অন্য রকম লাগে। আগের মতো স্বাদ গন্ধ কিছুই নেই। মুড়ির মোয়া গুলো যেন কেমন লাগে।হাতের স্পর্শে বানানো মোয়ার স্বাদ ই অন্য রকম ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে।