খাওয়া-দাওয়ার শেষ পর্ব
নমস্কার বন্ধুরা,
আজকে চলে এসেছি, আমার গত পোস্টের বাকি পর্বটুকু আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আগের পোস্টে তো আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম জামাইষষ্ঠীর পরের দিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আমাদের কী কী খাওয়া-দাওয়া হয়েছিল সেইসব বিষয় নিয়ে। যদিও সেই দিনের সম্পূর্ণ গল্প আমি একটি পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারিনি। তাই এখন আমি আপনাদের সাথে বাকি লেখাটি শেয়ার করবো।
দুপুরের এত্ত খাবার খাওয়ার পর পেটে আর কোনো জায়গা ছিল না। যদিও এত কিছু খাওয়া সম্ভব হয়নি। সবাই মিলে ভাগ করে খেয়েছিলাম। তারপর একটা লম্বা ঘুম দিয়েছিলাম। কারণ এত কিছু খাওয়ার পরে আর কিছু করতে মন চাইছিল না। ঘুম থেকে উঠতে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। ভাইপোর ডাকে ঘুম ভাঙ্গলো। ঘুম থেকে উঠে দেখি বৌদি কি যেন রান্না করছে। রান্না ঘরে যেতেই দেখি, তেলে কিছু ভাজছে। জিজ্ঞাসা করে জানতে পারি আমাদের জন্য সন্ধ্যার টিফিন তৈরি হচ্ছে। যদিও তখনো আমাদের খিদে পাইনি। দুপুরে একটু বেশিই খাওয়া হয়ে গিয়েছিল। সন্ধ্যায় বৌদি বানিয়েছিল চিংড়ি মাছের চপ আর চিকেন চপ। দুটোই আমার খুব পছন্দের। শুধু আমার নয় আমার বরের ও খুব পছন্দের। তাই খিদে না থাকার পরেও বেশ কয়েকটা খেয়ে নিয়েছিলাম।
এরপর দাদা আমাদের জানালো যে বিয়ের ফুল ভিডিও তৈরি হয়ে গিয়েছে। অনেকেই হয়তো জানেন না যে আমার দাদা একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার। তাই আমার বিয়ের ফটোগ্রাফির পুরো দায়িত্ব দাদার ছিল। সেই মতো ও সমস্ত কিছু খুব ভালো ভাবে পালন করেছিল। টিফিন করার পর আমরা সবাই মিলে বিয়ের ভিডিও দেখতে বসেছিলাম। ভিডিও টা প্রায় এক ঘন্টার ছিল। কত শত ইমোশন কাজ করছিল। পাঁচ মাস আগের সমস্ত স্মৃতি ভেসে আসছিল। বিয়ে ব্যাপারটা সকলের কাছেই খুব আবেগ এর এক মুহুর্ত। তাই ভিডিও টা দেখতে দেখতে মাঝে মাঝে খুব ইমোশনাল হয়েও পড়ছিলাম। ওভার অল ভিডিও টা খুব সুন্দর বানিয়েছে। গান গুলোর সিলেকশন ও খুব ভালো ছিল।
এর পর রাতে আমরা একটু বেড়িয়েছিলাম কিছু জিনিস কেনাকাটা করতে। তবে এই সবের মাঝে দাদা কখন যে একটা কেক কিনে নিয়েছিল আমরা কেউই খেয়াল করিনি। বাড়িতে আসার পর দাদা আমাদের সারপ্রাইজ দিল। কেক তার ওপর বাংলায় লেখা ছিল "জামাইষষ্ঠী"। আর কেকটা মাছের মতো shape এ ছিল আর mango flavourএর ছিল। Mango flavour আমার খুবই পছন্দের।আমরা খুবই surprised হয়েছিলাম। কেকটার স্বাদ খুবই ভালো ছিল।
তারপর রাতের খাবার খেয়ে আমরা আবার মায়ের বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়ি ফিরে এসেছিলাম। আজ তাহলে এখানেই শেষ করছি। আগামীকাল আবার অন্য কোনো লেখা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব। সকলে ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।