বাঃ কেনাকাটা তো জম্পেশ হয়েছে দেখছি। আর তোদের বাড়ির থেকে কালবেলা মাঠ সত্যিই অনেক কাছে। কৃষ্ণনগর এর সবচেয়ে বড়ো মেলা তো ঐ খানেই বসে। আর গতকাল দাদা রা বেড়িয়েছিল, কিছু ভিডিও করেছিল, সেখান থেকেই বুঝলাম ভিড়ের মাত্রাটা ঠিক কতটা ছিল।
আমার হবু শ্বশুর বাড়ি থেকে গোয়ারি বাজার খুবই কাছে তাই ভবিষ্যতে আমাকেও ঐখান থেকেই বাজার করতে হবে। ঐ বাড়ির বাজার গোয়ারি বাজার থেকেই করা হয়। আর পুজোর জিনিস ওখানে সবই পাওয়া যায়।
তোর ব্লগ পড়ে জানতে পারলাম অনেক প্রদীপ কিনেছিল। কাকিমা তো পুজো করতে খুব ভালো বাসে। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা কোনো ঋতুতেই ওনার রুটিনের কোনো পরিবর্তন হয় না। আগে যখন পড়াতে যেতাম দেখতাম কনকনে শীতের মধ্যেও সেই সকাল বেলাতেই স্নান সেরে পুজোয় বসে পড়েছে। তাই প্রদীপ দিয়ে নিশ্চয় সারা বাড়ি সাজিয়ে ছিল।
আর প্রিয় মানুষের কাছ থেকে গিফ্ট পেতে যেমন ভালো লাগে ঠিক তেমনি তাকে গিফ্ট দিতেও অনেক ভালো লাগে। তাই তুই তোর প্রিয় মানুষকে জুতো গিফট করেছিস দেখে ভালো লাগলো।
আমিও দুইদিন আগেই সান্যাল মার্কেট থেকে অনেক কিছু শপিং করে নিয়ে এসেছে। ঐখানকার কালেকশন এত ভালো যেন যা দেখি তাই নিতে ইচ্ছে হয়। শপিং এর মাঝে তোরা আইসক্রিম পার্লারেও গিয়েছিলিস সেটা জেনে ভালো লাগলো।
তোকে অনেক অনেক ধন্যবাদ তোদের এত সুন্দর খুশির মুহূর্ত গুলো আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।