Mobile Banking.
Hello Friends,
কেমন আছেন সবাই? আশাকরি আপনারা সকলেই ভালো আছেন। আমি আজ একটি সত্য ঘটনা এবং এটার সাথে সম্পৃক্ত প্রযুক্তি নিয়ে কিছু তথ্য উপস্থাপন করবো।
মোবাইল ব্যাংকিং কি?
মোবাইল ব্যাংকিং আধুনিক প্রযুক্তিতে আরো একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।মোবাইলের মাধ্যমে টাকা আদান-প্রদান প্রক্রিয়াকেই বলা হয় মোবাইল ব্যাংকিং।
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সুবিধা কি কি?
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে খুবই সহজে টাকা পাঠানো ও আনা সম্ভব।
মোবাইলের মাধ্যমে টাকা সঞ্চয় করা যায়(মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে)।
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের জন্য সময় বেঁচে যায় মানুষের।
মোবাইল এ ব্যাংকিং(বিকাশ, নগদ ও উপায় ইত্যাদি) অ্যাকাউন্ট চালু করা খুবই সহজ। বাড়িতে বসেই করা যায়, যার ফলে মানুষের হাতের নাগালে এটা।
নিজ হাতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এই লেনদেন করা যায়। যার জন্য হিসাব রাখা খুবই সহজ।
সব সময় লেনদেন করা সম্ভব। এটি আরো একটি সুবিধা। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার ও শনিবার ব্যাংকিং সেবা বন্ধ। সেদিক বিবেচনা করলে মোবাইল ব্যাংকিং সত্যিই অভাবনীয় পরিবর্তন এনেছে।
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সকল ক্ষমতা গ্রাহকদের কাছেই থাকে। যার ফলে অন্যের ওপর নির্ভর করতে হয় না। আর অর্থের গোপনীয়তা ও বজায় থাকে।
মোবাইল ব্যাংকিং সম্পর্কে লেখার পেছনে কি কোনো ঘটনা আছে আপনার? হ্যাঁ হলে বর্ণনা করুন।
প্রথমত একটা কথা না বললেই নয় যে আমি আমার জেলাতে (মোবাইল ব্যাংকিং) অ্যাকাউন্ট অফিসার হিসাবে নিয়োজিত ছিলাম বেশ কিছু দিন। তার জন্য এই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের খুঁটিনাটি বিষয় আমার জানা আছে কিছুটা।
যাইহোক, মূল ঘটনাতে চলে যাবো এখনই। আজ সকালে আমি আমাদের স্থানীয় বাজারে গিয়েছিলাম। আমার প্রয়োজনীয় কাজ ছিল মুদির দোকানে। এই দোকানি আবার মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্ট।
দোকানে পৌঁছালেই, দোকানি আমাকে বললেন, "গতরাতে ১১:৩৫ এর সময় তার মোবাইলে টাকা পাঠানোর একটি বার্তা এসেছে। কিন্তু ঐ মূহুর্তে দোকানির মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল।"
আমি একটু অবাকই হলাম। এরপর বার্তাতে থাকা সিমের নাম্বারে আমি আমার"ব্রিলিয়ান্ট এক্সেস" নাম্বার থেকে কল করেছিলাম। কারণ আমার ব্যক্তিগত নাম্বারটি গোপন রাখার জন্য।
সৌভাগ্যবশত, ও লোকটি মোবাইল কল রিসিভ করেছিলেন। ওপাশ হতে একজন কাকা বয়সী মানুষের আওয়াজ পেলাম। প্রথমেই কুশল বিনিময় করে নিলাম।
তারপর টাকার কথা জিজ্ঞাসা করতেই, মানুষটি বললেন যে তার মোবাইল ফোনে গতরাতে চারশত নিরানব্বই টাকা কে যেনো পাঠিয়েছে। যাহোক সকল বিষয় বুঝিয়ে বললাম।
আসলে ভালো মানুষ পৃথিবীতে এখনো আছে। মাত্র দশ মিনিট অতিবাহিত হতে না হতেই, দোকানির মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পাঁচশত টাকা চলে আসল। কথোপকথনের মধ্যেই ঐ নাম্বারটা আমি দিয়েছিলাম।
এরপর আমি দোকানির পিন নাম্বার পরিবর্তন করে দিয়েছিলাম। যা বোঝার আমি বুঝে গিয়েছিলাম।
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অসুবিধা কি কি?
ঘটনাটি এই অসুবিধার একটি উদাহরণ বলতে পারেন। হ্যাকিং এর একটি দল রয়েছে, তারা মানুষকে ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়।
তবে এটা গ্রাহকদের একটা দুর্বলতা বলা যায়। আমাদের সবারই উচিত আগে খারাপ দিক গুলো জানা। তারপর মোবাইল ব্যাংকিংয়ের গোপনীয়তার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি।
আমার আজকের লেখাটি এখানেই সমাপ্ত করছি। আগামীকাল আবারও দেখা হবে অন্য কোনো বিষয় নিয়ে।
অনেক সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে আজকে আপনি আলোচনা করলেন আপনার পোস্টে অবশ্যই মোবাইল ব্যাংকিং আমাদের জন্য একটা আশার আলো হয়ে এসেছিল আর সেটা হাড়ে হাড়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি।
আসলে আমাদের বাংলাদেশী মানুষের সময়ের খুব অভাব তাইতো এই মোবাইল ব্যাংকিং কি আসার পরে সেই সময়টা একটু বেশি কাজে লাগাতে পারছি কারণ যে সময়টা আমাদের সাধারণত ব্যাংকে গিয়ে লাগতো মোবাইল ব্যাংকিং আসার কারণে আমরা খুব সহজেই সেটা সমাধান করতে পারছি নিজেই নিজেই।
অতি সহজে দ্রুততম সময় যেকোনো জায়গায় আমরা যেকোনো ট্রানজেকশন করতে পারছি আমরা চাইলে আমরা এখানে আমাদের অর্থ জমা রাখতে পারছি যখনই কাজে লাগবে সেটা ব্যবহার করতে পারছি তাই একটু কথাই বলবো মোবাইল ব্যাংকিং আমাদের জন্য অনেক ভালো একটা সুযোগ নিয়ে এসেছে যেটা আমাদেরকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা উচিত।
Amigo pienso que la banco móvil es un herramienta muy fácil de utilizar aquí en Venezuela la utilizamos mucho porque el efectivo lo vemos muy poco y con la banca móvil podemos evitar cargar un excedente de dinero en la calle. Saludos y bendiciones. 🤗