শিম ভর্তা রেসিপি
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ?আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে। আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
শীতকালীন সমস্ত সবজি আমার ভীষণ প্রিয়। সব রকম সবজির মধ্যেই কিছু না কিছু গুনাগুন আমরা পাই। সব রকম সবজির মধ্যে শিম হলো অন্যতম। তবে যে সময়ের সবজি সেই সময়েই খেতে বেশি ভালো লাগে। আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব শিম ভর্তা রেসিপি। আপনারা হয়তো সকলেই জেনে থাকবেন আমার গ্রামের শ্বশুরবাড়ি সেখান থেকে বিভিন্ন রকমের শাকসবজি আমাদের বাড়িতে দিয়ে যান। আমাদের নিজেদের গাছের শিম। কোন রকম সার ও কীটনাশক ছাড়াই গাছের শিম খেতে একদমই অন্যরকম লাগে। শিম খেলে আমরা বিভিন্ন উপকার পায়। কিছু উপকার আপনাদের মাঝে তুলে ধরলাম।
ভিডিও লিংক |
|---|
শিম খেলে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। তবে শিমের বিজ খেলে আরো বেশি উপকার পাওয়া যায়। অনেকেই আবার শিম খাওয়ার সময় শিমের বীজগুলো ফেলে দেয় ।কিন্তু আমি শিম খেতে পছন্দ করি। শিম খেলে চুল পড়া রোধ হয় ।এ ছাড়া ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। শিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি। এরকম হয়তো হাজারো গুনাগুন রয়েছে শিমের মধ্যে। চলুন তাহলে আজকে শুরু করি শিম ভর্তা রেসিপি।
| নং | সামগ্রী | পরিমাণ |
|---|---|---|
| ১ | শিম | ২৫০ গ্ৰাম |
| ২ | সরিষার তেল | ৩০ গ্ৰাম |
| ৩ | কালো জিরা | সামান্য |
| ৪ | শুকনো লঙ্কা | ১ টা |
| ৫ | পেঁয়াজ | ১ টা |
| ৬ | রসুন | ৪ কোয়া |
| ৭ | কাঁচা লঙ্কা | ২ টো |
| ৮ | লবণ | ১ চামচ |
| ৯ | হলুদ | হাফ চামচ |
| ১০ | চিনি | সামান্য |
প্রথম ধাপ
প্রথমেই পরিমাণ মতো টাটকা শিম নিয়ে নিয়েছি। এরপরে শিম গুলো টুকরো টুকরো করে কেটে নিয়েছি, কাটার পর ভালো করে ধুয়ে জল ঝরানোর জন্য রেখে দিয়েছিলাম খানিকক্ষণ।
দ্বিতীয় ধাপ
এবারে গ্যাস অন করে একটা কড়াই বসিয়ে দিয়েছি। কড়াই গরম হলে কড়াইতে পরিমাণ মতো সরিষার তেল দিয়ে দিয়েছি।
তৃতীয় ধাপ
কড়াইয়ের তেল গরম হলে তেলের মধ্যে সামান্য পরিমাণ কালো জিরে আর শুকনো লঙ্কা দিয়ে দিয়েছি।
চতুর্থ ধাপ
এবারে কেটে রাখা শিম গুলো কড়াইতে দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করে কাঁচা লঙ্কা, পেঁয়াজ ,রসুন সমস্ত কিছু দিয়ে আরো ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।
পঞ্চম ধাপ
এরপর পরিমাণ মতো লবণ, হলুদ দিয়ে আরো ভালো করে নাড়াচাড়া করে নিয়ে খানিকক্ষণের জন্য ঢেকে রাখতে হবে।
ষষ্ঠ ধাপ
খানিকক্ষণ পর ঢাকনা খুলে দেখা যাবে শিম গুলো হালকা ভাজা ভাজা হয়ে গেছে। আরো ভালোভাবে শিম গুলো ভেজে নিতে হবে। এরপর সামান্য পরিমাণে চিনি এড করে দিতে হবে।
সপ্তম ধাপ
খানিকক্ষণ পর শিম গুলো ভাজা হয়ে গেলে কড়াই থেকে একটা পাত্রে নামিয়ে নিতে হবে।
অষ্টম ধাপ
পাত্রে নামিয়ে খানিকক্ষণ ঠান্ডা করার জন্য রেখে দিতে হবে ।এরপর একটা মিক্সার গ্রাইন্ডার এ সমস্ত শিম গুলো দিয়ে ভালোভাবে পেস্ট করে নিতে হবে। পেস্ট করার সময় কোন জল ব্যবহার করলে হবে না। পেস্ট খুব সুন্দর আঠালো প্রকৃতির হবে।
নবম ধাপ
এবারে আবারো গ্যাস অন করে একটা কড়াই বসিয়ে দিয়েছি ।কড়াইতে সামান্য পরিমাণে সরিষার তেল দিয়ে পেস্ট করে রাখা শিম গুলো কড়াইতে দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করতে হবে।
তৈরি
এভাবে খানিকক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে শিম ভর্তা।
দুপুরবেলায় গরম ভাতের সাথে রেসিপিটি দুর্দান্ত লাগে। আমাদের বাড়িতে শিম ভর্তা খেয়ে কেউ প্রথমে বুঝতেই পারিনি। রেসিপিটি খুব সহজেই তৈরি করেছিলাম। একদমই অল্প সময়ের মধ্যে রেসিপিটি তৈরি করা যায়।আপনারা চাইলে বাড়িতে রেসিপিটি তৈরি করতে পারেন ।আশা করি সকলেরই খুব ভালো লাগবে। শুধু ভাত নয়, রুটির সাথে খেতেও দারুন লাগে। আমি সমস্ত কিছুই আমার প্রয়োজন মত ব্যবহার করেছি, আপনারা চাইলে এর সাথে আরও কিছু এড করতে পারেন। ভিডিও লিংক দেওয়া থাকল আপনারা চাইলে দেখতে পারেন।
আজ এখানে শেষ করছি। আবার নতুন কোনো রেসিপি নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
Un placer saludarte amiga, esta es una excelente receta, en lo personal me gustan mucho los frijoles y los granos en general, como muy bien dices su consumo conlleva muchos beneficios, como aportar proteina y calorias.
আমি সাধারণত মাছ দিয়ে ছিম ভর্তা তৈরি করতে অনেক বেশি পছন্দ করি মাছ দিয়ে সিম ভর্তা খাওয়ার মজাটাই অন্যরকম একদিন অবশ্যই তৈরি করে খাবেন তবে আমিও আপনার পদ্ধতি অবলম্বন করে একদিন সিম ভর্তা তৈরি করার চেষ্টা করব অসংখ্য ধন্যবাদ সিম ভর্তা তৈরি করার পদ্ধতি আমাদের সাথে এত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার জন্য ভালো থাকবেন।