মালয়েশিয়া থাই রেস্টুরেন্টে দুপুরের খাবার কেমন হয় তার রিভিউ।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
হ্যালো আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন এবং সুস্থ আছেন। আজ আমি আপনাদের মাঝে উপস্থাপনা করব। মালয়েশিয়ার একটি রেস্টুরেন্টের খাবারের রিভিউ সম্পর্কে।
আমার নাম মোঃ শাহিন মালয়েশিয়াতে আছি দীর্ঘ আট বছর যাবত। আর এই সুবাদেই মালয়েশিয়া বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে খাওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। মালয়েশিয়ার স্থায়ী ও নাগরিক তিন থেকে চারটি দেশের তার ভিতরে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া ,মালয়েশিয়ান আসলি, চাইনিজ ও ইন্ডিয়া । আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন মালয়েশিয়াতে আগে জঙ্গলে ভরপুর ছিল এদেশে তেমন কোন মানুষ আসতো না তবে এখন মালয়েশিয়া উন্নত বিশ্বের কাছে একটি উজ্জ্বল রাষ্ট্র এবং উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে যেখানে কোটি কোটি মানুষের কর্মস্থল।
মালয়েশিয়ায় যেমন বিভিন্ন দেশের মানুষ রয়েছে তেমনিভাবে মালয়েশিয়াতে ভিন্ন ভিন্ন রেস্টুরেন্টের ব্যবসা খুবই জমজামোক এক এক দেশের রান্না এক এক রকম এবং তার স্বাদ ও ভিন্ন তাই মাঝে মাঝে আমরা সময় পেলে অপরিচিত খাবার ,অপরিচিত রান্নার স্বাদ নিতেই এসব রেস্টুরেন্ট যেয়ে থাকি।
তো চলুন আমরা একটু জেনে নেই যে গতকালকে আমরা এখানে কি কি খাবার অর্ডার করেছি তার স্বাদ কেমন ছিল।
১/ চিংড়ি মাছ, গাজর টমেটো ও ফুলকপি দিয়ে বানানো একটি ছুপ।
২/ আস্ত একটি কাঁচা কোরাল মাছ ঝোল।
৩/ ডিম ভাজি।
৪/ শাক ভাজি।
৫/ অক্টোপাস ভাজি।
প্রথমে আমাদের সাদা ভাত দিল তারপর চিংড়ি মাছ গাজর ও টমেটো দিয়ে যে ছুপ টা অর্ডার করেছি ওটা আমাদের দিল ছুপ গরম রাখার জন্য নিচে মোমবাতির মত একটি লম্প জ্বালিয়ে রেখেছিল ছুপ টা খেতে মোটামুটি আমার কাছে ভালো লেগেছিল তবে ঝাল একটু বেশি হয়ে গেছিল।
কোরাল মাছের স্বাদ তো আপনাদের বলে বোঝাতে পারবো না যারা কোরাল মাছ খেয়েছেন তারা জানেন যে এই মাছটি কত সাধ যাই হোক আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগছিল কোরাল মাছ ঝোল! এরা এই মাছটি রান্না করার জন্য বিশেষ এক ধরনের রান্নার মসলা ব্যবহার করছিল যা মাছের স্বাদ আর বাড়িয়ে দিয়েছিল।
ডিম ভাজি টার রিভিউ দেওয়ার মতো তেমন কিছুই নাই কেননা বাসায় আমরা যেভাবে ডিম ভাজি ঠিক একই পদ্ধতিতে ওরা এই ডিম ভেজেছিল লবণ ঝাল , পিয়াজ , রসুনের পাতা এই উপকরণ গুলো দিয়েই ডিম ভেজেছিল । তাই অতিরিক্ত কোন স্বাদ আমি বুঝতে পারি নাই।
আমরা যে শাক খেয়েছিলাম তার নাম আমি জানিনা মালয়েশিয়ার ভাষায় কি বলে তাও জানিনা আমার বন্ধু এই শাক অর্ডার দিয়েছিল তাই নামটা বলতে পারছিনা আমিও জিজ্ঞাসা করি নাই। তো যাই হোক মোটামুটি ভালো লাগছিল। তবে রান্না ছিল আধা কাঁচা মত।
- অক্টোপাস ভাজি আমি আগে কখনো খাই নাই ।প্রথমবার খেতে গিয়ে বুঝলাম এর স্বাদ কিছুটা ছাগলের ভুড়ির মত। ভুড়ি ভেজে রান্না করলে যেমন টা লাগে ঠিক তেমন লাগছিল আমার কাছে।
আপনারা যারা মালয়েশিয়াই টুরিস্ট এ ঘুরতে আসবেন বাংলাদেশী হিসেবে আমি বলতে চাই আপনারা অচেনা রেস্টুরেন্টে কখনোই খেতে যাবেন না বিশেষ করে যারা চাইনিজ খেতে পারেন না তারা তো চাইনিজ রেস্টুরেন্টে কখনোই ঢুকবেন না কেননা তাদের রান্না সম্পূর্ণ ভিন্ন অধিকাংশ বাংলাদেশিরা তাদের রান্না খেতে পারে না । চাইনিজরা হলুদ ও মরিচ কখনোই রান্নার জন্য ব্যবহার করে না। যদি কারো প্রয়োজন হয় তাদের জন্য মরিচ আলাদা করে বেটে রাখা হয় যাদের প্রয়োজন হয় তারা ওইখান থেকে মরিচ নিয়ে থাকে। আর আমি এখন গতকালকে যে রেস্টুরেন্টে খেয়েছিলাম তার লোকেশন শেয়ার করছি। আপনারা চাইলে এই রেস্টুরেন্ট ভিজিট করতে পারেন।
https://maps.app.goo.gl/K4DXJdAokcibQFJy5
তো বন্ধুরা আজকে আমি এখানে বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশা করি আল্লাহ সবার মঙ্গল করুন।
আপনার পোষ্টের মাধ্যমে জানলাম মালয়েশিয়া একটা সময় জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। আর এখন একটি আধুনিক উন্নত শহর। এই শহরে আপনি আট বছর ধরে আছেন। আপনি একটু রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছেন এবং তার অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন।
আপনি সুপ,কোরাল মাছ, শাক ভাজি, ডিম ভাজি ও অক্টোপাস খেয়েছেন। এগুলোর স্বাদ কেমন তাও বর্ণনা করেছেন। অক্টোপাসের স্বাদ ছাগলের ভুড়ির মত এটি আপনার কাছ থেকে জানলাম। এটা জানার পর জীবনে আর অক্টোপাস খাব এরকম ইচ্ছা একেবারেই চলে গেল।
আপনার পোস্ট থেকে অনেক কিছুই শিখলাম। খুব ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি পড়ে।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্টটি পড়ে যথাযথ একটা কমেন্ট করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ভালো থাকবেন।
মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ আট বছর ধরে আপনারা রয়েছেন। সেই সুবাদে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টকে গিয়ে থাকেন মূলত বিভিন্ন খাবারের স্বাদ উপভোগ করার জন্য।এবং একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছেন বিভিন্ন খাবার খেয়েছেন এবং তার রিভিউ তুলে ধরছেন। আপনি সুপ,কোরাল মাছ, শাক ভাজি, ডিম ভাজি ও অক্টোপাস খেয়েছেন।এগুলো স্বাদ কি রকম তা আমাদের সাথে বর্ণনা করেছেন। থ্যাংক ইউ আপনার পোস্টটি পড়ে অনেক কিছু শিখলাম এবং জানলাম খুব ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি পড়ে।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইলো।
মালয়েশিয়া আগে জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিলো এটা জানা ছিলো না আমার আগে। আজকে আপনি মালয়েশিয়ান কয়েকটি খাবারের রিভিও দিয়েছেন খুবই চমৎকারভাবে।কোরাল মাছটা খেতে আপনার খুব ভালো লেগেছে।
একটা খুব প্রয়োজনীয় কথা বলেছেন শেষে যে অচেনা রেস্টুরেন্টে না ঢুকাই ভালো।
ভালো লাগলো আপনার লেখা পড়ে। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন আপনি কারণ আমাদের খাদ্যাভ্যাস অন্য দেশের তুলনায় ভিন্ন। তাই না যেনে শুনে কোনো রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করা ঠিক না।
আমার একদমই জানার বাইরে ছিল যে এখানে খাবারে মরিচ দেয়া হয় না। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ খাবার সম্পর্কে এতোসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আমাদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য।
আজকে আপনি রেস্টুরেন্টের খাবার খেতে গিয়েছেন। এবং রেস্টুরেন্ট এর খাবারের রিভিউ দিয়েছেন। আসলে খাবার সবার কাছেই ভালো লাগে। বিশেষ করে সবাই সব ধরনের খাবার পছন্দ করে না। যার যার পছন্দ তার তার ব্যাপার। কিন্তু আপনার শেয়ার পেতেও প্রত্যেকটা খাবার আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। তবে আমাদের এখানে কোরাল মাছ পাওয়া যায় না। যদি কখনো পাই অবশ্যই মাছের ঝোল রান্না করে খাব। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার খাবারের রিভিউটা আমাদের সাথে উপস্থাপন করার জন্য ভালো থাকবেন।
আপনি ঠিক বলছেন সবাই সব খাবার খেতে পারে না এবং সবার পছন্দ এক রকম নয় আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্টে পড়ে যথাযথ একটি কমেন্ট করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ভালো থাকবেন।